a
সোনিয়া হক
এলেবেলে লেখা
------------------------
পঞ্চাশ বছর বয়সে আজো হিংসা গেলোনা,
ছেলে পেলে বড় করেও
নিজেরা আজও বড় হলাম না।
একের ভালো দেখতে নারি
সময় কাটাই পরচর্চা করি,
অন্যের ছিদ্র খুঁজতে ভুলি
নিজের কাপড় গেছে খুলি।
অপরে যা করলে মন্দ,
নিজের বেলায় নেইকো গন্ধ ,
এ'সবেতে লাভ কিছু নাই,
নিজের বা'কাধ হয় যে বোঝাই।
আমার নামে যত খুশি মন্দ বলো,
আখেরাতে তোমার পূণ্য আমার হলো।
আমি কি তা আমি জানি,
কে কী বলে কী এসে যায়
আমার রাজ্যে আমিই রানী।
প্লিজ লক্ষ্য করে বয়সটাকে
সামলে রাখো ঈর্ষাটাকে,
অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়ে
নিজেই মরবে তাতে পড়ে।
ছবি সংগৃহীত
আমায় নাইবা রাখিলে তব বক্ষে ধরে,
নাইবা বাধিলে প্রাণডোরে,
নাইবা করলে পথ চলার অঙ্গীকার।
নাইবা সঁপিলে তব হিয়া খানি,
তবু তো আমি ভালবাসিতে চাই,
তোমারে বহুকাল ধরে।
যদি কাছটিতে ডেকে নিতে,
শুনতে পেতে কত বেলায় ডেকেছে
মোর প্রাণ তব নাম ধরে।
হে প্রিয়,তুমি যদি সুখী হও আমায় ছাড়িয়া,
তবে আমি শতবার তোমার বিরহ সইতে রাজি।
__রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ফাইল ছবি
বাবা-মাসহ গুলশানের একটি বাসায় থাকবে জাপানি দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা। সেখানে তারা আপাতত ১৫ দিন থাকবে। ১৫ দিন পর পরবর্তী আদেশ দেবেন আদালত।
মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
সমাজসেবা অধিদফতরের ঢাকার ডেপুটি ডিরেক্টর বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন। দুই শিশু ও তাদের বাবা-মায়ের মতামত নেওয়ার পর আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
গুলশানের বাসায় থাকাকালীন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশকে বলা হয়েছে।
এর আগে আজ দুপুরে দুই জাপানি শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা বাবার কাছে নাকি মায়ের কাছে থাকতে চান এ বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে একান্তে প্রায় আধঘন্টা কথা হয়েছে।
গত ২৩ আগস্ট দুই জাপানি শিশুকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে উন্নত পরিবেশে রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ সময়ে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাপানি মা ও বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশি বাবা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন বলে নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালত ওইদিন উভয়পক্ষের আইনজীবীদের ৩১ আগস্টের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে ভূমিকা রাখতে বলেছিলেন। তবে সোমবার (৩০ আগস্ট) রাত পর্যন্ত আইনজীবীদের উপস্থিতিতে কয়েক দফা বৈঠকের পরও দুই পক্ষ কোনো সমঝোতায় আসতে পারেনি।