a
ফাইল ছবি: তারেক জিয়া
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার জন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাসে তিনি এই আহ্বান জানান।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের চারটি জেলায় আঘাত হেনেছে, যার ফলে লক্ষাধিক লোক অসংখ্য গ্রামে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। সরকারকে অনুরোধ করছি- এসব জেলায় পরিবার, জীবিকা ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে। পাশাপাশি বিএনপি’র সকল স্তরের নেতাকর্মীদেরকে আশ্রয়, খাদ্য ও রসদ, মানবিক ত্রাণসহ ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমাদের সবসময় মানবতাকেই সমুন্নত রাখতে হবে এবং এই সংকটের সময়ে দলমত নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: প্রধান উপদেষ্টা ড ইউনুস
নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতে রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আজ বিকালে বৈঠকে বসবেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বিকাল ৪টায়। পরের দিন তিনি বসবেন বিভিন্ন ধর্মীয় দলের ধর্মীয় সাথে। এসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐক্যের ডাক দেওয়া।
গতকাল মঙ্গলবার ছাত্র নেতাদের সঙ্গেও এসব বিষয়ে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস।
গত ২ ডিসেম্বর, সোমবার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় দেশটির একদল উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদী জনতা। এ সময় তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেয় বলে বিভিন্ন সংবাদপত্রের মাধ্যম গোটা বিশ্ব পর্যবেক্ষণ করে। ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে এমন কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাধীনতার ৫৩ বছরে ঘটেনি।
এ ঘটনায় সোমবারই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশানুরূপ তৎপরতা দেখায়নি।
তবে, ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামীতে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশের হাইকমিশন, ডেপুটি হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বিএনপিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহা সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আগামীকাল শুক্রবার সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের এই সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার।
কমিশনার বলেন, ‘আমরা ২ দলকে মোট ২৩টি শর্তসাপেক্ষে তাদের আবেদনকৃত জায়গায় সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছি। প্রথমত, আমরা বিএনপি-আওয়ামী লীগ ২ দলকেই চৌহদ্দি নির্ধারণ করে দিয়েছি। বিএনপির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, নাইটিঙ্গেলের মোড় থেকে পুলিশ হাসপাতালের মোড় পর্যন্ত জায়গার মধ্যে তাদের সমাবেশ ও মাইকিং ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তারা মহানগর নাট্যমঞ্চ থেকে পশ্চিমের মুক্তাঙ্গন পর্যন্ত তাদের সমাবেশ ও মাইকিং ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।’
দুই দলের ক্ষেত্রেই নির্দেশ-অনুরোধ থাকবে, তারা কোনো লাঠিসোটা কোনোভাবেই সমাবেশে আনতে পারবে না, কোনো ব্যাগ বহন করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রদোহী কোনো বক্তব্য প্রদর্শন করতে পারবে না, আমাদের যে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, এর বাইরে কোনো মাইক ব্যবহার করতে পারবে না। জনদুর্ভোগ এড়াতে তারা যতটা সম্ভব স্বেচ্ছাসেবক রাখবেন।’ সূত্র: ইত্তেফাক