a জিয়াকে নিয়ে শিশু কনক চাঁপার এক অন্যরকম অনুভূতি!
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জিয়াকে নিয়ে শিশু কনক চাঁপার এক অন্যরকম অনুভূতি!


ফেসবুক ডেস্ক:
রবিবার, ৩০ মে, ২০২১, ১১:৫৫
জিয়াকে নিয়ে শিশু কনক চাঁপার এক অন্যরকম অনুভূতি

ফাইল ছবি। জিয়াউর রহমান

 

খুব ছোট বেলার কথা। ৭৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রবর্তিত বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত শিশুদের সুকুমার বৃত্তির প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ির প্রতিযোগী এবং পুরস্কার বিজয়ী ছিলাম। তখনও আমি আমাদের প্রেসিডেন্টকে সরাসরি দেখিনি। এরপর বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত একটি মঞ্চানুষ্ঠান হয়। রেডিওতে তো শুধু গান হয়,দেখা যায়না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেব আদেশ দিলেন ঢাকার শাহবাগের রেডিও বাংলাদেশের হোম সার্ভিস এর ভেতরে পেছন দিকের উন্মুক্ত বাগানে  একটা মঞ্চানুষ্ঠান করার জন্য। যেখানে উনি উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন।
 
আমরা যারা নিয়মিত রেডিও কলকাকলীতে অংশগ্রহণ করতাম তারাই সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলাম।প্রায় এক মাস ধরে রিহার্সাল হলো। গ্রামবাংলার মানুষের জীবন যাত্রা নিয়ে একটি নৃত্যনাট্য। অনেক কোরাস ভয়েজ ছিল, বলাই বাহুল্য সেখানে বড় বড় একক  গান আমার ভাগে পড়লো এবং অনুষ্ঠানের শুরুতেই  নৃত্যনাট্যের অংশ হিসেবে, যেন কেবল ভোর হলো এটা বোঝানোর জন্য ছিল ফজরের আজান।সেই আজান আমাকে দেয়া হলো। আজানের পরেই নাটকের ভেতরে বিবেক এসে গাইতে থাকে "মনরে পথে পথে পথ বাঁধিতে একতারা বাজাই"।সবই আমাকে গাইতে হয়েছে। এরপর পুরো একটা গ্রামীণ গল্প নাচেগানে উপস্থাপিত হলো।
 
আমাকে অনুষ্ঠানের বড় কেউ একজন  ডেকে নিয়ে গিয়ে একদম প্রেসিডেন্ট সাহেব এর সামনে দাঁড় করালেন। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করা উচিত। উনি আমাকে এক হাতে টেনে নিয়ে একদম কাছে দাঁড় করিয়ে সেই বিখ্যাত সুমিষ্ট হাসি দিয়ে বললেন তোমার নাম? এতো সুন্দর নাম কে রাখলেন?  তারপর বললেন এতো সুন্দর করে আজান কিভাবে দিলে তুমি! তারপর অনেক দোয়া করলেন। আমার বাবা-মা পাশেই দাঁড়ানো ছিলেন, উনি তাঁদের দিকে তাকিয়ে হেসে হেসে  বললেন বাচ্চার যত্ন নেবেন। ও একটা রত্ন। যাইহোক। 

এরপর একসময় আমাদের "মাদারটেক আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়" এ তিনি  এলেন স্কুল পরিদর্শনে। তখনকার দিনেই তিনি আমাদের স্কুলে অনুদান সহ পুরো স্কুলে যাতে এক জায়গা থেকে ক্লাসে ক্লাসে ঘোষণা বা লেকচার শোনা যায় এমন সাউন্ড সিস্টেম মাইক্রোফোন সেট কিনে দিলেন। উনি আসার সাথে সাথে  আমার রিহার্সাল করা গান "প্রথম বাংলা আমার শেষ বাংলাদেশ" গাচ্ছিলাম।উনি আমাদের সামনে দিয়ে সহাস্যে ধীরে ধীরে যাচ্ছিলেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং শিক্ষকদের সাথে শেইকহ্যান্ড করতে করতে। আমার দিকে চোখ পড়তেই উনি চেনা একটা হাসি দিলেন, মানে উনি আমাকে দেখেই চিনেছেন এই মেয়েটিই সেই কনকচাঁপা এবং আমাদের প্রধান শিক্ষক কে জিজ্ঞেস করলেন যে কনকচাঁপা আপনার স্কুলে পড়ে? ভাবা যায়! একজন দেশের প্রেসিডেন্ট! তাঁর এতো তুচ্ছ বিষয় মনে রাখার ব্যাপারটা আজও  বিস্মিত করে আমাকে। ওনার নির্দেশে "পেন পলস" ক্লাব নামক একটি এনজিও শুধু বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করতো। সেখানেও আমি জিয়া শিশু পুরস্কার কয়েকবার পেয়েছি।

পেনপলস ক্লাবের পুরস্কার গুলো অপূর্ব ছিলো। নানান গুনীজনের জীবনীগ্রন্থ  শিশুতোষ ভাষায় লেখা বই,একশোটা কাঠপেন্সিল, বিশ দিস্তা কাগজ! এগুলো পুরস্কার এর আইডিয়া ওনারই ছিলো। ওনার নামে "জিয়া পরিষদ" এর নানা কর্মকাণ্ডেও  আমি অংশগ্রহণ করেছি।
সোজা কথায় তিনি ছিলেন অসম্ভব শিশুপ্রিয় মানুষ। শিশু-কিশোররা ঠিক ঠাক গড়ে ওঠে কিনা এনিয়ে তাঁর কঠিন নজরদারি ছিল। বিটিভিতে আমাদের অনেক শিল্পীর সাথে জনাব  তারেক রহমান ও কোকো রহমান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেবের  কড়া নির্দেশ ছিলো তাঁর সন্তানদের যেন বিশেষ দৃষ্টিতে না দেখা হয়! তাদের বেশভুষা, তাদের যাতায়াতের যানবাহন খুবই সাধারণ ছিল। তারা দুই ভাই কোন প্রোটোকল ছাড়া বিটিভির গাড়িতে রিহার্সাল এ যাতায়াত করতো।

এই ছিলেন আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট সমুখভাগের মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধার ও ভালোবাসার জিয়াউর রহমান।

মনে পড়ে তাঁর মৃত্যুতে অনেক কেঁদেছিলাম। টিভিতে লাখো মানুষের ঢল আর হৃদয়বিদারক করুণ ধারাবিবরণীতে কেঁদে কেঁদে অস্থির হয়ে গেছিলাম এই কিশোরী আমি! 
আমার সেই অনুভূতি আজও তেমনি আছে,থাকবে।

স্রষ্টা, তুমি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান সাহেবকে জান্নাতুল ফেরদৌসের স্থায়ী বাসিন্দা করে নেয়ার অনুগ্রহ করো।

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত.../কন্ঠশিল্পী: কনক চাঁপা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

তোমার খুশীতেই আমি হাসি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ০২:২১
তোমার খুশীতেই আমি হাসি

ছবি: আবছার উদ্দীন চৌধুরী

এত কি প্রশ্ন?
অধিকারের খোঁচাই বা কেন?
এখন আমার সব অধিকার তোমার দখলে!
তুমিই অধিশ্বরী! তোমার রাগ! অভিমান!প্রত্যাশা যখন!
আকাশচুম্বী। অধিকার ও হয়ে যায়! আইফেল টাওয়ার।
এত কি প্রশ্ন? 
ভালবাসার খোঁচাই বা কেন?
আমার সব ভালবাসা!তোমার আঁচলে বন্দী!
তুমিই ভাগ্যবতী! আমার উপলব্ধি!তোমার আত্মবিশ্বাস!
তুমি ছিলে, আমার অনুভূতি! কোথাও কম পড়েছে কি?
এত কি প্রশ্ন? 
অভিমানের খোঁচাই বা কেন?
তোমার রাগ অভিমান! আমার জীবন সর্বস্ব! 
তুমিই রাজলক্ষী! তিলকহীন এই রাগ ভাঙ্গানোর সৈনিক
প্রচেষ্টা সারারাত! জমানো সব হোম ওয়ার্ক থাকে বাকী!
আর কোন প্রশ্ন নাই! যদি বল জীবনটা ও রাখব বাজী!
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০০
লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, করোনার প্রথম ঢেউয়ে ২০২০ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালের জানুয়ারী হতে আজ অবধি লকডাউনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ও দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বরাদ্দ ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিতরণ করা হবে প্রতিটি জেলার জেলা কর্মকর্তাদের মধ্যমে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে