a বিষন্ন অবসর
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিষন্ন অবসর


ফেসবুক ডেস্ক:
রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ১১:৪৬
বিষন্ন অবসর

ফাইল ছবি। মুক্তা দাশ

বিষন্ন অবসর 
মুক্তা দাশ 

ভাদ্র  এখনো অনেক দুর।
সবে জৈষ্ঠ্যমাস ... 
আম, কাঠাল আর তাল পাঁকা গরমে অস্হির চারিধার।
ধান নেয়া হয়ে গেছে, খড়ের গাদাগুলো পিরামিডের দেয়াল দিয়ে দাড়িয়ে আছে বাড়ির এককোণে 
নিকোনো উঠোন তাপে তাতিয়ে উঠেছে  !  
মাটি পোড়া মিহি আগুনের আঁচে 
পা রাখা দায়। 
জামগাছতলায় বাতাসের হা হুতাশে 
আমি একা! 
তাতিয়ে উঠছে ক্রমশঃ শরীর 
ডাসা ডাসা জামের টইটম্বুর রস যেনো ঘাম হয়ে ঝরে পড়ছে নিস্প্রভ অবহেলায় !!
নিঁখুত হাতে বোনা তালপাতার পাখাটাই সম্বল। 
সেটাও বড্ড নড়বড়ে  
যতই হাত চালাই না কেনো 
ঘোরে তো ঘোরে না 
যেনো নুয়ে পড়া দেহ , ভাবলেশহীন । 
পুকুরপাড়ে কুকুরটা একনাগারে ডেকেই যাচ্ছে... 
ভাদ্র মাস এখনো অনেক দুর...! 
জৈষ্ঠ্যের অসহ্য তাপে 
বারবার নেয়ে উঠছি 
ফোঁটা ফোঁটা ঘামে !!
সেও  সুখের ছোঁয়া দিয়ে যায় 
 নিঃসংকোচে  অবলীলায় ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

শেষ সময়ের ডাক...


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৮ মে, ২০২১, ০২:৪১
শেষ সময়ের ডাক

সংগৃহীত ছবি

শেষ সময়ের ডাক...

একটু বুক ভরে শ্বাস নেবো 
সে উপায় নাই, 
মুক্ত বাতাসেও প্রাণঘাতী অসুখ ! 
এ কেমন লীলা তোমার প্রাণেশ্বর !? 
প্রতিমুহূর্তে যে প্রাণ অকালপ্রয়াণে নিভে যায়! 
বেঁচে থাকার   তার কি আছে অধিকার !? 
জীবনের জন্য জীবন -আজ বড়ো প্রাণহীন হিমশীতল। 
তুমি হীন তুমিময় সংসার 
মায়ার অলখ ডোরে বাঁধা কেবলি  বিপ্রতীপ ইশারার জাল। 
এ কেমন পরীক্ষা তোমার !? 
জলের পরে তোমার ছায়া  
ধরতে নাহি পারি, 
ডুবসাঁতারে  জনম গেলো মিছে...  প্রভূ 
না হইলাম তোমার সঙ্গের কান্ডারী ! 
দিনের শেষে সন্ধ্যা ঘনাইছে আকাশে 
মেঘের ঘনঘটা, বিদ্যুৎ চমকে গর্জিছে যমরাজ !
সময়ের ইতি টেনে  বুঝিবা জানায় সম্ভাষণ,   
যেতে হবে এইবার...  এসেছে ডাক ওপারের ।  
বুক ভরে শ্বাস নেই ...! 
নীল আকাশ, নীল সমুদ্র 
কৃষ্ণচূড়ায় রক্তক্ষরণের  ছায়া,  সবুজে নীলের কায়া । 
বিষে বিষাক্ত চারিধার  ! 
মরণ রে   তুহু মম ঘনশ্যাম ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মরণঘাতী সময়


ফেসবুক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২, ০২:২৮
মরণঘাতী  সময়

ছবি: মুক্তা দাশ

মরণঘাতী  সময়
মু্ক্তা দাশ

একটা সময় ছিল
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ  ঠিকঠাক মতই হয়তো বুঝতাম ।  
দিনে দিনে বয়স বেড়েছে , অনেকগুলো বছরের সীমানা পেরিয়ে এসেছি
এখন বেলা প্রায় শেষ  !
সূর্য  অস্ত যাবার প্রস্তুতি চলছে দেহের প্রতিটি কোষে কোষে ।
নীড়ের পাখি নীড়হারা হওয়ার ভয়ে মুখ থুবড়ে জবুথবু ,
তবুও কি আকাশে ডানা মেলে না !?  মেলে তো ।
উড়ে যায়, উড়ে উড়ে যায়  নীলিমায়!
দিনশেষে  ঘরে ফিরতেই হয়,, ফিরে আসে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় !  ফিরতে তাকে হয় ই ।
পরিনত সময়ের নিয়মে এখন বুঝে উঠতে খুব কষ্ট হয়
কোনটা সুখ  আর কোনটা অসুখ  !?
ঝাপসা চোখে সুখে অসুখ খুঁজে পাই , আর
অসুখে কেবলি সুখ হাতড়ে বেড়াই ।
যোগ বিয়োগের নিয়মগুলো বেমালুম পাল্টে গেছে !
শরৎবাবু বেঁচে থাকলে  ,  দেবদাস আর পার্বতীকে
সময়ের ছাঁচে নতুন ভার্চুয়াল রূপে সাজাতো।
 নতুন আয়নায় আমি কেবলি সেকেলে আমাকে দেখি ,
লালন করি সময় অনুপযোগী অনুভব!
অনুভূতিগুলো কেমন ভোঁতা হয়ে গেছে ,
পোড় খেতে খেতে পুড়তেই ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় ।
 পোড়া মনে পুড়তেও যে সুখ আছে ..!
 মরণঘাতী অসুখে  ই  চরম সুখ ।
ক'জন ই বা পায় এমন সুখ ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বোচ্চ পঠিত - ফেসবুক পাতা থেকে

ফেসবুক পাতা থেকে এর সব খবর