a
ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১৮ মে ঢাকার আগারগাঁও এ বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রজেকশন হলে প্রাচ্য বাংলার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সাবেক ধর্ম ও পানি সম্পদ মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, বিশেষ অতিথি সার্ক কালচারাল সোসাইটির কার্যনির্বাহী সভাপতি এটিএম মমতাজুল করিম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক মোঃ কফিল উদ্দিন, তিন বাংলা কবিতা পষিদের সভাপতি কবি সালেম সুলেরী, সার্ক কালচারাল সোসাইটির পশ্চিমবঙ্গের মালদাহ জেলার সমন্বয়কারী শ্রী দুলাল চক্রবর্তী, এপার বাংলা ওপার বাংলা কবি দলের সভাপতি কবি নজরুল বাঙালি, কবি আব্দুল গনি ভূঁইয়া প্রমূখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রাচ্য বাংলার সভাপতি কবি রবিউল আলম রবি সরকার।
ফাইল ছবি
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বর্তমানে শরীরে লেগেই আছে জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা। করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে এখন অনেকেই জ্বর, সর্দির নাম শুনলেই ভয় পায়। কিন্তু এই বর্ষা মৌসুমে বা ঘন ঘন আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরে সাধারনত জ্বর, সর্দির সমস্যা দেখা দিতেই পারে। এই সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু আয়ুর্বেদিক প্রতিকার নিম্নে আলোচনা করা হলো:
১) তুলসী:
আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে তুলসীকে বলা হয় ‘মাদার মেডিসিন অফ নেচার’ এবং ‘কুইন অফ হার্বস’। এই তুলসী সর্দি ও কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সহায়ক। এজন্য কাঁচা তুলসীর পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। অথবা চায়ের সঙ্গে তুলসীর পাতা ফুটিয়ে তুলসীর চা বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
২) আদা:
আদার মধ্যে দ্বারা প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য গলার সংক্রমণ থেকে শুরু করে সর্দি, কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সহায়ক। এজন্য আপনি শুকনো আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। আবার চা পাতার সঙ্গে আদা ফুটিয়ে আদা চা খেতে পারেন। অথবা কাঁচা আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে এই সব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
৩) মধু:
মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান যা কাশির সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে অত্যন্ত সহায়ক। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে এই উপাদানের ব্যবহার অপরিহার্য। গলার সংক্রমণকে দূর করতে এবং কাশি হতে রক্ষা পেতে মধু খেতে পারেন।
৪) রসুন:
আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে রসুনের ব্যবহার অতি পরিচিত নাম। রসুনের মধ্যে থাকে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সাহায্য করে।
এছাড়াও শরীরে গড়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর জন্য আপনি প্রতিদিন এক কোয়া করে কাঁচা রসুন খেতে পারেন অথবা কোনও খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।
ফাইল ছবি
ক্যাম্প নূ তে গতকাল রবিবার দলগত নজরকাড়া পারফরম্যান্সে লেভান্তেকে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। পুরোটা সময় আধিপত্য করে লা লিগার ম্যাচটি তারা ৩-০ গোলে জিতেছে। মেমফিসের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুক ডি ইয়ং। আর শেষে গিয়ে দল ও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভাসান ফাতি। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট না হলে ব্যবধান হতে পারতো অনেক বড়। পুরো ম্যাচে প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ২০টি শট নেয় বার্সেলোনা, যার ১২টি ছিল লক্ষ্যে।
আর প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশ্যে কোনো শট নিতে না পারা লেভান্তে বিরতির পর ছয়টি শট নেয়, যার দুটি লক্ষ্যে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘরোয়া লিগে গত দুই রাউন্ডে ড্র করেছিল রোনাল্ড কুমানের দল। ভীষণ খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলা বার্সেলোনার ম্যাচের শুরুটা হয় দুর্দান্ত। শুরুর ১৪ মিনিটেই দুবার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। ষষ্ঠ মিনিটে মেমফিসের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় দলটি। বাঁদিক থেকে দুই জনের মধ্যে দিয়ে দারুণভাবে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া ডাচ এই ফরোয়ার্ডকে মিডফিল্ডার নেমানিয়া রাদোইয়া ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। চাপ ধরে রেখেই আট মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনা। এই গোলেও আছে মেমফিসের অবদান।
মাঝমাঠ থেকে তার বাড়ানো বল ধরে বাঁদিক দিয়ে আক্রমণে উঠে ডি-বক্সে পাস বাড়ান সের্জিনো দেস্ত। আর ফাঁকায় বল পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন লুক ডি ইয়ং। বার্সেলোনার জার্সিতে এটা তার প্রথম গোল। প্রথমার্ধের পুরোটা সময় প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রেখে আরও কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। কিন্তু বিরতির আগে আর ব্যবধান বাড়েনি। ২২তম মিনিটে মেমফিসের দূরের পোস্টে বাড়ানো ক্রসে পা লাগাতেই পারেননি জেরার্দ পিকে। ৩৬তম মিনিটে সতীর্থের থ্রু বল ডি-বক্সে পেয়ে গোলরক্ষককে কাটালেও শট নেওয়ার যথেষ্ট সময় পাননি শুরু থেকে দারুণ খেলা মেমফিস। আর ৪২তম মিনিটে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের হেড কোনোমতে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধেও শুরুতে আবারও প্রতিপক্ষের সীমানায় হানা দেন মেমফিস। এবারও তার প্রচেষ্টা দারুণ নৈপুণ্যে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক আইতর ফের্নান্দেস। ৬৫তম মিনিটে আবারও সাবেক লিওঁ ফরোয়ার্ড মেমফিসের শট ঠেকান স্প্যানিশ এই গোলরক্ষক। ৮১তম মিনিটে স্বাগতিক সমর্থকদের দীর্ঘ অপেক্ষার শেষ হয়। চোট কাটিয়ে ফেরা ফাতিকে বদলি নামান কোচ। গত বছরের নভেম্বরের পর এই প্রথম মাঠে নামলেন ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। মাঠে নামার একটু পরই ক্ষিপ্র গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে ফাতি প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জে পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন ওঠে। রেফারির সাড়া যদিও মেলেনি। অবশেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মিলে যায় কাঙ্ক্ষিত গোল। ডি-বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফাতি।
ছয় ম্যাচে তিনটি করে জয় ও ড্রয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠেছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ বেশি খেলা লেভান্তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে। সাত ম্যাচ ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সেভিয়া ও আতলেতিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট সমান ১৪ করে; এক ম্যাচ কম খেলা সেভিয়া আছে দুইয়ে। দারুণ এই জয়, সঙ্গে ফাতির দুর্দান্ত ফেরায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ লড়াইয়ের আগে নিশ্চিতভাবেই হারানো আত্মবিশ্বাস অনেকটাই ফিরে পাবে বার্সেলোনা। আগামী বুধবার বেনফিকার মাঠে খেলবে কাতালান ক্লাবটি।