a আজ রাতে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর্জেন্টিনা
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ রাতে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর্জেন্টিনা


ক্রীড়া ডেস্ক :
রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:০৮
আজ রাতে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর্জেন্টিনা

ফাইল ছবি

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ ম্যাচ মনে করা হয় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ। উভয় প্রতিপক্ষের একে অপরের সাথে লড়াই বলতেই ফুটবল অন্যরকম এক রোমাঞ্চ দেখা যায়  ভক্তদের মাঝে। কোপা আমেরিকার প্রায় দুই মাস পর আজ রবিবার দিবাগত রাত ১টায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে আবারো মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা।

মহারণের আগে দুই দলেই বিরাজ করছে শেষ ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে পৌছায় আর্জেন্টিনা। সেই তুলনায় চিলির বিপক্ষে জিততে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে সেলেসাওদের। কেননা ভ্রমণ জটিলতার কারণে শীর্ষ ৯ খেলোয়াড়কে পায়নি তারা। তবুও এভেরটন রিভেইরোর একমাত্র গোলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা সপ্তম জয় তুলে নেয় তিতে শিষ্যরা।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিতে সংখ্যাটা আটে পরিণত করতে চান এভারটন, চিলির বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘টানা সাত জয় ঐতিহাসিক। এটা একটা ডার্বি এবং সত্যিই কঠিন একটা ম্যাচ এবং আমাদের আরও একটা ম্যাচ জেতার আশা থাকবে।’ অপরদিকে আর্জেন্টিনাও ছেড়ে কথা বলতে রাজি নয়। ৭ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়তে থাকা মেসিরা পুনরাবৃত্তি করতে চায় কোপা আমেরিকার সেই ফাইনালের। যেখানে আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ২৮ বছর পর আন্তর্জাতিক শিরোপার দেখা পায় আলবিসেলেস্তারা। তবে কোচ লিওনেল স্কালোনির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে তারকা ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসির চোট। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে বাজে ভাবে ফাউলের শিকার হন তিনি। এদিক থেক ওদিক হলেই ঘটতে পারতো বিপদ। তবে জানা গেছে চোট গুরুতর নয়।

সম্ভাব্য একাদশ:

ব্রাজিল: ওয়েভেরটন, দানিলো, মারকিনিওস, মিলিতাও, সান্দ্রো, পাকেতা, ক্যাসেমিরো, গিমারেজ, বারবোজা, নেইমার, ভিনিসিয়াস।

আর্জেন্টিনা: এমিলিয়ানো, মলিনা, পেজ্জেলা, ওতামেন্দি, তালিয়াফিকো, ডি মারিয়া, ডি পল, লো সেলসো, রদ্রিগেজ, মেসি, লাওতারো।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা: মেসির দুঃখ ঘোচালেন দি মারিয়া


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১, ১১:০৫
চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা: মেসির দুঃখ ঘোচালেন দি মারিয়া

ফাইল ছবি

লিওনেল মেসি নিজের মতো করে আলো ছড়াতে পারেননি। আলো ছড়ানো কী, শেষ দিকে সহজ একটা সুযোগ হারিয়েছেন। আর্জেন্টিনার কৌশল মেনে বারবার রক্ষণেই বেশি মনোযোগী ছিলেন।

কিন্তু ভালো খেলতে না পারার আক্ষেপ মনে হয় না মেসিকে খুব একটা পোড়াবে। ক্যারিয়ারজুড়ে বয়ে চলা আক্ষেপ ঘোচার দিনে আর এসব কেন মনে রাখতে যাবেন মেসি!

আক্ষেপ তার একটাই ছিল—আর্জেন্টিনার জার্সিতে কিছু জিততে না পারা। সেই আক্ষেপ আজ ঘুচেছে। তা-ও কীভাবে! কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের মাটিতে, ব্রাজিলের ফুটবলতীর্থ মারাকানায় নেইমারের ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা।

মেসির আক্ষেপ ঘুচেছে দি মারিয়ার গোলে। ২১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দি পলের চোখধাঁধানো পাস ধরে দারুণ চিপে বল জালে জড়ান দি মারিয়া। সেটিই শেষ পর্যন্ত ঘুচিয়েছে মেসির আক্ষেপ।

ফুটবল-বিধাতাই হয়তো ঠিক করে রেখেছিলেন, এমন একটা ম্যাচেই হবে মেসির আজন্ম অপেক্ষার অবসান। এর চেয়ে বড় কোনো উপলক্ষ তো আর হতে পারত না! নেইমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আলো ছড়াতে শুরু করার পর থেকে মেসি বনাম নেইমারের একটা ফাইনালের অপেক্ষায় ছিল ফুটবল। কিন্তু বিশ্বকাপে তো তেমনটা কখনোই হয়ইনি, কোপা আমেরিকাও এমন কিছু দেখেনি। আজ মারাকানায় হলো প্রথমবার।

এতে নেইমার-মেসি দুজনই কাঁদলেন। নেইমারের কান্নাটা তাঁর ব্রাজিলের হয়ে বড় কোনো শিরোপার এত কাছে এসেও সেটি ঘোচাতে না পারার আর মেসির কান্নায় জুড়ে আছে অনেক কষ্টের শেষে সব পাওয়ার অপূর্ব আনন্দ।

কাগজে-কলমের সব হিসাব অবশ্য ম্যাচের আগে উল্টোটাই হওয়ার আভাস দিয়েছিল। ব্রাজিল এই মুহূর্তে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী দল। কি র‍্যাঙ্কিংয়ে, কি খেলোয়াড়ের নামের ভারে। প্রমাণ দেবে পরিসংখ্যানও। আর্জেন্টিনার কাছে আজকের হারটা ছিল ২০১৬ কোপায় পেরুর কাছে হেরে গ্রুপ পর্বে বিদায়ের পর লাতিন কোনো দলের কাছে ব্রাজিলের প্রথম হার। পাঁচ বছর আগের সেই ব্রাজিল ছিল দুঙ্গার ব্রাজিল।

তিতের অধীনে আলো ছড়াতে থাকা ব্রাজিলকে রুখতে আজ কী দারুণ কৌশলই না বেছে নিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি! ব্রাজিল কোচ তিতে সেমিফাইনালের একাদশে কোনো বদল আনেননি, কিন্তু ফাইনালের আগে বদল আনার ক্ষেত্রে স্কালোনি প্রায়োগিক ভাবনাকে দমিয়ে দেননি মোটেও। ফাটকাগুলো দারুণ কাজে লেগেছে!

রক্ষণের কেন্দ্রে হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফেরা ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে এনেছেন স্কালোনি, ৭৮ মিনিটে মাঠ ছাড়ার আগে অসাধারণ খেলেছেন ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তায় খেলা ডিফেন্ডার। দুই ফুলব্যাকেও এসেছে বদল, গনসালো মন্তিয়েল আর মার্কোস আকুনিয়া দুজনই দারুণ খেলেছেন। তবে স্কালোনির যে বদলটা সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে, তা হলো আক্রমণে আনহেল দি মারিয়াকে আনা।

টুর্নামেন্টে আগের কয়েক ম্যাচে বদলি নেমে আলো ছড়িয়েছেন, কিন্তু আজ দি মারিয়াকে শুরু থেকেই খেলিয়েছেন স্কালোনি।

ব্রাজিলের দুই ফুলব্যাকের মধ্যে লেফটব্যাক রেনান লোদি আক্রমণে ওঠেন বেশি, তাঁর ফেলে রাখা জায়গা ধরে দি মারিয়া গতি কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলকে ভোগাতে পারবেন, এই ভাবনা থেকেই দি মারিয়াকে নামানো।

এই ভাবনারই পুরস্কার হয়ে এল আর্জেন্টিনার গোল। প্রথম থেকে দুই দলের অতি-সাবধানী ফুটবলে সুযোগ তেমন মেলেনি কারওই। তবে প্রথমার্ধে দাপটটা পুরোপুরি ছিল আর্জেন্টিনারই। ২১ মিনিটে গোলটা অবশ্য এসেছে হঠাৎ করেই। আর্জেন্টিনার দুই উইং ধরে দি মারিয়া আর আকুনিয়া উঠে যাচ্ছিলেন বারবার, জায়গা নিয়ে অপেক্ষায় থাকতেন মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বলের। সে কৌশলেই এল গোল।

মাঝমাঠের বৃত্তেরও একটু ভেতর থেকে দি মারিয়ার উদ্দেশে বাতাসে ভাসানো অসাধারণ এক থ্রু বাড়ান পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের প্রাণ হয়ে থাকা রদ্রিগো দি পল। দি মারিয়া সেটি নিয়ন্ত্রণে নিলেন, এদিকে পাশে থাকা রেনান লোদিও তাঁকে আটকাতে গিয়ে করলেন ভুল! আর যায় কোথায়! ব্রাজিল গোলকিপার এদেরসন এগিয়ে এসে আটকাতে চেয়েছিলেন দি মারিয়াকে, কিন্তু আর্জেন্টাইন উইঙ্গারের দারুণ চিপ ঠেকানোর সাধ্য ছিল না অসহায় দাঁড়িয়ে থাকা এদেরসনের।

ম্যাচের আগে আলোচনায় ছিল ব্রাজিল মেসিকে কীভাবে আটকাবে, আর আর্জেন্টিনা নেইমারকে। উত্তরটা পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। মেসির পায়ে বল গেলেই তিনজন ব্রাজিলিয়ান এসে ঘিরে ধরেছেন মেসিকে। কৌশলটা বেশ কাজেও দিয়েছে ব্রাজিলের। মেসি সেভাবে আলো ছড়াতে পারেননি।

নেইমারকে আটকানোর ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা ধরেছে ভিন্ন পথ। টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের মিডফিল্ডে সৃষ্টিশীলতার জোগান দিয়েছেন লুকাস পাকেতা, নেইমারের সঙ্গে মাঝমাঠের সম্পর্কও তৈরি করেছেন তিনিই। আর্জেন্টিনা আজ তাই নেইমারের পেছনে দু-তিনজনকে না রেখে পাকেতা-নেইমারের সংযোগটা ছিন্ন ক্রার কৌশলে খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে মিডফিল্ডার ফ্রেডের বদলে স্ট্রাইকার রবার্তো ফিরমিনো নামার আগে সে কৌশলে ১০০-তে ১০০ পেয়েছে আর্জেন্টিনা।

প্রথমার্ধে কোনো সুযোগই তৈরি করতে না পারা ব্রাজিলের আক্রমণের ধার বাড়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরমিনো নামার পর। নেইমার এ স্ময়ে দারুণ খেলেছেন। বারবার সুযোগ তৈরি করেছেন, কিন্তু সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি কেউ! ৫২ মিনিটে একবার বল জালেও জড়ায় ব্রাজিল, কিন্তু রিচার্লিসনের সেই গোল বাতিল হয় অফসাইডে। তার দুমিনিট পরই রিচার্লিসনেরই দারুণ শট বাজপাখির ক্ষিপ্রতায় আটকে দেন এই টুর্নামেন্ট দিয়ে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে ঠাঁই করে নেওয়া গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে ব্রাজিল আরও আক্রমণাত্মক হয়েছে। ফিরমিনোর পর একে একে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গাব্রিয়েল বারবোসাকেও নামিয়েছেন তিতে। নেইমার আর রিচার্লিসন তো ছিলেনই! বারবোসা নেমে আর্জেন্টিনাকে ভুগিয়েছেন। একবার পেনাল্টির দাবিও তুলেছেন, যদিও তা ধোপে টেকার মতোই ছিল না। টেকেওনি। শেষদিকে ব্রাজিলের আক্রমণ জোর পেয়েছে, যদিও সেসব আক্রমণে পরিকল্পনার ছাপের চেয়ে মরিয়া ভাব বেশি ছিল।

ব্রাজিলের আক্রমণাত্মক বদলির বিপরীতে মাঝমাঠ আর রক্ষণকে শক্তিশালী করা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত ঝাঁঝটা সয়ে গেছে। পাল্টা আক্রমণে বরং আরও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করেছে। ৮৯ মিনিটে মেসির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা পাল্টা আক্রমণটাতে শেষ টানতে ব্যর্থ মেসি নিজেই। দি পলের দারুণ থ্রু ধরে ব্রাজিল গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন মেসি, কিন্তু শট ঠিকঠাক নিতে পারেননি।

ব্যর্থতাটা শেষ পর্যন্ত আর কাঁদায়নি মেসিকে। মেসি কেঁদেছেন ঠিকই, কিন্তু সে কান্না ব্যর্থতার নয়। এর চেয়ে সুখের কান্না মেসি সম্ভবত ফুটবল মাঠে আর কখনো কাঁদেননি! সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইসরাইলে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:২২
ইসরাইলে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

ফাইল ছবি: ইরান ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলে

 

মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলে বেশ কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

এদিকে, ইসরাইলের দাবি করেছে, শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ওদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবেশ করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, তাদের অভিযান হবে সীমিত। কিন্তু হিজবুল্লাহ ইসরাইলি সেনাদের এ দাবিকে অস্বীকার করেছে।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি বলেছেন, ইতিহাসে সবচেয়ে বিপজ্জনক একটি সময়ের মুখোমুখি তার দেশ। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগেই হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রশাসন ইসরাইলকে সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত। হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিয়েছে তুরস্ক, ইরাক, সিরিয়া। এসব দেশ যদি এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ এক যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠবে। অন্যদিকে, গাজায় উপত্যকায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। সেখানে মঙ্গলবার তারা কমপক্ষে ২৯ জন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।

এ নিয়ে গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় নিহতের  সংখ্যা প্রায় ৪১,৬৩৮ জন।  জর্ডান থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক নিলস আদলার বলছেন, দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। আম্মানের আকাশের ওপর দিয়ে তা উড়ে যায়। তবে এবার তার অনেকগুলোকে আকাশে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরাইলের উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, গাজা, হিজবুল্লাহ ও লেবাননের মতোই শোচনীয় পরিণতি ভোগ করতে হবে ইরানকে। এমন অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাবাহিনীকে নিরাপদ রাখতে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা করতে ইসরাইলকে সমর্থন করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের কাছে রাস্তায় গোলাগুলি হয়েছে। তাতে বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছে। তবে সংখ্যা জানা যায়নি। সূত্র:মানবজমিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়