a
ফাইল ছবি
এল ক্লাসিকোয় জিতে লা লিগায় পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠল রিয়াল মাদ্রিদ। রবিবার স্যান্টিয়াগো বার্নাবিউতে বার্সেলোনাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এল ক্লাসিকোয় বাজিমাত করল কার্লো আন্সেলোত্তির দল। ম্যাচের ৮২ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ম্যাচের ১২ মিনিটে করিম বেঞ্জিমার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৩৫ মিনিটে ভালভেরদে-র গোলে লিড দ্বিগুণ করে রিয়েল।
ম্যাচের ৮৩ মিনিটে ব্যবধান কমান বার্সার ফার্নান্দো টোরেস। খেলা শেষের ঠিক আগে পেনাল্টি থেকে ফল রিয়ালের পক্ষে ৩-১ করেন রডরিগো। লা লিগায় ৯ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে উঠল রিয়াল। অন্যদিকে, মৌসুমে প্রথম হারের স্বাদ পেল জাভির দল।
ওজিল
বিশ্বের নানা প্রান্তে নিপীড়িত মুসলমানদের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা যায় মেসুত ওজিলকে। চীনের উইঘুরে বসবাসকারী মুসলিম জনগোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে কথা বলে বারবার আলোচনায় এসেছেন জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা। এবার মিয়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পক্ষ নিলেন তুর্কি ক্লাব ফেনেরবাচের এই মিডফিল্ডার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওজিল লিখেছেন, ‘আমাদের মানুষ হিসেবে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো দরকার, বিশেষ করে মিয়ানমারের মতো দেশে। যারা অনিরাপদ তাদের নিরাপত্তার জন্য দোয়া করছি। রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করছি। মুখ খোলার এখনই সময়।’
কবি শঙ্খ ঘোষ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। আনন্দবাজার অনলাইন জানায়, মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।
বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে তাকে ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন কবি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়।শঙ্খ ঘোষ কয়েক মাস ধরে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।
গত ২১ জানুয়ারি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালেও ছিলেন কয়েক দিন। এর মধ্যে তিন দিন আগে জ্বর ও পেটের সমস্যা দেখা দেয়। এরপর তার করোনা টেস্ট করা হয়। গত বুধবার তার পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
কবি শঙ্খ ঘোষের জন্ম ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। কর্মজীবনে তিনি যাদবপুর ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯২ সালে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা ভূমিকায় দেখা গেছে কবিকে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতীর মতো প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনাও করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ায় ‘রাইটার্স ওয়ার্কশপ’-এও শামিল হন। বছর দুয়েক আগে ‘মাটি’ নামের একটি কবিতায় কেন্দ্রীয় সরকারের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। বাংলা কবিতার জগতে শঙ্খ ঘোষের অবদান অপরিসীম। ‘দিনগুলি রাতগুলি’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, ‘গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ’ তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে একাধিক সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন শঙ্খ ঘোষ। ১৯৭৭ সালে ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে কন্নড় ভাষা থেকে বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’ নাটকটি অনুবাদ করেও সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া রবীন্দ্র পুরস্কার, সরস্বতী সম্মান, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি ২০১১ সালে পদ্মভূষণে সম্মানিত হয়েছেন।