ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৮, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Mukto Sangbad Protidin

না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক বায়ার্ন লিজেন্ড গার্ড মুলার


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন রবিবার, ১৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৭:৫০
না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক বায়ার্ন লিজেন্ড গার্ড মুলার
ফাইল ছবি

জার্মান ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি খেলোয়াড়, ১৯৭৪ বিশ্বকাপজয়ী তারকা গার্ড মুলার না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৫ বছর। ১৯৪৫ সালের ৩ নভেম্বর পশ্চিম জার্মানিতে জন্ম মুলারের। জার্মান জাতীয় দলের হয়ে ৬২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে গোল করেছেব ৬৮টি। ৭৪টি ইউরোপিয়ান ম্যাচে ৬৬ গোল আর ৪২৭টি বুন্দেসলিগা ম্যাচে ৩৬৫ গোলের কীর্তি গড়েন সাবেক এই স্ট্রাইকার।

বায়ার্ন মিউনিখ এক টু্ইটারবার্তায় জানিয়েছে, `আজ জার্মান ফুটবল, বায়ার্ন মিউনিখ আর গোটা দুনিয়া স্তব্ধ হয়ে গেছে। জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার গার্ড মুলার ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। জার্মান জাতীয় ফুটবল দল ও বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বহু ইতিহাস গড়েছেন সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এই ফুটবলার।’ বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন সাবেক এই স্ট্রাইকার ২০১৫ সালে আলজেইমার রোগে আক্রান্ত হন। এরপর বিশেষায়িত কেয়ার হোমে বসবাস করছিলেন তিনি।

১৯৭২ সালে এক মৌসুমে ৮৫টি গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন মুলার। সেই রেকর্ডটি অক্ষত ছিল ৪০ বছর। যা ২০১২ সালে ভেঙে ফেলেন লিওনেল মেসি। দুটি বিশ্বকাপ খেলে ১৪টি গোল করেন তিনি। যে রেকর্ড গড়েন তা অক্ষত ছিল দীর্ঘ ৩২ বছর। ২০০৬ বিশ্বকাপে তাকে ছাড়িয়ে যান রোনালদো।

গার্ড মুলার জার্মানিকে জিতিয়েছেন ১৯৭৪ বিশ্বকাপ, ফুটবল বিশ্বমাতানো ইয়োহান ক্রুইফের নেদারল্যান্ডস তার গোলেই  হেরে যায়। ১৯৭০ সালে নিখুত পারফরম্যান্সের জন্য ব্যালন ডি’অর জিতেন মুলার। খেলার মাঠে তার উপস্থিতি মানেই ছিল গোল। প্রতিপক্ষকে নিজের অতুলনীয় পজিশনিং ও দৈহিক শক্তি দিয়ে ঘায়েল করে একের পর এক গোল করতেন গার্ড মুলার। তার বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ব ফুটবলে।

এদিকে, বায়ার্ন মিউনিখকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবে পরিণত করার পেছনে তার অবদানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেন বায়ার্নের প্রধান নির্বাহী অলিভার কান। এক বিবৃতিতে কান বলেন, ‘মুলারের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। বায়ার্নের ইতিহাসে তিনি অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। এখন পর্যন্ত তার অর্জন অতুলনীয়। বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মান ফুটবলের ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা: মেসির দুঃখ ঘোচালেন দি মারিয়া


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১, ১১:০৫
চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা: মেসির দুঃখ ঘোচালেন দি মারিয়া

ফাইল ছবি

লিওনেল মেসি নিজের মতো করে আলো ছড়াতে পারেননি। আলো ছড়ানো কী, শেষ দিকে সহজ একটা সুযোগ হারিয়েছেন। আর্জেন্টিনার কৌশল মেনে বারবার রক্ষণেই বেশি মনোযোগী ছিলেন।

কিন্তু ভালো খেলতে না পারার আক্ষেপ মনে হয় না মেসিকে খুব একটা পোড়াবে। ক্যারিয়ারজুড়ে বয়ে চলা আক্ষেপ ঘোচার দিনে আর এসব কেন মনে রাখতে যাবেন মেসি!

আক্ষেপ তার একটাই ছিল—আর্জেন্টিনার জার্সিতে কিছু জিততে না পারা। সেই আক্ষেপ আজ ঘুচেছে। তা-ও কীভাবে! কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের মাটিতে, ব্রাজিলের ফুটবলতীর্থ মারাকানায় নেইমারের ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা।

মেসির আক্ষেপ ঘুচেছে দি মারিয়ার গোলে। ২১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দি পলের চোখধাঁধানো পাস ধরে দারুণ চিপে বল জালে জড়ান দি মারিয়া। সেটিই শেষ পর্যন্ত ঘুচিয়েছে মেসির আক্ষেপ।

ফুটবল-বিধাতাই হয়তো ঠিক করে রেখেছিলেন, এমন একটা ম্যাচেই হবে মেসির আজন্ম অপেক্ষার অবসান। এর চেয়ে বড় কোনো উপলক্ষ তো আর হতে পারত না! নেইমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আলো ছড়াতে শুরু করার পর থেকে মেসি বনাম নেইমারের একটা ফাইনালের অপেক্ষায় ছিল ফুটবল। কিন্তু বিশ্বকাপে তো তেমনটা কখনোই হয়ইনি, কোপা আমেরিকাও এমন কিছু দেখেনি। আজ মারাকানায় হলো প্রথমবার।

এতে নেইমার-মেসি দুজনই কাঁদলেন। নেইমারের কান্নাটা তাঁর ব্রাজিলের হয়ে বড় কোনো শিরোপার এত কাছে এসেও সেটি ঘোচাতে না পারার আর মেসির কান্নায় জুড়ে আছে অনেক কষ্টের শেষে সব পাওয়ার অপূর্ব আনন্দ।

কাগজে-কলমের সব হিসাব অবশ্য ম্যাচের আগে উল্টোটাই হওয়ার আভাস দিয়েছিল। ব্রাজিল এই মুহূর্তে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী দল। কি র‍্যাঙ্কিংয়ে, কি খেলোয়াড়ের নামের ভারে। প্রমাণ দেবে পরিসংখ্যানও। আর্জেন্টিনার কাছে আজকের হারটা ছিল ২০১৬ কোপায় পেরুর কাছে হেরে গ্রুপ পর্বে বিদায়ের পর লাতিন কোনো দলের কাছে ব্রাজিলের প্রথম হার। পাঁচ বছর আগের সেই ব্রাজিল ছিল দুঙ্গার ব্রাজিল।

তিতের অধীনে আলো ছড়াতে থাকা ব্রাজিলকে রুখতে আজ কী দারুণ কৌশলই না বেছে নিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি! ব্রাজিল কোচ তিতে সেমিফাইনালের একাদশে কোনো বদল আনেননি, কিন্তু ফাইনালের আগে বদল আনার ক্ষেত্রে স্কালোনি প্রায়োগিক ভাবনাকে দমিয়ে দেননি মোটেও। ফাটকাগুলো দারুণ কাজে লেগেছে!

রক্ষণের কেন্দ্রে হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফেরা ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে এনেছেন স্কালোনি, ৭৮ মিনিটে মাঠ ছাড়ার আগে অসাধারণ খেলেছেন ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তায় খেলা ডিফেন্ডার। দুই ফুলব্যাকেও এসেছে বদল, গনসালো মন্তিয়েল আর মার্কোস আকুনিয়া দুজনই দারুণ খেলেছেন। তবে স্কালোনির যে বদলটা সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে, তা হলো আক্রমণে আনহেল দি মারিয়াকে আনা।

টুর্নামেন্টে আগের কয়েক ম্যাচে বদলি নেমে আলো ছড়িয়েছেন, কিন্তু আজ দি মারিয়াকে শুরু থেকেই খেলিয়েছেন স্কালোনি।

ব্রাজিলের দুই ফুলব্যাকের মধ্যে লেফটব্যাক রেনান লোদি আক্রমণে ওঠেন বেশি, তাঁর ফেলে রাখা জায়গা ধরে দি মারিয়া গতি কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলকে ভোগাতে পারবেন, এই ভাবনা থেকেই দি মারিয়াকে নামানো।

এই ভাবনারই পুরস্কার হয়ে এল আর্জেন্টিনার গোল। প্রথম থেকে দুই দলের অতি-সাবধানী ফুটবলে সুযোগ তেমন মেলেনি কারওই। তবে প্রথমার্ধে দাপটটা পুরোপুরি ছিল আর্জেন্টিনারই। ২১ মিনিটে গোলটা অবশ্য এসেছে হঠাৎ করেই। আর্জেন্টিনার দুই উইং ধরে দি মারিয়া আর আকুনিয়া উঠে যাচ্ছিলেন বারবার, জায়গা নিয়ে অপেক্ষায় থাকতেন মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বলের। সে কৌশলেই এল গোল।

মাঝমাঠের বৃত্তেরও একটু ভেতর থেকে দি মারিয়ার উদ্দেশে বাতাসে ভাসানো অসাধারণ এক থ্রু বাড়ান পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের প্রাণ হয়ে থাকা রদ্রিগো দি পল। দি মারিয়া সেটি নিয়ন্ত্রণে নিলেন, এদিকে পাশে থাকা রেনান লোদিও তাঁকে আটকাতে গিয়ে করলেন ভুল! আর যায় কোথায়! ব্রাজিল গোলকিপার এদেরসন এগিয়ে এসে আটকাতে চেয়েছিলেন দি মারিয়াকে, কিন্তু আর্জেন্টাইন উইঙ্গারের দারুণ চিপ ঠেকানোর সাধ্য ছিল না অসহায় দাঁড়িয়ে থাকা এদেরসনের।

ম্যাচের আগে আলোচনায় ছিল ব্রাজিল মেসিকে কীভাবে আটকাবে, আর আর্জেন্টিনা নেইমারকে। উত্তরটা পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। মেসির পায়ে বল গেলেই তিনজন ব্রাজিলিয়ান এসে ঘিরে ধরেছেন মেসিকে। কৌশলটা বেশ কাজেও দিয়েছে ব্রাজিলের। মেসি সেভাবে আলো ছড়াতে পারেননি।

নেইমারকে আটকানোর ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা ধরেছে ভিন্ন পথ। টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের মিডফিল্ডে সৃষ্টিশীলতার জোগান দিয়েছেন লুকাস পাকেতা, নেইমারের সঙ্গে মাঝমাঠের সম্পর্কও তৈরি করেছেন তিনিই। আর্জেন্টিনা আজ তাই নেইমারের পেছনে দু-তিনজনকে না রেখে পাকেতা-নেইমারের সংযোগটা ছিন্ন ক্রার কৌশলে খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে মিডফিল্ডার ফ্রেডের বদলে স্ট্রাইকার রবার্তো ফিরমিনো নামার আগে সে কৌশলে ১০০-তে ১০০ পেয়েছে আর্জেন্টিনা।

প্রথমার্ধে কোনো সুযোগই তৈরি করতে না পারা ব্রাজিলের আক্রমণের ধার বাড়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরমিনো নামার পর। নেইমার এ স্ময়ে দারুণ খেলেছেন। বারবার সুযোগ তৈরি করেছেন, কিন্তু সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি কেউ! ৫২ মিনিটে একবার বল জালেও জড়ায় ব্রাজিল, কিন্তু রিচার্লিসনের সেই গোল বাতিল হয় অফসাইডে। তার দুমিনিট পরই রিচার্লিসনেরই দারুণ শট বাজপাখির ক্ষিপ্রতায় আটকে দেন এই টুর্নামেন্ট দিয়ে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে ঠাঁই করে নেওয়া গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে ব্রাজিল আরও আক্রমণাত্মক হয়েছে। ফিরমিনোর পর একে একে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গাব্রিয়েল বারবোসাকেও নামিয়েছেন তিতে। নেইমার আর রিচার্লিসন তো ছিলেনই! বারবোসা নেমে আর্জেন্টিনাকে ভুগিয়েছেন। একবার পেনাল্টির দাবিও তুলেছেন, যদিও তা ধোপে টেকার মতোই ছিল না। টেকেওনি। শেষদিকে ব্রাজিলের আক্রমণ জোর পেয়েছে, যদিও সেসব আক্রমণে পরিকল্পনার ছাপের চেয়ে মরিয়া ভাব বেশি ছিল।

ব্রাজিলের আক্রমণাত্মক বদলির বিপরীতে মাঝমাঠ আর রক্ষণকে শক্তিশালী করা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত ঝাঁঝটা সয়ে গেছে। পাল্টা আক্রমণে বরং আরও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করেছে। ৮৯ মিনিটে মেসির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা পাল্টা আক্রমণটাতে শেষ টানতে ব্যর্থ মেসি নিজেই। দি পলের দারুণ থ্রু ধরে ব্রাজিল গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন মেসি, কিন্তু শট ঠিকঠাক নিতে পারেননি।

ব্যর্থতাটা শেষ পর্যন্ত আর কাঁদায়নি মেসিকে। মেসি কেঁদেছেন ঠিকই, কিন্তু সে কান্না ব্যর্থতার নয়। এর চেয়ে সুখের কান্না মেসি সম্ভবত ফুটবল মাঠে আর কখনো কাঁদেননি! সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এমবিবিএস মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা ঝুঁকি নিয়ে হয়েছে



শুক্রবার, ০২ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:১৫
ঢাকার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অবস্থান

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরির মতো উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই আজ শুক্রবার দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আজ সারা দেশের ৫৫টি কেন্দ্রে একযোগে সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ১১টা পর্যন্ত। এ বছর পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ২২ হাজার ভর্তিচ্ছু। এর ফলে বড় ধরনের জনসমাগম হবে, যা করোনা সংক্রমণ বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করবে।

করোনা সংক্রমণ রোধে প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। কেন্দ্রে প্রবেশের কড়াকড়ি থাকলেও বাইরে দেখা গেছে ভিন্নচিত্র।

রাজধানীর ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন। নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টা আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকছেন পরীক্ষার্থীরা। কেন্দ্রে ঢোকার সময় শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা পরিমাপ ও হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাইরে পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। মানছেন না সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধিও উপেক্ষিত হচ্ছে।

অভিভাবকদের বক্তব্য হলো-কেন্দ্রের ভেতরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাভ কী? বাইরেই তো বিপুল পরিমাণ মানুষের ভিড়। এখানে করোনার সংক্রমণ হওয়া স্বাভাবিক।

ঢাকা কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদ বলেন, সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি এবং কঠোর যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষণ শেষে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রের ভেতরে যেন শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলেন সে বিষয়টিও তদারকি করা হচ্ছে। কোনোভাবেই কেউ যেন অসদুপায় অবলম্বন করতে না পারে সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

আগের নিয়মেই হচ্ছে এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা। ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জিপিএর ১০০ নাম্বারসহ মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে জাতীয় মেধা তালিকা করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook