a
ফাইল ছবি
পিএসজির হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় লিওনেল মেসি। অপেক্ষাটা সমর্থকদেরও। সবার মনেই এক প্রশ্ন-কবে পিএসজির জার্সিতে আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের অভিষেক হচ্ছে? গেল ম্যাচে ব্রেস্টের বিপক্ষে দারুণ জয় পেয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)।
কিন্তু দুর্ভাগ্য এই ম্যাচেও মাঠে নামা হয়নি মেসির। শুধু মেসিই নন, ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারও খেলেননি এই ম্যাচে। তাই নতুন ক্লাবে মেসির অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে, মাঠে নামার তাড়নায় হয়তো ছটফট করছেন মেসিও। কিন্তু কবে অবসান ঘটবে এই অপেক্ষার? এর উত্তর হয়তো পিএসজি কর্তৃপক্ষই জানেন। চলতি ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে পিএসজি এরই মধ্যে তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে। তবে এক ম্যাচেও মাঠে দেখা যায়নি মেসিকে। মেসি অনুশীলন করেছেন পিএসজির হয়ে। কিন্তু মূল ম্যাচে নামা হচ্ছে না। হাতে অখণ্ড অবসর। দর্শক হয়ে বসে না থেকে তাই অবসর কাটাতে এবার বার্সেলোনায় ঘুরতে গেছেন মেসি।
শুক্রবার (২০ আগস্ট) রাতে লিগে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ব্রেস্টের মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। মেসি ও নেইমার জুনিয়রকে বাইরে রেখেই দল সাজিয়েছিলেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই কোচ পচেত্তিনো। ছুটিতে আছেন, তাই একটু ঘুরে আসাই যায়। এই ভেবেই বার্সেলোনায় গিয়েছেন মেসি, এই সফরে সঙ্গী হয়েছেন নেইমারও।
এ সময় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে প্রিয় ঠিকানায় পা রাখেন তিনি। সংক্ষিপ্ত সফর। অল্প কয়েকদিনের জন্য বার্সায় ক্যাস্তেলডেফেলসে নিজের বাড়িতেই থাকবেন মেসি।পিএসজির হয়ে প্রথম তিন ম্যাচে মেসিকে দেখা না গেলেও, গুঞ্জন আছে আগামী ২৯ আগস্ট অভিষেক হতে পারে মেসির। রেইমসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে নামতে পারেন তিনি। তাই বার্সেলোনায় থাকার জন্য খুব বেশিদিন সময় হাতে নেই মেসির। অনুশীলনে যোগ দেওয়ার জন্য কয়েকদিনের মধ্যেই আবার পিএসজিতে ফিরে যাবেন মেসি।
মেসির অভিষেকের বিষয়ে কোচ পচেত্তিনো জানিয়েছেন, 'ক্লাবে যারা নতুন এসেছে তাদের সবাইকে ঠিকঠাক ম্যানেজ করতে হয়। এই সপ্তাহটা খুব ভালো কেটেছে মেসির। আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই সে হয়তো দলের হয়ে মাঠে নামবে। এদিকে গতকাল মেসি-নেইমারবিহীন ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে পিএসজি। ব্রেস্টকে ৪-২ গোলে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে প্যারিসিয়ানরা। গেল মৌসুমে টেবিলের দুয়ে থেকে রানার্স আপ হয়েছিল পিএসজি। সেই আক্ষেপ ভুলে এবার যেন ট্রফি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্য নয়বারের চ্যাম্পিয়নদের। ফরাসি লিগ ওয়ানে ব্রেস্টকে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয়ের স্বাদ পেল প্যারিসিয়ানরা।
ফাইল ছবি
ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলবার রাতে তারা পিএসজিকে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠলো পেপ গুয়ারদিয়ালার শিষ্যরা।
মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে নিজেদের মাঠ ইতিহাদে আলজেরিয় ফরোয়ার্ড রিয়াদ মাহরজের জোড়া গোলে জয় পায় সিটিজেনরা।
ম্যাচে সিটির গোলপোস্ট বরাবর ১২টি শট নিয়েছে পিএসজি। লক্ষ্যেভেদ করতে পারেনি একটিও দলের সেরা সুপারস্টার ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র বেশ কয়েকবার সিটির রক্ষণভাগে আক্রমণ করলেও কাঙ্খিত দেখা পাননি।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে পেনাল্টি পায় পিএসজির। কিন্তু ভিএআরের প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রেফারি দেখেন, বল আলেকসান্দার জিনচেঙ্কোর ঘাড়ে লেগেছিল। ফলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন তিনি। এর চার মিনিট পরই পাল্টা আক্রমণে ডি-বক্সের ভেতর থেকে লক্ষ্যভেদ করে প্রথম গোল করেন মাহরেজ। সমতায় ফিরতে আপ্রাণ চেষ্টা করেপিএসজি। ৩৬তম মিনিটে নেইমারের বল পান আন্দার হেরেরা। কিন্তু তার নেওয়া শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে পৌছাতে ব্যর্থ হয়।
১-০ স্কোরলাইনে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধে আরো আক্রমণাত্বক হয় সিটি। ৫৪তম মিনিটে ফিল ফোডেনের জোরালো শট রুখে দিয়ে পিএসজির নাভাস। কিন্তু তার ৯ মিনিট পর স্কোরার মাহরেজকে আটকাতে পারেনি পিএসজির রক্ষণ। ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে ডি ব্রুইনের সঙ্গে বল আদান-প্রদান করে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ফোডেন। এরপর বাঁ প্রান্ত থেকে ক্রস করেন তরুণ এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। বাকি কাজটা সহজভাবেই সারেন আলজেরিয় ফরোয়ার্ড মাহরেজ। ২-০ তে এগিয়ে যায় পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।
বাকি সময় দুটি তো দূরের কথা একটিও শোধ করতে পারেনি নেইমারের দল। শেষ পর্যন্ত দুইলেগ মিলেয়ে ৪-১ এ জয় পায় সিটিজেনরা। রেফারির শেষ বাঁশিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতে উল্লাসে মাতে ম্যানসিটি ভক্তরা।
আগামী ২৯ মে ইস্তানবুলে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। সেখানে প্রথমবার ফাইনালে উঠা গার্দিওলার ম্যান সিটির প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা চেলসি।
ফাইল ছবি
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমে বাড়ছেই। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, তিনি ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তার সরকার চায় নিজ দেশের নাগরিকরা যেন দ্রুত ইউক্রেন ছাড়েন। ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মরিসন বলেন, ইউক্রেনে অবস্থানরত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকরা যদি চান তবে তাদের দেশটি ছেড়ে চলে আসার এখনই উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, যারা এখনও ইউক্রেনে আছেন তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে কয়েক সপ্তাহ ধরেই কাজ করছেন দূতাবাসের কর্মীরা। আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সমাধান করার জন্যও রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও বিডি প্রতিদিন