a
ফাইল ছবি
শৈশবের প্রিয় ক্লাব বার্সোলোনা ছাড়তে বাধ্যই হলেন লিওনেল মেসি। ক্লাবের আর্থিক সমস্যা লা লীগার বেধে দেওয়া বেতন কাঠামোর ভিত্তিতে মেসিকে তার নতুন চুক্তিতে সই করানো সম্ভব হলো না। এদিকে মেসির চলে যাওয়ার খবরে থমকে গেছে ফুটবল প্রেমিরা তারা এক মূহুর্ত ও নিজেদের বিশ্বাস করাতে পারছে না যে মেসি ছাড়া বার্সা আর বার্সা ছাড়া মেসি কিভাবে কল্পনা করবে তারা।
২০০০ সালে একটি টিস্যু পেপারে সই করে পথচলা শুরু হয় মেসি আর বার্সার। তারপর পেরিয়ে গেছে ২১টি বছর। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বোর্ড চেয়েছিলো বেশকিছু খেলোয়াড় বিক্রি করে তাদের আর্থিক অবস্থা ঠিক করতে তাদের মধ্যে গ্রীজম্যান বার্সায় থাকতে চায়, লেংলেটকে কিনতে প্রীমিয়ার লীগ থেকে ভালো অফার ছিল কিন্তু সে যাবে না, ওদিকে বসে বসে বেতন খাওয়া ফ্রেঞ্জম্যান সামুয়েল উমতিতিও জানিয়েছে সে দল ছাড়বে না, মাত্র ১৮ বছর বয়সী ইলাইশ মরিবা বেতন কমানো দূরে থাক বেতন বৃদ্ধির জন্য উল্টো চাপ দিচ্ছেন,আরো বেশ কিছু খেলোয়াড় বোর্ড তাদেরকে বিক্রি করতে চাইলেও তারা রাজি না হওয়ায় কিংবা অন্য ক্লাব তাদের ফর্মের কারনে তাদের কিনতে আগ্রহী না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের সমঝোতায় মেসিকেই ক্লাব ছাড়তে হলো।
প্রাণের ক্লাবটি ছেড়ে এখন তিনি যাবেন কোথায়? এই প্রশ্নটা গতকাল রাত থেকেই ঘুরপাক খাচ্ছে ইউরোপিয়ান ফুটবলে। বার্সেলোনা তাদের অফিশিয়াল বক্তব্যে জানিয়ে দিয়েছে, কাতালান ক্লাবটিতে মেসি আর থাকছেন না। এখন ইউরোপের বেশ কিছু বড় ক্লাব তাকে দলে নিতে নড়চড়ে বসার কথা। মেসির দেশ আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি, পিএসজি, ইন্টার মিলান ও ইন্টার মিয়ামি আছে তাঁকেকিনতেআগ্রহীদের তালিকায়। কিন্তু চাইলেই তো আর মেসিকে কেনা সম্ভব নয়। আর্জেন্টাইন তারকার আকাশচুম্বী বেতন দেওয়ার সামর্থ্য আছে কয়টি ক্লাবের? স্প্যানিশ লিগের আরোপ করা বেতন সীমার মধ্যে থাকতে না পারাতেই যে মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। এর মধ্য দিয়ে বার্সার সঙ্গে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে মেসির। প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ২০০০ সালে তাঁকে ন্যাপকিনে সই করিয়েছিলেন বার্সার তখনকার মূল দলের পরিচালক কার্লেস রেক্সাস। বাকিটা ইতিহাস এবং সোনার অক্ষরে লেখা সেই ইতিহাস সবারই জানা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ৪৩০ মিলিয়ন ইউরোয় মেসিকে পাঁচ বছর মেয়াদে নিতে চায় ম্যানচেস্টার সিটি। পেট্রোডলারসমৃদ্ধ ক্লাব হওয়ায় মেসির বেতন দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে ইংলিশ ক্লাবটির।
এর আগে গত মৌসুম শেষে মেসি যখন বুরোফ্যাক্স করে বার্সা ছাড়তে চেয়েছিলেন, তখন ৬০০ মিলিয়ন ইউরোয় সিটি তাঁকে কিনতে আগ্রহী, এমন খবরও বেরিয়েছিল। সিটিতে বার্সার সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলা রয়েছেন। মেসির সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়াটা সব সময়ই ভালো। এর পাশাপাশি সিটি ছেড়ে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সের্হিও আগুয়েরো যোগ দিয়েছেন বার্সায়। টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, মেসিকে সিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন আগুয়েরো। তবে সিটিতে পরিস্থিতি এখন একটু ঘোলাটে। এরই মধ্যে অ্যাস্টন ভিলা থেকে জ্যাক গ্রিলিশকে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে কেনার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে সিটি। ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে মেসির সঙ্গে জাতীয় দলে খেলা কয়েকজন সতীর্থ রয়েছেন। আনহেল ডি মারিয়া, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও মাউরো ইকার্দি। এর পাশাপাশি বার্সার সাবেক সতীর্থ নেইমার রয়েছেন সেখানে। ব্রাজিলিয়ান তারকা আবার মেসির বন্ধু। পিএসজি বেশ আগে থেকেই মেসিকে কিনতে আগ্রহী ছিল।
তবে প্রস্তাবটা ঠিক কত টাকার, সংবাদমাধ্যমে তা আসেনি। গত মৌসুম শেষে মেসি বার্সা ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানানোর পর পিএসজির নামটা আগেভাগে উঠে এসেছিল।গত বছরের আগস্টে জানা গিয়েছিল, ইন্টার মিলানের ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিক চীনের ইলেকট্রিক পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সানিং মেসিকে কেনার জন্য স্পনসর খুঁজছে। এ নিয়ে নাকি চীনের সরকারের কাছ থেকে তারা সবুজ সংকেতও পেয়েছিল। তবে ইন্টার মিলানের সহসভাপতি হাভিয়ের জানেত্তি তখন এই গুঞ্জন অস্বীকার করেছিলেন। গত জুনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের দল ইন্টার মিয়ামির মালিক ডেভিড বেকহামের সঙ্গে কথা বলেন মেসি। তখন জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘কিকার’ জানিয়েছিল, বার্সায় চুক্তির মেয়াদ শেষে ক্যারিয়ারের বাকি সময় ইন্টার মিয়ামিতে শেষ করতে পারেন মেসি।
বেকহাম তখন বলেছিলেন, ‘মেসির ইন্টার মিয়ামিতে খেলার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’ এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাড়িও কিনেছেন মেসি। তখন গুঞ্জন বের হয়, ইন্টার মিয়ামিতে ক্যারিয়ার শেষ করার পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জায়গাটা আগেই ঠিক করেছেন তিনি।
ফাইল ছবি
ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ ম্যাচ মনে করা হয় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ। উভয় প্রতিপক্ষের একে অপরের সাথে লড়াই বলতেই ফুটবল অন্যরকম এক রোমাঞ্চ দেখা যায় ভক্তদের মাঝে। কোপা আমেরিকার প্রায় দুই মাস পর আজ রবিবার দিবাগত রাত ১টায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে আবারো মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা।
মহারণের আগে দুই দলেই বিরাজ করছে শেষ ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে পৌছায় আর্জেন্টিনা। সেই তুলনায় চিলির বিপক্ষে জিততে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে সেলেসাওদের। কেননা ভ্রমণ জটিলতার কারণে শীর্ষ ৯ খেলোয়াড়কে পায়নি তারা। তবুও এভেরটন রিভেইরোর একমাত্র গোলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা সপ্তম জয় তুলে নেয় তিতে শিষ্যরা।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জিতে সংখ্যাটা আটে পরিণত করতে চান এভারটন, চিলির বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘টানা সাত জয় ঐতিহাসিক। এটা একটা ডার্বি এবং সত্যিই কঠিন একটা ম্যাচ এবং আমাদের আরও একটা ম্যাচ জেতার আশা থাকবে।’ অপরদিকে আর্জেন্টিনাও ছেড়ে কথা বলতে রাজি নয়। ৭ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়তে থাকা মেসিরা পুনরাবৃত্তি করতে চায় কোপা আমেরিকার সেই ফাইনালের। যেখানে আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ২৮ বছর পর আন্তর্জাতিক শিরোপার দেখা পায় আলবিসেলেস্তারা। তবে কোচ লিওনেল স্কালোনির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে তারকা ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসির চোট। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে বাজে ভাবে ফাউলের শিকার হন তিনি। এদিক থেক ওদিক হলেই ঘটতে পারতো বিপদ। তবে জানা গেছে চোট গুরুতর নয়।
সম্ভাব্য একাদশ:
ব্রাজিল: ওয়েভেরটন, দানিলো, মারকিনিওস, মিলিতাও, সান্দ্রো, পাকেতা, ক্যাসেমিরো, গিমারেজ, বারবোজা, নেইমার, ভিনিসিয়াস।
আর্জেন্টিনা: এমিলিয়ানো, মলিনা, পেজ্জেলা, ওতামেন্দি, তালিয়াফিকো, ডি মারিয়া, ডি পল, লো সেলসো, রদ্রিগেজ, মেসি, লাওতারো।
ছবি সংগৃহীত
ভারত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আমরা সবাই জানি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের সর্বাত্মক সহায়তা দিয়েছিল। এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য যে, তাদের প্রত্যক্ষ সমর্থনের কারণে মাত্র নয় মাসের মধ্যেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। অনেকেই মনে করেন, ভারত আমাদের পাশে না থাকলে বাংলাদেশ কখনোই সৃষ্টি হতো না।
তবে আমরা কি কখনো ভেবেছি, ভারত কেন আমাদের সাহায্য করেছিল? অনেকেই বলবেন, ভারত একটি দুর্বল পাকিস্তান দেখতে চেয়েছিল। যখন সুযোগ তাদের হাতে আসে, তখন তারা তা লুফে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি। এটি ভারতীয় স্বার্থের একটি সাধারণ উপলব্ধি। যখন মুক্তিযোদ্ধারা ভালো অবস্থানে ছিল, তখন ভারত পাকিস্তানের সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক দিনের মধ্যে বিজয় অর্জন করে। বলা হয়ে থাকে, ভারত আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে সেটিকে তাদের বিজয় হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এটি আমাদের ভাগ্যের নির্মম পরিহাস।
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লে. জেনারেল নিয়াজি ভারতীয় সেনাবাহিনীর লে. জেনারেল অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের চুক্তিতে সই করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল ওসমানীকে আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বলা হয়ে থাকে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজয় দেখানোর জন্য বাংলাদেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
গত ৫৩ বছর ধরে ভারতীয় মিডিয়া, বুদ্ধিজীবী এবং ভারত সরকার এই ঘটনাকে তাদের ইতিহাসের এক মহান বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে কখনোই এই দাবির বিরোধিতা করতে পারিনি। বরং, আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ করে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়েও তাদের সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করেছি।
শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানের সময়েই বাংলাদেশ সফলভাবে ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিল। তবে এজন্য তাকে নিজের জীবন দিতে হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী এবং চীনপন্থী কিছু রাজনৈতিক দল, যেমন ভাসানীর ন্যাপ, ভারতীয় সমর্থনের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন ছিল।
ভারত ১৯৪৭ সালের বিভাজন মেনে নিতে পারেনি এবং পাকিস্তানের জন্মের প্রথম দিন থেকেই তারা এর বিরুদ্ধে কাজ করে এসেছে। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, যার সত্যতা শেখ মুজিব স্বাধীনতার পরে স্বীকার করেছিলেন, এর একটি স্পষ্ট প্রমাণ।
ভারত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভালো বন্ধু হিসেবে ভান করেছিল শুধুমাত্র পাকিস্তানকে ভেঙে ফেলার এবং একটি উপনিবেশ রাষ্ট্র সৃষ্টি করার জন্য। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এক সময়ে এটি ভারতীয় ইউনিয়নের সাথে একীভূত করা।
আজ এটি আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য থেকে। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিল। মোদি আরও বলেন, এটি ছিল ভারতের যুদ্ধ, যেখানে ভারতীয় সেনারা সাহসিকতা এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেছিল এবং ভারতের জন্য এক গৌরবময় বিজয় এনেছিল। এটি বাংলাদেশের প্রতি ভারতের প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ করে।
সম্প্রতি জুলাই-আগস্ট বিপ্লব ২০২৪-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ভারতীয় আধিপত্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু ভারত এই পরিবর্তন মেনে নিতে পারেনি এবং বাংলাদেশকে পুনরায় তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে মরিয়া। ভবিষ্যতে তারা বিভিন্ন কার্ড দেখাতে পারে, বিশেষত সংখ্যালঘু কার্ড, খেলার চেষ্টা করবে। এমনো হতে পারে যে কোন একটি ইস্যু ধরে বাংলাদেশের একটি অংশ দাবি করে আক্রমণ করতে পারে।
যদি বাংলাদেশের জনগণ ভারতের স্বার্থের এই সরল সমীকরণটি বুঝতে ব্যর্থ হয়, তবে তা হবে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয়তাবাদী শক্তির পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের অবশ্যই ড. ইউনুস সরকারকে সফলতার সাথে কাজ করার জন্য সহযোগিতা করে যেতে হবে। বর্তমানের অর্ন্তবর্তী সরকারকেও সব দল ও মতকে বিবেচনা রেখে সবাইকে একসাথে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনের পরও রাজনৈতিক সরকারগুলোকেও ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করলে কোন বহি:শত্রু এদেশে হুমকি হিসেবে দাঁড়াতে পারবেনা।
আমাদের সামনে যে সুযোগ এসেছে, এটি কাজে লাগাতে হবে। আর আমরা যদি এসব সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই, তাহলে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের আকাশে কালো মেঘ ঘনিয়ে আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
লেখক: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক।