a
সংগৃহীত ছবি
চীনের সিনোফার্মের টিকার ২০ লাখ ডোজের প্রথম চালানটি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এ চালান পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।
ঢাকায় চীনা দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত হুয়ালং ইয়ান শুক্রবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেইজিং এয়ারপোর্ট থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিমান টিকা নিয়ে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। বিমানটি রাত ১টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এর আগে, দুই ধাপে চীন থেকে উপহার হিসেবে সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। ইতিমধ্যে দেশে চীনা টিকার প্রয়োগও শুরু করেছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: বাংলাদেশ ডক্টরেট্স প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড (বিডিপিএফ) বাংলাদেশের জ্ঞান, গবেষণা ও উন্নয়নে বৈশ্বিক অবদান নিশ্চিত করতে কাজ করার ব্রত নিয়ে এক পরিচিতি সংবাদ সম্মেলন করেন। ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাব তোফাজ্জল হোসেন মিঞা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের জ্ঞান, গবেষণা ও উন্নয়নে বৈশ্বিক অবদান নিশ্চিত করতে BDPF-এর ভিশন, মিশন ও কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ ডক্টরেটস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড (BDPF) তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে।
BDPF এর সভাপতি ড. মো: মুঞ্জুরে মওলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপনকালে BDPF এর প্রোগ্রাম বিষয়ক কনসালটেন্ট ড. মো: আব্দুল হাই বলেন যে, ফিনল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ থেকে ডক্টরেট (PhD) ডিগ্রি অর্জনকারী বাংলাদেশি গবেষক ও ফিনল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী পিএইচডি ডিগ্রিধারী পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করতে এই প্ল্যাটফর্ম গঠিত হয়েছে।
BDPF একটি অরাজনৈতিক, নিরপেক্ষ ও কমিউনিটি-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলাদেশি ডক্টরেটধারীদের মধ্যে পেশাগত, সামাজিক ও মেধাগত সংযোগ স্থাপন করা হয়। এই প্ল্যাটফর্ম গবেষকদের বহুমাত্রিক জ্ঞান-বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা, নেটওয়ার্কিং ও মেন্টরশিপে উৎসাহিত করে—যাতে তারা বাংলাদেশের উন্নয়নে বাস্তব অবদান রাখতে পারেন।
এক পর্যায়ে সদস্য সচিব ড. জি এম আতিকুর রহমান তার আলোচনায় বলেন যে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি গবেষকদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও গবেষণা ধারাকে দেশের জ্ঞান উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অগ্রগতির সাথে যুক্ত করার জন্য একটি স্থায়ী, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর চ্যানেল তৈরি করার প্রতি BDPF গুরুত্বারোপ করে। BDPF আধুনিক গবেষণা ও শিক্ষা পদ্ধতি, টেকসই উন্নয়ন, গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও উচ্চ দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে ফিনিশ শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক শিক্ষার পদ্ধতি, টেকসই উন্নয়ন, টেকনোলজি ট্রান্সফার, আইটি ইত্যাদি বিষয়ে BDPF এর পরিকল্পনা ও ভবিষ্যতের কাজের সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন BDPF এর কার্যকরী কমিটির সভাপতি ড. মো: মুঞ্জুরে মওলা, সদস্য সচিব ড. জি এম আতিকুর রহমান, প্রোগ্রাম বিষয়ক কনসালটেন্ট ড. মো: আব্দুল হাই, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ ড. মো: সানাউল হক প্রমুখ।
ছবি: কথিত সাংবাদিক শাহনাজের বিভিন্ন কৌশলী ছবি
তথাকথিত সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, বহুবিবাহে আবদ্ধ, চাঁদাবাজ, ধান্ধাবাজ, প্রতারক বরগুনা জেলার পাথারঘাটা থানার তালুকের চরধনি গ্রামের মৃত শাহাদাৎ শিকদারের মেয়ে শাহনাজ পারভীন (৪৫)। প্রতারণা করাই তার মুল পেশা।
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ে শাহনাজ পারভীন রাজধানী ভাটারা, বাড্ডা, খিলক্ষেত ও গাজীপুর মহানগরে বিভিন্ন এলাকায় অনৈতিক সকল কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় যে, ফরিদপুর জেলার ইউনুসের সাথে তার প্রথমে বিবাহ হয়। ঐ স্বামীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হলে পরবর্তীতে সাগর নামে আরেক ব্যাক্তিকে বিবাহ করে, কয়েক বছর পরে এই স্বামী সাগর শাহনাজের ছোট বোনকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করে। তারপর মাসুদ নামে আরো এক ব্যক্তিকে বিবাহ করে ঢাকা কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় চলে আসে। বেশি লেখাপড়া না থাকলেও সে মোবাইল চালানো বেশ দক্ষ ও প্রতারণার কৌশলে বেশ অভিজ্ঞ।
উল্লেখ্য, ঢাকায় এসে কুড়িল চৌরাস্তায় প্রথমে বাড়ি বাড়ি কাজ করতো, হোটেলে প্লেট ধোওয়ার কাজ, ব্যাটারীর দোকানে কাজ, ফুটফাতে চা বিক্রি করতো। আবার একসময় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে তারপর হয়ে উঠে সাংবাদিক।
নিজের নাম ঠিকানা ঠিক মত লিখতে না জানা শাহনাজকে একটা মহল তাদের প্রয়োজন মেটাতে সাংবাদিক বানায়। আর এই সাংবাদিক কার্ড ও ক্যামেরা গলায় ঝুলিয়ে সেই চক্রের সাথে চাঁদাবাজী শুরু করে। এই চাঁদাবাজী করতে গিয়ে কয়েকবার ধরা পরে এবং চাঁদাবাজীর মামলায় জেলখাটে। বর্তমানে তার নামে প্রতারণা ও চাঁদাবাজীর একাদিক মামলা চলমান।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, শাহনাজ ২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল মাসে বাবুল মিয়া নামে একজনের সাথে তার বিয়ে হয় এবং ঠিকমত ভরণ-পোষণ ও খোঁজ-খবর না নেওয়ার অভিযোগে বাবুল মিয়ার ঠিকানায় ১৫/০৫/২০১৯ সালে উকিল নোটিশ পাঠানো হয় । সূত্রে আরো জানা যায়, গাজীপুর চৌরাস্তায় আরেক প্রতারক ও চাঁদাবাজ মো: আব্দুস সোবহান নামের এক ব্যাক্তির যোগসূত্রে হাজী নুরুল হকের ৭২ শতাংশ মার্কেট জমি ভুয়া ক্ষমতাপত্র তৈরি করে জোড় পূর্বক চাঁদাবাজী করে আসছে। এমনকী হাজী নুরুল হকের নামে একটি অবৈধ কাবিন নামা তৈরি করে নিজেকে হাজী নুরুল হকের স্বামী দাবী করে প্রতারণা করে আসছে।
অনুসন্ধান টীম আরও কিছু ভয়ংকর তথ্য উদ্ধার করে। শাহনাজ নিজের মেয়েকে দিয়ে অনৈতিক কাজ করিয়ে বিভিন্ন পুরুষকে ফাসিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়, শাহনাজের বোন রুপসী হিজরা, সাথে আরো হিজরা নিয়ে গ্যাং তৈরি করে তাদেরকে নিয়েও বিভিন্ন অন্যায় কার্যকলাপ করে যাচ্ছে।
শাহনাজ তার নিজের মেয়েকে দিয়ে একাদিক পুরুষের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে এক সময় তাদের সাথে অনৈতিক সর্ম্পক করিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজী করে। যাহার একাদিক প্রমাণ অনুসন্ধান টিমের হাতে সংরক্ষিত আছে। মাত্র ২০ বছর বয়সে সে তার মেয়েকে চার বিয়ে করিয়ে কিছু দিন পর পর তালাক দিয়ে কাবিনের টাকা আদায় করে নেয়। একাদিক বিয়ে করে কাবিনের টাকা হাতিয়ে নেওয়া শাহনাজ এবং শাহনাজের মেয়ে চালিয়ে আসছে।
সামপ্রতিক শাহনাজ সাহায্যের নামে বিভিন্ন ব্যানার বানিয়ে প্রবাসীদের কাছে ফেসবুকে বুস্ট করে, মিথ্যে অভিনয়ে নতুন প্রতারণায় অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এখানে সে উল্লেখ করে বলে যে, সে কিডনী রোগী, মেরুদন্ডের হাড় ভেঙ্গে গেছে আবার সে ব্রেস্ট ক্যানসার, ব্লাড ক্যন্সারে আক্রন্ত। আবার এতিম শিশুদের নামে সাহায্য চেয়েও আবেদন করে। এই বিষয়ে শাহনাজের মোবাইলে ফোন দিয়ে এর সতত্যর একাদিক রেকডিং পাওয়া গেছে ও বেশ কিছু ব্যানার ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ছড়িয়ে পড়েতে দেখা যায়।
শাহনাজ কথায় কথায় মানুষকে মিথ্যে মামলার হুমকী প্রদান করে বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করে। তার কাজে তাকে সাহায্য করার জন্য কিছু উকিল ও সাংবাদিক নিয়োগ দিয়ে রেখেছে এবং এসব উকিল ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় সে প্রতারণা করার উৎসাহ পেয়ে আসছে।
কিছুদিন আগে সে জনপ্রিয় ব্যাক্তি বেরিষ্টার সুমন, অভিনেতা ডিপজলসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্যের নামে ধরণা দিয়েছে এবং তার নিজের ফেসবুকে এই বিষয়ে একাদিক ভিডিও শেয়ার করেছে।
তার সর্ম্পকে তার বাসায় আশে-পাশে তথ্য জানতে গেলে, নাম না প্রকাশে কয়েকজন বলেন বড় ফ্লাট নিয়ে সে একা বাসায় থাকে, প্রতিদিন বিভিন্ন পুরুষ-মহিলা তার বাসায় আসা-যাওয়া করে। প্রতিবেশীরা জানান যে, কিভাবে একা একটি ফ্লাট ভাড়া নিয়ে থাকে, তার আয়ের উৎস কি আমাদের জানা নেই । আসা-যাওয়া লোকদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে সাংবাদিক শাহনাজের কাছে তাদের ভিন্ন ভিন্ন কাজ থাকে তাই তারা আসে।
অনুসন্ধান টিম উক্ত বিষয়ে শাহনাজের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়ে বলে, কত সাংবাদিক লাগবে সে নিয়ে আসবে, পরবর্তীতে যেন তাকে আর ফোন না দেওয়া হয়। আর ফোন দিলে সে দেখে নিবে বলে হুমকী দেয়। সে আরো হুমকি দেয় যে, তার হিজরা বোন রুপসীকে দিয়ে কাপড় খুলে রেখে এক একজনকে রাস্তায় ছেড়ে দেবে। সূত্র: ডে-নাইট নিউজ, সীমান্ত বার্তা