a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৭৬৮ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১,৩১০ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৮ জন।
আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৫২৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৮৬২ জন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৩০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৮ হাজার ৯৭টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘প্রতিদিন যদি ৫০০-১০০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে থাকে তাহলে গোটা ঢাকা শহরকে হাসপাতাল করে ফেললেও রোগী রাখার জায়গা দেওয়া যাবে না। এ জন্য যা করার এখনই করতে হবে।
বুধবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) কর্তৃক আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে যা করতে হবে তা হচ্ছে, যে যে স্থান থেকে করোনা সৃষ্টি হচ্ছে সে সব স্থানে এখনই জরুরি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর ১৮টি নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’
করোনা মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি উদ্যোগে দ্রুততার সঙ্গে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই প্রায় আড়াই হাজার বেড বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরও ৪০টি আইসিইউ বেড স্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ঢাকা নর্থ সিটি করপোরেশন হাসপাতালটি করোনা ডেডিকেটেড করা হচ্ছে। এছাড়া রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালসহ দেশের বেশিরভাগ হাসপাতালে শত শত শয্যা কোভিড ডেডিকেটেড করা হচ্ছে।’ সূত্র:যুগান্তর
ছবি: সিফাত, এমএস প্রতিদিন
গতকাল বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণফোরামের নেতৃত্বে কারা হেফাজতে মারা যাওয়া লেখক ও সাংবাদিক মুশতাক আহমেদ এবং নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরতর আহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন ওরফে মোজাক্কির হত্যার বিচার ও ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিলের দাবিতে যুব গণফোরামের ব্যানারে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়।
যুব গণফোরামের ও ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সমাজের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, নাসির হোসেন, মুহা্ম্মদ উল্লাহ মধু প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অপরদিকে, বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরামের অপর অংশ সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল আইনের কথা বলে আমাদের যেভাবে বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে তা থেকে মুক্তি দিতে হবে।
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান। উপস্থিত ছিলেন আওম শফিকউল্লাহ, মোশতাক আহমেদ, জানে আলম, সুরাইয়া বেগম ও সেলিম আকবার।
উল্লেখ্য, গণফোরামের একটি অংশ ড. কামাল হোসেনকে কেন্দ্র করে এবং অপরটি দলের বৃহৎ অংশটি মন্টু-সুব্রত ও আবু সাইয়িদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। ইতিপূর্বে দলের মধ্যে বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কারের ঘটনা ঘটলেও পরবর্তীতে দু'পক্ষের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।