a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২২ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ১২৪ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ২৬১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৬ জন।
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৯৬৪ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ২১ হাজার ৪৩৫ জন।
উল্লেখ্য, ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৭৫৮ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয় এবং ২৪ ঘণ্টার পরীক্ষার অনুপাতে শনাক্ত ৬.৯৫ শতাংশ।
ফাইল ছবি
এ বছর ডেঙ্গু জ্বর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির অবহেলিত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. রমন ভেলাইউধন বলেছেন, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক এখন ডেঙ্গু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। রয়টার্স
শুক্রবার (২২ জুলাই) ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুর হার বেড়েই চলেছে। ২০০০ সাল থেকে ২০২২ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ৮ গুণ বেড়েছে।
সুদানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটির রাজধানী খার্তুমে প্রথমবারের মতো এই রোগের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ বছর ডেঙ্গু জ্বর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ইউরোপেও এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেরুর বেশিরভাগ অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে ডেঙ্গুর কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ডেঙ্গু বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া গ্রীষ্মমন্ডলীয় রোগ। এটি 'মহামারির হুমকি' বাড়াচ্ছে। ডেঙ্গু আনুমানিক ১২৯টি দেশকে প্রভাবিত করে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ থেকে ৪০০ আক্রান্তের খবর নথিভুক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এ বছর বিশ্বজুড়ে ৪ মিলিয়নেরও বেশি ডেঙ্গু কেস রয়েছে। এর বেশিরভাগই এশিয়ায় বর্ষা মৌসুমের সময় নথিভুক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু আনুমানিক ১২৯টি দেশকে প্রভাবিত করে। সম্প্রতি বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে এবং পেরুতে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ডব্লিউএইচও'র রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. রমন ভেলাইউধন বলেন, ইতিমধ্যে আমেরিকান অঞ্চলগুলোতেও প্রায় ৩০ লাখ ডেঙ্গু কেস নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হওয়া আর্জেন্টিনা বিকিরণ ব্যবহার করে মশাকে জীবাণুমুক্ত করছে। মশার ডিএনএ পরিবর্তন করে বনে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ভেলাইউধন বলেন, আমেরিকান অঞ্চলে অবশ্যই ডেঙ্গুর পরিস্থিতি খারাপ। আমরা আশা করি এশীয় অঞ্চল এটি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, উষ্ণ জলবায়ুতে মশা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ভাইরাসকে মশা তাদের দেহের মধ্যে বহুগুণে বহন করতে সক্ষম হয়। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
মিয়ানমারের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সশস্ত্র যোদ্ধারা এখন দেশটির অনেক এলাকা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করছে। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের উত্তরাঞ্চলের এক শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত আরাকান আর্মি। রাখাইনের সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিনবিয়ায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর শেষ দুটি ব্যাটালিয়নের ঘাঁটি মঙ্গলবার দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি।
আরাকান আর্মি জানিয়েছে, প্রায় এক মাস অবিরাম আক্রমণ চালানোর পর তারা মঙ্গলবার মিনবিয়া শহরের বাইরে জান্তা সরকারের পদাতিক বাহিনীর দুই ব্যাটালিয়নের (লাইট ইনফ্যানট্রি ব্যাটালিয়ন ৩৭৯ ও লাইট ইনফ্যানট্রি ব্যাটালিয়ন ৫৪১) সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
এ সময় মিয়ানমার বাহিনীর কয়েক ডজন সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা আরাকান আর্মির যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি মিনবিয়া শহরের একই এলাকায় পদাতিক বাহিনীর আরেকটি ব্যাটালিয়নের (লাইট ইনফ্যানট্রি ব্যাটালিয়ন ৩৮০) সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল আরাকান আর্মি। জান্তা সরকার ওই এলাকায় বিমান ও গানবোট মোতায়েন করলেও বিদ্রোহীদের রুখতে পারেনি।
মিয়ানমার সরকার জানুয়ারিতে মিনবিয়ায় বড় আকারে সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়ায়। বার্জে করে সেনা সদস্যদের সেখানে পাঠানো হয়। কিন্তু আরাকান আর্মির অতর্কিত হামলায় তারা পরাস্ত হয়েছে। জানুয়ারির শেষ দিকে জান্তা ওই এলাকায় উড়োজাহাজ থেকে প্যারাস্যুটের মাধ্যমে গোলাবারুদ ও খাবার পাঠায়। সেগুলোও দখলে নিয়েছিলেন আরাকান আর্মির যোদ্ধারা।
মিনবিয়ায় ঘাঁটিগুলো রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে জান্তা বাহিনী স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথ থেকে মিনবিয়া শহর ও আশপাশের গ্রামগুলোয় ব্যাপকভাবে বোমাবর্ষণ করে। গতকাল রাখাইনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে যে মিনবিয়া শহর এখন সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে মুক্তাঞ্চল হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো