a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১১ হাজার ৮৩৩ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৬৮২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২ জন।
আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২১৭৮ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৪ হাজার ৩৪১ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
ফাইল ছবি
আগামী মাস থেকে আবারও করোনার টিকা রপ্তানির ঘোষণা দিল ভারত। একইসঙ্গে উদ্বৃত্ত টিকা উপহার হিসেবেও দেওয়া হবে। আগামী অক্টোবর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানালেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের একদিন আগে এলো এই ঘোষণা।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে মহামারির ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়ায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি দেখেছে বিশ্ব। নিজের দেশের মানুষকে শতভাগ ভ্যাকসিনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিতে গেল বছরের এপ্রিলে বিভিন্ন দেশে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় দিল্লি। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। তবে সোমবার ভ্যাকসিন নিয়ে ফের সুখবর দিলো দেশটি। অক্টোবর থেকে আবারও করোনার টিকা রফতানি করবে ভারত।
একইসঙ্গে উদ্বৃত্ত টিকা উপহার হিসেবেও দান করা হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া এই ঘোষণা দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত এপ্রিল থেকে ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদন হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। আগামী মাসে উৎপাদন চারগুণ বেশি হতে যাচ্ছে। এতে মাসিক উৎপাদন হবে ৩০০ মিলিয়নের ডোজেরও বেশি। মন্ত্রী জানালেন, টিকা রফতানিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
ভারত এখন পর্যন্ত ৬৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ককে এক ডোজ ও ২২ শতাংশকে দুইডোজের টিকা দিয়েছে। গত মাস থেকে ভারতের টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন গতি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। গত মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, দ্রুতই করোনার টিকার রপ্তানি শুরু করবে ভারত। রপ্তানি স্থগিত করার আগে শতাধিক দেশকে ছয় কোটি ৬০ লাখ ডোজ করোনার টিকা দান করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা করতে আসা ১০টি ইসরাইলি গোয়েন্দা ও জঙ্গি ড্রোনের মধ্যে দুটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে ফিলিস্তিনির যোদ্ধারা। শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদপত্র কুদস প্রেস।
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে কুদস প্রেস বলেছে, ‘ইসরাইলি ড্রোনগুলো গাজার আকাশে প্রবেশ করে এবং পার্শ্ববর্তী আল-শেজাইয়া, আল-জাইতুন ও আল-সেবা অঞ্চল দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।
পরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো ওই ড্রোনগুলোকে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করলে দু’টি ড্রোন ভূপাতিত হয় এবং বাকীগুলো পালিয়ে যায়।
এ সময় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনের নেতারা জনগণকে সতর্ক থাকতে বলেন। তারা আশঙ্কা করছেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর নেতাদের হত্যা করার জন্য ইসরায়েল ড্রোনগুলো উড়িয়েছিল।
ফিলিস্তিনিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, ড্রোনের হামলা থেকে বাঁচতে তারা যেন বাড়ির জানালা বন্ধ করে রাখেন। ইসরাইলের সেসব ড্রোনগুলো আধা ঘণ্টা গাজার আকাশে ওড়ার পর ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধে তা চলে যায়। সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর