a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৬ হাজার ৯৭২ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১,৯৫৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৬৬ জন।
আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৪,১১২ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৩৩ জন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৫ হাজার ৩৮৮টি। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
সংগৃহীত ছবি
মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ। দেশে করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) জানিয়েছে যে, ঢাকায় ৭১ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৫৫ শতাংশ মানুষের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।
এক সংবাদ বুলেটিনে আজ মঙ্গলবার (২২ জুন) এ তথ্য জানায় তারা। আইসিডিডিআরবি জানিয়েছে, ৩ হাজার ২২০ জনের মধ্যে পাঁচ মাসের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
এদিকে, গতকাল সোমবার (২১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় যে, বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৭৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৬২৬ জনে।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৬৩৬ জন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩০৪ জন।
ফাইল ছবি
ইরানের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহীম মুসাভি বলেছেন, পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোন যুদ্ধে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে।
ইরানের জাতীয় সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে রবিবার এক সামরিক কুচকাওয়াজের অবকাশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কুচকাওয়াজে ইরানের সর্বশেষ সামরিক অর্জন বিশেষ করে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রদর্শন করা হয়।
জেনারেল মুসাভি বলেন, আজকের কুচকাওয়াজে আপনারা যা দেখলেন তা ইরানের সামরিক শক্তির সামান্য নমুনা মাত্র। করোনা মহামারি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আজ আপনারা ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন শক্তি দেখেছেন। আমেরিকার কথিত সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই শক্তির উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে।
জেনারেল মুসাভি বলেন, আজ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ড্রোন একটি বড় ধরনের শক্তিমত্তা ও ‘ট্রাম্পকার্ড’ হিসেবে আবির্ভূত এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো যুদ্ধে তা ব্যবহার করা হবে।