a
ফাইল ছবি
গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৫৩ জনের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতর এই তথ্য জানায়।
স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের জেনারেলের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, এই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত প্রায় ৫৫৭ জন রোগী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং ঢাকার বাইরে ১১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানুয়ারি থেকে প্রায় ২ হাজার ৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১ হাজার ৫২৬ জন সুস্থ হয়েছেন।
কারো জ্বর থাকলে করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন ডিজিএইচএসের মুখপাত্র ও লাইন পরিচালক প্রফেসর ড. নাজমুল ইসলাম।
এছাড়াও তিনি চিকিৎসার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ নিতে বলেছেন। প্রয়োজনে ডিজিএইচএসের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে কেউ চিকিৎসা নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন। সূত্র : ইউএনবি
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৯৭৩ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ২৩২২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ১৫ হাজার ২৮২ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২০৬২ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩০২ জন।
ফাইল ছবি
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হেনেছে। কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তাণ্ডব চালাতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এরপর বিকেল ৬টা কিংবা সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশ অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।
রবিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সময়ে দেখা গেছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা ঘণ্টায় ১৭ থেকে ১৮ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে। অতি প্রবাল ঘূর্ণিঝড় মোখার মূল কেন্দ্রটি টেকনাফের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাচ্ছে। এতে করে ঝুঁকির যে আশঙ্কা করা হয়েছে তা কমে আসছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করার সময় দুর্বল হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, এ সময়ে দ্রুত বেগে জলোচ্ছ্বাস প্রবাহিত হবে। তখন ঘণ্টায় ১২০-১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। যা বর্তমানে (সাড়ে দশটায়) প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা যদি ৮ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত হয়, তাহলে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা থাকবে। তবে পর্যায়ক্রমে তা কেটে যাবে।
এর আগে, সকালে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড় মোখা।সূত্র: বিডি প্রতিদিন