a
ফাইল ছবি
গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৫৩ জনের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতর এই তথ্য জানায়।
স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের জেনারেলের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, এই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত প্রায় ৫৫৭ জন রোগী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং ঢাকার বাইরে ১১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানুয়ারি থেকে প্রায় ২ হাজার ৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১ হাজার ৫২৬ জন সুস্থ হয়েছেন।
কারো জ্বর থাকলে করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন ডিজিএইচএসের মুখপাত্র ও লাইন পরিচালক প্রফেসর ড. নাজমুল ইসলাম।
এছাড়াও তিনি চিকিৎসার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ নিতে বলেছেন। প্রয়োজনে ডিজিএইচএসের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে কেউ চিকিৎসা নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন। সূত্র : ইউএনবি
ফাইল ছবি
আগামী মাস থেকে আবারও করোনার টিকা রপ্তানির ঘোষণা দিল ভারত। একইসঙ্গে উদ্বৃত্ত টিকা উপহার হিসেবেও দেওয়া হবে। আগামী অক্টোবর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানালেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের একদিন আগে এলো এই ঘোষণা।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে মহামারির ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়ায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি দেখেছে বিশ্ব। নিজের দেশের মানুষকে শতভাগ ভ্যাকসিনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিতে গেল বছরের এপ্রিলে বিভিন্ন দেশে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় দিল্লি। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। তবে সোমবার ভ্যাকসিন নিয়ে ফের সুখবর দিলো দেশটি। অক্টোবর থেকে আবারও করোনার টিকা রফতানি করবে ভারত।
একইসঙ্গে উদ্বৃত্ত টিকা উপহার হিসেবেও দান করা হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মান্দাভিয়া এই ঘোষণা দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত এপ্রিল থেকে ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদন হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। আগামী মাসে উৎপাদন চারগুণ বেশি হতে যাচ্ছে। এতে মাসিক উৎপাদন হবে ৩০০ মিলিয়নের ডোজেরও বেশি। মন্ত্রী জানালেন, টিকা রফতানিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
ভারত এখন পর্যন্ত ৬৪ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ককে এক ডোজ ও ২২ শতাংশকে দুইডোজের টিকা দিয়েছে। গত মাস থেকে ভারতের টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন গতি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। গত মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, দ্রুতই করোনার টিকার রপ্তানি শুরু করবে ভারত। রপ্তানি স্থগিত করার আগে শতাধিক দেশকে ছয় কোটি ৬০ লাখ ডোজ করোনার টিকা দান করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।
ফাইল ছবি: সাবেক ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট
গাজায় নিরঙ্কুশ বিজয় বা হামাসের বিনাশ কোনোটাই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট। শনিবার (২৬ মে) গাজার চলমান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানোর সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আনাদোলু এজোন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলের পাবলিক ব্রডকাস্টার কেএএন-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ওলমার্ট বলেন, রাফায় সামরিক অভিযান দ্রুত বন্ধ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বন্দীদের ফিরিয়ে আনার জন্য চলমান গাজা যুদ্ধ বন্ধ করা ছাড়া কোন পথ নেই।
ওলমার্ট বলেন, ‘গাজার চলমান যুদ্ধে ইসরাইলের কোনো লাভ নেই। এতে লাভ কেবল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের কিছু চরমপন্থী সদস্যদের।’
গত ৭ অক্টোবর হামাসের আন্তঃসীমান্ত আগ্রাসনের পর ইসরাইল গাজায় নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে নিরহ ফিলিস্তিনিদের হ/ত্যা করে চলেছে। হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ ইসরাইলি নিহত হয়। এছাড়া ২৫০ জনকে বন্দী করেছে তারা।
এ পর্যন্ত গাজায় ৩৫ হাজার ৮০০-এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হ/ত্যা করেছে ইসরায়েল। তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এ যুদ্ধে গাজার বেশিরভাগ অবকাঠামো ধ্বংসের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে ইসরায়েল।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা করছে বলে অভিযোগ এনে দক্ষিণ আফ্রিকা গত বছর আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে একটি মামলা করেছিল।
হেগভিত্তিক ট্রাইব্যুনাল তেল আবিবকে নির্দেশ দিয়েছে যেন তার বাহিনী আর গাজায় গণহত্যা না চালায়। একইসাথে নির্দেশ দেয়া হয়, যেন দক্ষিণ গাজার রাফা শহরে সামরিক অভিযান বন্ধ করে এবং অবরুদ্ধ উপত্যকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদানের দ্রুত নিশ্চয়তা দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর