a ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা পৌঁছেছে
ঢাকা শুক্রবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা পৌঁছেছে


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৩৩
ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা পৌঁছেছে

ফাইল ছবি

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের আরও ২৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টায় মালদ্বীপিয়ান এয়ারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছেছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিশ্বের প্রথম করোনা টিকার স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৪ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৩৫
বিশ্বের প্রথম করোনা টিকার স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার

ফাইল ছবি

বিশ্বে সর্বপ্রথম করোনার টিকা হিসেবে স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা। স্থায়ী অনুমোদনের পূর্বে এটি শুধু জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন-ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এ তথ্য জানিয়েছে। করোনার ডেল্টা ধরন রুখতে কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়ায় ফাইজারের টিকাকে স্থায়ী ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

এফডিএর কমিশনার জেনেট উডকক বলেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে একটি বিশেষ মাইলফলক। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা টিকা নেওয়ার জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী হবেন। তার দাবি, মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্নেষণ করেই ফাইজারকে পূর্ণাঙ্গ ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ, ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের সবার জন্য ফাইজার ভ্যাকসিনের পূর্ণ অনুমোদনের কথা ঘোষণা করল। এ কমিশনার জেনেট উডকক সোমবার বিবৃতিতে আরও জানান, জনগণ এখন আশ্বস্ত হতে পারেন এফডিএ একটি দ্রব্য অনুমোদনের জন্য যে নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও গুণগত মান আশা করে, এ ভ্যাকসিন তা সফলভাবে অর্জন করেছে।

গত ডিসেম্বর মাসে, ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। স্থায়ী অনুমোদনের পর ফাইজার সংস্থার সিইও আলবার্ট বুরলা আশা ব্যক্ত করেন যে, এ সিদ্ধান্ত আমাদের ভ্যাকসিনের ওপর আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে, কারণ জীবন বাঁচাতে এই ভ্যাকসিনই সর্বোত্তম পন্থা বলে বিবেচিত।

বিবিসির তথ্যমতে গত ডিসেম্বরে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ফাইজারের টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। তার আগে ব্রিটেন, বাহরাইন, কানাডা, সৌদি আরব ও মেক্সিকো সরকারের জরুরি অনুমোদন পেয়েছিল ।

স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য মতে ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পর দেহে তৈরি হওয়া সামগ্রিক অ্যান্টিবডি মাত্রা ছয় সপ্তাহের মধ্যে কমতে শুরু করবে। আর ১০ সপ্তাহের মধ্যে তা ৫০ শতাংশ কমে যেতে পারে।

গবেষণাটি করেছেন ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউএলসি) বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন, যদি অ্যান্টিবডির মাত্রা এভাবে কমতে থাকে, তবে টিকার সুরক্ষা প্রভাবও কমে যাও শুরু করবে। বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা বেশি দেখা দেবে। খবর এনডিটিভির।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

চাকুরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকুরিতে পুনর্বহাল ও পুলিশ বাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে আনা হোক


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ১০:৫১
চাকুরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকুরিতে পুনর্বহাল ও পুলিশ বাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে আনা হোক

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের পতন ঘটেছে। এই দীর্ঘ সময়ে স্বৈরশাসক দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। অন্যায়ভাবে প্রায় ২২০০ পুলিশ সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করা। যার ফলশ্রুতিতে ভিকটিম পুলিশ সদস্যরা এবং তার পরিবাররা আজ জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন।

এত বৃহৎ সংখ্যক পুলিশ সদস্য কিভাবে চাকুরিচ্যুত হলেন সেই বিষয়ে অনুষ্ঠানের মুখপাত্র তৌহিদ মন্ডল বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে অন্যায়ভাবে প্রায় ২২০০ পুলিশ সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের মনে চাকুরি হারানোর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এরই ফলস্বরূপ জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবে পুলিশ বাহিনীর কিছু সিনিয়র দানবদের অবৈধ আদেশ পালন করে চাকুরি বাচাতে অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও গণহত্যার মতো অপরাধ করতে বাধ্য হয়।

স্বৈরাচারী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীর বেশিরভাগ সিনিয়র কর্মকর্তা পুলিশ বাহিনীকে ভয়ঙ্কর দানবে পরিণত করতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে চাকুরিচ্যুত করেছে।

বিভাগীয় মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে ন্যায় সঙ্গত কোনপ্রকার প্রসিডিউর অনুসরণ করেনি। তদন্তকারী কর্মকর্তা, তদন্ত, মিথ্যা স্বাক্ষ্য গ্রহন সহ সকল কিছুতেই তাদের পক্ষের একতরফা নীতি অনুসরন করেছে। তারা এমনভাবে মামলা সৃজন করেছে যেন, আদালত থেকেও কোনভাবে বিবাদী নিজেকে নির্দোষ প্রমান করতে না পারে।

বিজ্ঞ আদালত হতে ০১ রায়, ০২ রায়, ০৩ রায় পাওয়ার পরেও আমাদেরকে চাকুরিতে পূণর্বহাল করেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না থাকা স্বত্ত্বেও রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ও অন্যান্য অনুমোদনহীন হাসপাতাল থেকে ডোপ টেষ্টের মাধ্যমে নিরীহ পুলিশ সদস্যদেরকে চাকুরিচ্যুত করেছে। বেশিরভাগ চাকুরিচ্যুত পুলিশ সদস্য ঐদিনই ঢাকা মেডিকেল ও পিজি হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিলেও তা গ্রহ করেনি।

ডোপ টেষ্টে যারা মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়েছে বা যারা স্বৈরাচারী সরকারের লোক ছিলেন তাদেরকে চাকুরিতে বহাল রেখেছেন। আর যারা টাকা দিতে পারেনি তাদেরকে চাকুরিচ্যুত করেছেন।

যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে কমেন্ট করেছেন তাদেরকে অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুত করেছেন। বিগত স্বৈরাচারী দোসরদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে কিছু পুলিশ সদস্য কে চাকুরিচ্যুত করতে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মাদক ও অস্ত্র দিয়ে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দিয়েছেন।
পুলিশ বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের পরিচিত লোকের মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে অসংখ্য পুলিশ সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করেছেন।

২০০৭ সালে সাবেক আইজিপি জনাব নূর মোহাম্মদ স্যার বিভাগীয় মামলার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারী করেন কিন্তু স্বৈরাচারী সরকারের দোসরার আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ছোট-খাটো অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি চাকুরিচ্যুত করেছেন।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার অব. এম সাখাওয়াত হোসেন স্যার মানবিক বিবেচনায় সকল পুলিশ সদস্যকে পূনর্বহালের আদেশ প্রদান করার পরেও স্বৈরাচারী সরকারের নিয়োজিত দোসররা তা বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করছেন।

অনেক পুলিশ সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করার পর যদি বিজ্ঞ আদালতে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে চায়। তা হলে গুম খুনের হুমকি দিয়েছেন। এসবের ভয়ে অনেক পুলিশ সদস্য আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেনি। অনেক পুলিশ সদস্যকে জোর পূর্বক অথবা স্বাক্ষর জাল করে চাকরি হতে স্বেচ্ছায় অবসর বা বাধ্যতামূলক গ্রহন করতে বাধ্য করেছে।

পুলিশ প্রধান পি আর বি ৮৮৪ প্রবিধান মতে সকল চাকুরিচ্যুত পুলিশ সদস্যকে পুনর্বহালের ব্যবস্থা গ্রহন করার ক্ষমতা থাকিলেও বিগত স্বৈরাচারী দোসরদের বাধার কারনে তাহা প্রয়োগ হচ্ছে না।

আজকে যখন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরশাসক পালিয়ে গেছে তখন পুলিশ বাহিনীও কিন্তু তার দোসর আমাদেরকে চাকুরিতে পুনর্বহাল করার কথা নিয়েও তালবাহানা করছে। আমরা বর্তমান সরকারের বিনীত আবেদন জানাচ্ছি | আমাদেরকে সকল সুযোগ-সুবিধা সহ চাকুরিতে পুনর্বহাল করা হোক এবং বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী থেকে স্বৈরাচারী দোসরদের অপসারণ করা হোক।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে আনুন এবং আমাদেরকে পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশের সেবা করার সুযোগ দিন - এই হল ভিকটিম পুলিশ সদস্যদের আকল আবেদন।

তারা আরো বলেন, সরকার যদি ১৫২২ জনকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে থাকে তাহলে এর আদেশ লিখিত এবং প্রজ্ঞাপন আকারে আমরা চাই। ভিকটিম পুলিশ সদস্যরা এবং তার পরিবারের সদস্যরা গত দুদিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য