a
সংগৃহীত ছবি
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মডার্না ও সিনোফার্মের টিকাদান বিষয়ক নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। নির্দেশনায় ৩৫ বছরের বেশি সবাইকে নিবন্ধনের আওতায় আনাসহ কারা এসব টিকা পাবেন সেই তালিকা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যেসব কেন্দ্রে বিতরণ হবে এই দুই টিকা তা হলোঃ
১২টি সিটি করপোরেশন এলাকার নির্দিষ্ট টিকা কেন্দ্রে (ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল) মডার্নার টিকা দেয়া হবে।
আর সকল জেলা ও উপজেলায় সিনােফার্মের টিকা দেওয়া হবে। তবে, রেজিস্ট্রেশন ব্যতীত কেউ টিকা নিতে পারবেন না।
মডার্না-সিনোফার্মের টিকা যারা পাচ্ছেনঃ
১। ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনতে হবে। রেজিস্ট্রেশনকারীদের মধ্যে বেশি বয়সী থেকে ক্রমান্বয়ে কম বয়সীদের পর্যায়ক্রমে প্রাধিকার অনুযায়ী এসএমএসের মাধ্যমে টিকাদান করা হবে।
২। বীর মুক্তিযােদ্ধা ও বীরাঙ্গনা
৩। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি
৪। রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য কার্যালয় তথা মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, বিচারিক ও প্রশাসনিক কার্যালয় সমূহের কর্মকর্তারা।
৫। প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাহিনীসহ কোস্টগার্ড ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যরা।
৬। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), ট্রাফিক পুলিশ ও আনসার-ভিডিপি।
৭। করোনা মহামারি মােকাবিলায় সরাসরি সম্পৃক্ত সরকারী হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন- চিকিৎসক, সেবিকা ও মিডওয়াইফ, এসএসিএমও, অল্টারনেট মেডিকেল কেয়ার, হােমিওপ্যাথি, ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনােলােজিস্ট, ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট, ওয়ার্ড মাস্টার, ওয়ার্ড বয়, আয়া, ধােপা, টিকেট ক্লার্ক, কুক মশালটি, পরিচ্ছন্নতা বিষয়ককর্মী, ফিজিওথেরাপিস্ট, অ্যাম্বুলেন্স চালক এবং অন্যান্য সরাসরি সেবাদানের সঙ্গে সম্পৃক্তরা।
৮। আইনজীবী (বার কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত)।
৯। গণমাধ্যমকর্মী।
১০। জনসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কর্মী।
১১। ধর্মীয় প্রতিনিধিরা।
১২। মৃতদেহ সৎকারে নিয়ােজিত ব্যক্তি।
১৩। মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলাগুলোতে আবশ্যকীয় জনসেবায় নিয়ােজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী।
১৪। নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বিমান বন্দরগুলোতে কর্মরতরা।
১৫। জরুরি বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কাজের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী।
১৬। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে যারা আগে নিবন্ধন করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত একটি ডোজ টিকাও পাননি তাদেরকে টিকাদান করতে হবে। এক্ষেত্রে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হবে।
১৭। যাদেরকে আগে এসএমএস পাঠানাে হয়েছিল, কিন্তু কোনো কারণবশত টিকা গ্রহণ করতে পারেননি তাদেরকে অগ্রাধিকার দিয়ে ক্রমান্বয়ে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের টিকাদান করতে হবে।
১৮। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিদেশগামী বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মী। তাদেরকে অবশ্যই জনশক্তি উন্নয়ন ব্যুরাে কর্তৃক অনুমােদিত ও রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে।
১৯। সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
২০। সরকারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি, সরকারি মাটস এবং সরকারি আইএইচটির শিক্ষার্থীরা।
২১। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রেরিত তালিকা অনুযায়ী।
২২। বিডার আওতাধীন ও অন্যান্য জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক সরকারি প্রকল্প কর্মকাণ্ডে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যেমন- পদ্মাসেতু প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল প্রকল্প, এক্সপ্রেস হাইওয়ে প্রকল্প, রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প, রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প ইত্যাদি।
২৩। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। যারা আগে টিকা গ্রহণ করেননি।
২৪। ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকরা (এফডিএমএন)।
২৫। কৃষক ও শ্রমিক।
২৬। সৌদি আরব ও কুয়েতগামী প্রবাসী শ্রমিকদের ফাইজারের টিকাদানের জনা নির্ধারিত সাতটি কেন্দ্র সংরক্ষিত থাকবে। এসব কেন্দ্র থেকে অন্যান্যদের টিকা দেওয়া হবে না। কেন্দ্রগুলো হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল গাস্ট্রো-লিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শহীদ সােহারাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
২৭। সৌদি আরব ও কুয়েত ব্যতীত অন্যান্য দেশের প্রবাসী শ্রমিকেরা উল্লিখিত ৭টি নির্দিষ্ট কেন্দ্র ব্যতীত অন্য কেন্দ্রে নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারবেন।
২৮। বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভুক্ত হয়ে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে টিকার আওতায় আসবে।
সংগৃহীত ছবি
যে সব পেশাজীবি ব্যক্তিগণ সরাসরি স্বাস্থ্য ও ওষুধ নিয়ে কাজ করেন মূলত তারাই ফার্মাসিস্ট হিসেবে বিবেচিত। ফার্মাসিস্ট পেশার মধ্যে রয়েছে ওষুধ তৈরি, ডিসপেন্সিং রোগীকে ওষুধ সম্পর্কে জ্ঞান, ওষুধবিষয়ক সচেতনতা তৈরি, ওষুধ সংরক্ষণ প্রভূতি কর্মকান্ড। একজন ফার্মাসিস্টের সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্যতম-
১। রোগীকে গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধ প্রদান করা।
২। নিয়মনীতি মেনে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৩। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী রোগীকে সঠিক ওষুধ প্রদান করা।
৪। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের নিয়মাবলী রোগীকে সঠিকভাবে অবহিত করা।
৫। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ডিসপেন্স/বিক্রি না করা।
৬। রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ওষুধ গ্রহণে উৎসাহিত করা।
৭। সব ওষুধ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা, বিশেষভাবে সংরক্ষিতব্য ওষুধের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ।
একজন ফার্মাসিস্ট কমিউনিটি ফার্মেসীর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় সবচেয়ে বড় ধরণের অবদান রাখতে পারে। কমিউনিটি ফার্মেসী হল স্বাস্থ্য সেবার প্রথম ধাপ। এছাড়া ফার্মাসিস্টরা ওষুধ উৎপাদন, ওষুধ বাজারজাতকরণ, ওষুধ গবেষণা প্রভূতি কাজ করতে পারেন।
বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন ও পরিচালনা প্রশিক্ষণে ফার্মেসিস্টদের ট্রেনিং কোর্স ২০২০-২০২১ইং শিক্ষাবর্ষ অনুষ্ঠিত হয়। করোনাকালে বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল অতি সতর্কতার সাথে কোর্সটি সম্পন্ন করার ব্যাপারে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশের সকল জেলার ছাত্র/ছাত্রীরা আগামী ৯ এপ্রিল ফাইনাল পরীক্ষার ব্যাপারে অধীর আগ্রহে অপক্ষো করলেও বর্তমানে করোনার প্রতিকূল অবস্থায় তারা চিন্তিত। তারা আশা করেন, বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিল বিষয়টি গুরত্বপূর্ণ বিবেচনা করে সত্ত্বর সার্বিকভাবে অবহিত করবেন।
বি.দ্র. ২০২০-২১ ছাত্র/ছাত্রীরা গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানতে/জানাতে লিংক-এ ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/Pharmacist-c-Students-Forum-102024211981313
ফাইল ছবি
কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে এক শূন্য গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে কক্সবাজারের রামুতে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মো. কামাল নামে কট্টর ব্রাজিল সমর্থক এক যুবক। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ওই যুবক ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে দলটির পরাজয়ের পর তিনি বিষপান করেন। তার বাড়ি রামুর চাকমারকুল ইউনিয়নের উত্তর চাকমারকুল গ্রামে।
প্রতিবেশী কফিল উদ্দিন জানান, কামাল ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক। আজ রবিবার সকালে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলায় আর্জেন্টিনার কাছে এক গোলে হেরে যায় ব্রাজিল। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং একপর্যায়ে সে বিষপান করেন। বাড়ির লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখান থেকে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা এফাজুল হক বিষপানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কামালকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিকভাবে তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।