a
ফাইল ছবি
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ও নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হয়েছে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি। আর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ওয়েবসাইটে নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।
ভতির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে মেডিকেল ভর্তির আবেদন নেওয়া শুরু হবে। ১০ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি ১ হাজার টাকা। ১১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।’
এতে আরও বলা হয়, ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশি নাগরিক যারা বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রম থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের সার্টিফিকেট সমতাকরণ করতে হবে। এজন্য দুই হাজার টাকা জমা দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) বরাবর আবেদন করতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে অনুষ্ঠিত হবে। আগের বছরের ন্যায় এইচএসসি পাস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ নম্বর কেটে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। যারা ২০২০ বা ২০২১ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ) উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ২০১৮ সালের আগে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারবেন না।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসাবে নির্ধারণ করে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে এসএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ এর জন্য ৭৫ নম্বর এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর জন্য ১২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে হবে। পরীক্ষায় ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির প্রশ্নের মান ১। এমসিকিউ পরীক্ষা হবে ১ ঘণ্টায়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ১০ নম্বরের (মোট ১০০) প্রশ্ন থাকবে।
ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ভর্তির নীতিমালা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
নাপা সিরাপের তিনটি ব্যাচের নমুন পরীক্ষা করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেখানে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নাপা সিরাপ খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ওষুধের ওই তিনটি ব্যাচের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ এই তথ্য জানান।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, শিশু দুটির মৃত্যুর কারণ জানা যাবে ভিসেরা প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর। আশুগঞ্জের যে দোকান থেকে কেনা ওষুধ সেবনের পর দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, সেই দোকান থেকে আটটি বোতল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের আরও দুটি ব্যাচের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই তিন ব্যাচের নাপা সিরাপে ক্ষতিকর কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি।
তবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, যে বোতলের সিরাপ শিশু দুটিকে খাওয়ানো হয়েছিল, সেটা পরীক্ষা করতে পারেনি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
উল্লেখ্য, গত শনিবার আশুগঞ্জে নাপা সিরাপ খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশে ওই সিরাপের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সূত্র: সমকাল
ফাইল ছবি
আজ রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৭ ঘণ্টা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন খোলা থাকবে দোকানপাট ও শপিংমল। শুক্রবার দুপুরে উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার অথবা সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
সর্বাত্মক বিধি-নিষেধের মাঝেই দোকানপাট ও শপিংমল খোলার এই অনুমতি দিলো সরকার। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশে দ্বিতীয় দফায় বৃহস্পতিবার থেকে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। যা চলমান থাকবে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত।
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম কমাতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা বিধিনিষেধ প্রদান করে। পরবর্তীতে এ নিষেধাজ্ঞা আরও দু’দিন বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সে নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা ও গণপরিবহন চালু রাখা ছিলো।
এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সব ধরনের অফিস ও পরিবহন বন্ধের পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এক্ষেত্রে উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার অনুমতি প্রদান করা হয়।