a
সংগৃহীত ছবি । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
করোনায় (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীতে হাসপাতাল ভরে গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘হাসপাতালগুলো আর রোগী সংকুলান করতে পারছে না। তবে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘করোনা ও ডেঙ্গু মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সোসাইটি অব মেডিসিন এবং সিডিডি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংক্রমণ কমে আসছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সরকার বয়স্কদের টিকার আওতায় আনতে সব ধরনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। অল্প দিনেই আমাদের চার থেকে পাঁচ হাজার টেকনিশিয়ান নিয়োগ হয়ে যাবে, যেটা খুবই প্রয়োজন। আমরা ফিল্ড হাসপাতাল বানাচ্ছি। এসবের পাশাপাশি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমও চলমান।’
হাসপাতালে শয্যা আর বাড়ানো সম্ভব নয় জানিয়ে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘হাসপাতালে আর শয্যা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই সংক্রমণ কমিয়ে আনা ছাড়া গতি নেই।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের আরও ২৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টায় মালদ্বীপিয়ান এয়ারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছেছে।
ফাইল ফটো: তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান
বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান। শুক্রবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে এরদোগান বলেন, আপনার পিতা বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জন্য সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তাকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে আমার আসা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমি বাংলাদেশে আসতে চাই।
রিসেপ তায়েপ এরদোগান বলেন, আমাদের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে। আমরা একই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের। যা আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে।