a সংক্রমণ আরও বাড়লে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ২৬ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সংক্রমণ আরও বাড়লে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ০৫:৫৭
সংক্রমণ আরও বাড়লে হাসপাতালে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে ঈদুল আজহার ছুটিতে গ্রামে যাওয়া আসার কারণে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বেড়েছে পাঁচ থেকে ছয় গুণ। বর্তমানে শহরের হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর ৭৫ শতাংশই গ্রাম থেকে আসা।

দেশবাসীকে সরকারঘোষিত লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা চাই রোগীর সংখ্যা যেন না বাড়ে, রোগীর সংখ্যা কমাতে হলে সংক্রমণের সংখ্যা কমাতে হবে। সংক্রমণ কমাতে হলে সরকার যে লকডাউন ঘোষণা করেছে, লকডাউন মেনে চলার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে আহ্বান জানিয়েছেন তা মেনে চলতে হবে।

গতকাল রবিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন সেন্টারে করোনা ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সংক্রমণ ১০ জায়গা থেকে বাড়ছে, হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে। এভাবে সংক্রমণ অব্যাহত থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না। 

তিনি বলেন, আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, ঘরে থাকুন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাবেন না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, আজ ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে দেখলাম—রাস্তাঘাটে প্রচুর লোক ঘোরাফেরা করছে, অনেকের মাস্ক পরা নাই, গাড়িতে ও মোটরসাইকেলে ঘুরছে। এতে সংক্রমণ প্রতিরোধে বেশি সময় লেগে যাবে।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা সংক্রমণ অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে, যা আমরা চাই না। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিত্সায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম আগামী সাত দিনের মধ্যে চালু করতে পারব। ভিসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি, আশা করছি আগামী শনিবার (৩১ জুলাই) থেকে আমরা রোগী ভর্তি করতে পারব। 

বিএসএমএমইউর ফিল্ড হাসপাতালটিতে ২০০ আইসিইউ, এইচডিইউসহ ১ হাজার শয্যা থাকছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দেশে প্রতি মাসে ১ কোটি মানুষকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমাদের ৮ কোটি ভ্যাকসিন রাখার সক্ষমতা আছে। আগামী দিনে প্রতি মাসে ১ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনায় কাজ করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। একদিকে করোনা ও নন-করোনা রোগীর চিকিত্সা অন্যদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধিতে চিকিত্সার প্রয়োজন হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীর চিকিত্সার জন্য পৃথক কয়েকটি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল, মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতাল, সরকারি রেলওয়ে হাসপাতাল এবং টঙ্গীর আহসানউল্লাহ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে শুধু ডেঙ্গুর চিকিত্সা হবে বলে তিনি জানান।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনায় (১০জুলাই) মৃত্যু ১৮৫, শনাক্ত ৮৭৭২ এবং সুস্থ ৫৭৫৫


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ০৬:৩৭
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

করোনাভাইরাস

 
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৮৫ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ হাজার ১৮৯ জন।
 
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৮৭৭২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১০ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন।
 
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৫৭৫৫ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৯ জন।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

টিকার ভয়ে গাছে উঠে বসে থাকলেন সারাদিন!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ১১:২০
টিকার ভয়ে গাছে উঠে বসে থাকলেন সারাদিন!

ফাইল ছবি

টিকাভীতি কাটাতে সারা ভারত জুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবুও টিকা নিয়ে ভয় যে কাটেনি সাধারণ মানুষের মাঝে, তারই  প্রমাণ মিলল মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার পাটানকালান গ্রামে। টিকা দেয়া কার্যক্রম চলছিল গ্রামে। তা দেখে ভয়ে এক ব্যক্তি গাছে উঠে পড়লেন সবার অগোচরে। যতক্ষণ না টিকাকরণ শিবির শেষ হয়, ততক্ষণ গাছেই বসে ছিলেন তিনি। এমনকি তার স্ত্রী যেন টিকা দিতে না পারেন, তাই স্ত্রীর আধার কার্ডও (ইআইডি) তিনি তার সঙ্গে নিয়ে চলে যান। 

‘হিন্দুস্তান টাইমস’ গ্রুপের ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি টিকাকরণের জন্য রাজগড় জেলার পাতানকালান গ্রামে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। গ্রামের অনেকেই টিকা নিতে ক্যাম্পে আসেন। কিন্তু কানওয়ারলাল নামে ঐ ব্যক্তি বেঁকে বসেন। নিজে টিকা নেননি এবং এখনও নেবেন না। অনেক বুঝিয়ে তার স্ত্রীকে টিকা নিতে রাজি করান স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় টিকাকরণ শিবিরে। সেই খবর জানতে পেরেই স্ত্রীর আধার কার্ড নিয়ে  গাছে উঠে গা ঢাকার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি।

করোনা টিকাকরণের সময় যেহেতু আধার কার্ডের মতো পরিচয়পত্র আবশ্যিক, তাই খোঁজাখুঁজির পর কানওয়ারলালকে গাছে দেখে নেমে আসতে বলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু নিজের জেদে অনড় থাকেন। অবশেষে স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পর নেমে পড়েন গাছ থেকে।

পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় ব্লকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। কথা বলেন কানওয়ারলালের সঙ্গে। জানা যায়, প্রবল জ্বর, গায়ে ব্যথা ও সর্দির ভয়ে নিজে টিকা নিতে চাননি ওই ব্যক্তি। সে স্ত্রীকেও টিকা নিতে দেননি। যদিও করোনা টিকাকরণের পর জ্বর, গায়ে ব্যথা একেবারে স্বাভাবিক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া। তা দিনকয়েকের মধ্যে সেরেও যায়। 

অবশেষে টিকাকরণ নিয়ে কানওয়ারলালের বিভ্রান্তি দূর করেন সেখানকার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং টিকা নিতেও রাজি করান। কানওয়ারলাল শেষটা সম্মতি দেন, গ্রামেরই অন্য একটি শিবিরে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে নিজেও টিকা নেবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য