a
ফাইল ছবি: ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা ধরা পড়লে গত মাসে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সেব্রিনা ফ্লোরাকে। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ১০-১২ দিন আগে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
সূত্র জানিয়েছে, গত ২ দিন ধরে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। এর আগে তার এমআরসিপি করা হয়েছিল, তারপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।
এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়। রোববার বাদ জোহর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।
ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা রোগতত্ত্ববিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালনের আগে তিনি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ছিলেন।
তিন বছর আগে কোভিড মহামারির প্রথম দিকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসে সর্বশেষ তথ্য ও নানা পরামর্শ দিয়ে তিনি সারা বাংলাদেশে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
এমবিবিএস ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেছে ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন। পাশের হার ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
ভর্তি পরীক্ষার ফল জানা যাবে এই লিংকে https://result.dghs.gov.bd/mbbs/
এবার মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন মিশোরী মুনমুন। তার রোল নম্বর ২৫০০২৩৮। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭ দশমিক ২৫ (ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৭ দশমিক ২৫)।
পাসকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্বাচিত করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৫০ জন। এরমধ্যে ছাত্রী ২ হাজার ৩৪১ জন (৫৪ শতাংশ) এবং ছাত্র ২ হাজার ৯ জন (৪৬ শতাংশ)।
এসবের মধ্যে চলমান শিক্ষাবর্ষ থেকে নির্বাচিত ৩ হাজর ৯৩৭ জন এবং পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে নির্বাচিত করা হয়েছে ৪১৩ জন।
গত শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন। করোনার কারণে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবার কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ১৯টি এবং ভেন্যু সংখ্যা ৫৫টি করা হয়েছিল।
ফাইল ছবি
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) শুরু হয়েছে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচন সিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচন মনিটরিং করছে ইসি।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে একযোগে স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে বড় এই নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। দেশের ৫৭টি জেলা পরিষদে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।
সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা এই নির্বাচনের ভোটার। মূলত তারাই ভোট দিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচিত করবেন।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন, সদস্য পদে ১ হাজার ৪৮৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬০৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার রয়েছেন ৬০ হাজার ৮৬৬ জন।
এর আগে, শনিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২৭ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৬৯ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সূত্র: ইত্তেফাক