a
File Photo: Corona-virus
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৩৭৬ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১৩৫৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৮০ জন।
আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৮৯৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৯৭ জন।
উল্লেখ্য, ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ২০৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৫৪ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ৮.৮০ শতাংশ।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আরাফাত আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন, ঢাকা: গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ইং, জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভা মালিবাগ চৌধুরী পাড়া পার্টি অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।
ঐক্য সমন্বয় পরিষদের মিডিয়া উইং চীফ ও ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ধর্ম ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী, বিএলডিপি'র চেয়ারম্যান এম. নাজিমউদ্দীন আল আজাদ।
মাননীয় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আজ পুরো জাতি অস্থিরতার মাঝে দিনাতিপাত করছে। দেশের আইন-শৃংখলা অবনতি, দ্রব্য মূ্ল্যের উর্ধ্বগতি এবং রমজান মাসে মানুষের দূর্ভোগ লাগবে সরকার কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করতে পারলে সামনে দেশের পরিস্থিতি আরো সংকটময় হবে। আমরা সকল দল মিলে প্রফেসর ড. ইউনুসকে ক্ষমতায় বসিয়েছি কিন্তু এই অর্ন্তবর্তী সরকার জনগণের আশা-আকাংখার প্রতিফলন আশানুরূপ ঘটাতে সক্ষম হননি। আমরা এই সরকারকে প্রয়োজনে আরো সময় দিতে চাই, যাতে তারা দ্রুত সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করে দেশে আবারও গণতান্ত্রিকধারা নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান মীর্জা আজম তার মূল্যবান বক্তব্যে সদ্য ঘোষিত জাতীয় নাগরিক পার্টি সম্পর্কে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা অনেক ভালো কথা বললেও রাষ্ট্র সম্পর্কে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) তেমন কোনো রাজনৈতিক দর্শন লক্ষ্য করা যায়নি। তাদের রাজনৈতিক দল গঠনও অনেকটা একপেশে। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ও স্বৈরাচার হটাতে সর্বশ্রেণি মানুষের অংশগ্রহণ করা মানুষদের রাজনৈতিক মাঠে নেমে তারা সব ভুলে গেছেন। সুতরাং তারা অনেক বড় বড় কথা বলে সারাদেশে ঢাকঢোল পিটিয়ে জনসমাগোম করলেও সঠিক রাজনৈতিক দর্শন না থাকায় দেশের মানুষের আশা-আকাংখা পূরণে কতটুকু পূরণ করতে পারবে তা ভবিষ্যতে কথা বলবে। আমি তাদের শুরুটা খুব একটা ভালো কিছু দেখতে পারছিনা। এক্ষেত্রে আমাদের মতো ছোট বড় দলগুলো একজোট হয়ে ভবিষ্যতে এদেশের সর্বশ্রেণি মানুষের সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে এবং সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
জাতীয় মুক্তিদলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহা. খোরশেদ আলম তার বক্তব্যে বলেন, এদেশে পতিত স্বৈচারচার সরকারগুলো বার বার রাষ্ট্রের কাঠামোগুলো ধ্বংস করে ফেলেছে এবং অর্থনৈতিক কাঠামোও প্রায় ভঙ্গুর পর্যায়ে। সেখান থেকে উত্তোরণে গনতন্ত্রকামী সবাইকে দলমত উর্ধ্বে উঠে নতুন করে প্রিয় বাংলাদেশকে মেরামত করতে হবে। জাতীয় মুক্তিদলের মহাসচিব জনাব মুহাম্মদ আবদুল আহাদ নূর ‘জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ’ আগামী দিনগুলোতে জরুরীভিত্তিতে যেসব কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যাবশ্যকীয় তা লিখিতভাবে উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক সরকার, এডভোকেট ছারোয়ার মিয়া, এস,এম আমানুল্লাহ প্রমুখ।