a ফ্রি ফায়ার পাবজি টিকটক লাইকি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ফ্রি ফায়ার পাবজি টিকটক লাইকি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৭ আগষ্ট, ২০২১, ১২:৩৯
ফ্রি ফায়ার পাবজি টিকটক লাইকি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি তরুন সমাজ বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এসব গেম বিপজ্জনক হয়ে যাচ্ছে দিন দিন তাই অনলাইন এই গেম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফ্রি ফায়ার পাবজির মতো তরুন সমাজকে বিপদগামী করা টিকটক, ভিগো লাইভ ও লাইকির মতো সব ধরনের অ্যাপস বন্ধের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

গত ২৪ জুন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মানবাধিকার সংগঠন ‘ল অ্যান্ড লাইফ’ ফাউন্ডেশনের পক্ষে গেম এবং অ্যাপগুলোর ক্ষতিকারক দিক তুলে জনস্বার্থে একটি রিটটি করেন সুপ্রিমকোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাউছার। গত ১ জুলাই এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে আদেশের জন্য কঠোর লকডাউনের পর পরবর্তী শুনানি হয় গত সোমবার সেখানে এই আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর আগে ফ্রি ফায়ার ও পাবজির আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এটি বন্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে সুপারিশ করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারও আগে পাবজি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও পরে আবার চালু করা হয়েছিল।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ওই সময় জানিয়েছিল, ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে।  কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ করতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই ধীরে সুস্থে বিকল্প পদ্ধতিতে গেম দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্ধ করলেও তরুণরা ভিপিএন দিয়ে গেমটি খেলবে এমন প্রশ্নে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিলেন, যারা এ ধরনের গেমে আসক্ত তারা ভিপিএনসহ নানা বিকল্প উপায়ে গেমটি খেলতে পারে। আমরা সেসবও বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করব। সম্প্রতি নেপালে পাবজি নিষিদ্ধ করে দেশটির আদালত। একই কারণে ভারতের গুজরাটেও এ গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি গেমটি খেলার জন্য কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ার গেম ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ব্লু হোয়েলের অনলাইন ভিডিও ২০১৭ সালে চালু হয়। এরপর থেকে এই গেমটি দ্রুত বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০১৮ সালে অ্যাঙ্গরি বার্ড, টেম্পল রান, ক্যান্ডি ক্রাশের মতো গেমগুলোকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেমের তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নেয় পাবজি। অন্যদিকে চায়না প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে তৈরি করা যুদ্ধ গেম ফ্রি ফায়ার একইভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে করোনা মহামারির ফলে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা এসব গেমে আসক্ত হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় ৩ বাংলাদেশী নারী


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৭
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় ৩ বাংলাদেশী নারী

ফাইল ছবি

এশিয়ার শীর্ষ ১০০ জন বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’।  সেই তালিকায় নাম এসেছে তিন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর। তারা হলেন যথাক্রমে  সালমা সুলতানা, ফেরদৌসী কাদরী ও সায়মা সাবরিনা। এক সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞান ও গবেষণায় পূর্বেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন এই তিন নারী বিজ্ঞানী। 

গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) ‘দ্য এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ শিরোনামে ষষ্ঠবারের মত এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে কোভিড–১৯ এর মতো এ বছরের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখা গবেষক ও উদ্ভাবকরা এ বছর এ তালিকায় মনোনিত হয়েছেন। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞানীদের পরিচয় ও ছবি এবং তাদের গবেষণার বিষয় সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা  হয়েছে। 

সেই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, জাপান, হংকং, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীদের নাম এসেছে।  তালিকায় যায়গা করে নেয়া বিজ্ঞানীরা বর্তমান সংকটময় সময়ে মলিকুলার ইমেজিং থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

তিন বিজ্ঞানীর পরিচয় জেনে নেয়া যাক:
ড.ফেরদৌসী কাদরী,তিনি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের মধ্যে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে তার প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে প্রশংসনীয়। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে কলেরা মহামারি থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের টিকা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এমন কয়েকজন মানুষের মধ্যে তিনি অন্যতম। 

বিজ্ঞানী সায়মা সাবরিনা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক। ন্যানোম্যাটেরিয়্যালের ব্যবহার নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২০ সালে তিনি ওডব্লিউএসডি-এলসেভিয়ের ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ফর আর্লি ক্যারিয়ার ওমেন সায়েন্টিস্ট ইন দ্য ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড পেয়েছিলেন।

আরেক বিজ্ঞানী সালমা সুলতানা হলেন মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এমএএলএফ) চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে পশুচিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষাবিস্তারে তার ভূমিকা রয়েছে। তিনি পশুর রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিসহ একটি ভেটেরিনারি হাসপাতালও গড়ে তুলেছেন। যা গবাদিপশুর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহজ করতে সক্ষম হয়েছে।এদিকে তাদের এমন অভূতপূর্ব সাফল্যে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে গোটা দেশ এই অর্জন যেমন তাদের তেমনি বাংলাদেশের।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এর দায় সরকারের ওপরেও পড়বে: সিইসি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:০৯
নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এর দায় সরকারের ওপরেও পড়বে: সিইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচনে আসছে না। ফলে সেই ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সম্প্রতি ভয়েস অব আমেরিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমনই মন্তব্য করেন। সিইসি বলেন, নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা অসাংবিধানিক ও আইনের পরিপন্থী। সংবিধানে সভা-সমাবেশ করার যে অধিকারের কথা বলে হয়েছে তা শর্তসাপেক্ষে।

এবারের নির্বাচন একটু ভিন্ন ধরনের। কারণ ২০১৪ সাল বাদে নির্বাচনের আগে সংঘাত ও সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি হয়নি। কারণ নির্বাচনগুলো ছিল সর্বজনীন। তিনি বলেন, যারা সভা-সমাবেশ করছে নির্বাচনের পক্ষে তাদেরও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের পক্ষে ও বিপক্ষে তারা মুখোমুখি হলে সংঘাতের ঝুঁকি থাকে। আমরা চাই, এ ধরনের যে কোনো ঘটনা যাতে না ঘটুক। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলে কোনো সমস্যা নেই।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থেকেই নির্বাচন করতে হবে কমিশনকে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সচেতন হতে হবে, ভোটকেন্দ্রে কোন কারচুপি হচ্ছে কিনা? যে কোনো উপায়ে জেতার মানসিকতা থেকে প্রার্থীদের বেরিয়ে আসতে হবে জানান সিইসি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন মাথা ঘামাচ্ছে না। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে। ভোট করতে প্রয়োজন ১২ লাখ জনবল, কিন্তু কমিশনের আছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ লোকবল। ফলে বিভিন্ন দপ্তর থেকে জনবল নিতে হয় কমিশনকে। সিইসি মন্তব্য করেন, এককভাবে কমিশনের পক্ষে নির্বাচন সফল করা সম্ভব হবে না, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই নির্বাচন সফল হবে।

৭ জানুয়ারির নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য না হলে পদত্যাগ করবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এককভাবে কমিশনকে দায়বদ্ধ করা যাবে না, এর দায় সরকারের ওপরেও বর্তাবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল মনে করেন, এটি একটি রাজনৈতিক বিতর্কিত প্রশ্ন। এই বিতর্ক সমাধান করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই। এ সময় তিনি বলেন, তবে আওয়ামী লীগ, স্বতন্ত্রসহ ২৭টি দল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কোন কোন দল নির্বাচন বয়কট করতে কোনো বাধা নেই বলেও জানান তিনি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - তথ্য ও প্রযুক্তি