a
মমতা ব্যানার্জি । ফাইল ছবি
টানা তৃতীয়বারে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। আজ বুধবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। এর আগে গত সোমবার তাকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় নেত্রী নির্বাচিত করা হয়। সেদিন রাতেই রাজ্যভবনে গিয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন মমতা ব্যানার্জি। সেখানেই নির্ধারিত হয় বুধবার শপথ নেবেন মমতা। গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্রও জমা দেন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগের নিয়ম মেনেই পদত্যাগ করেন তিনি। গভর্নর সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেন।
মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সাক্ষাতের পর গভর্নর জগদীপ ধনখড় এক টুইটার বার্তায় জানান, বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজভবনে শপথ নেবেন মমতা ব্যানার্জি। তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন গর্ভনর জগদীপ ধনখড়। মমতার দলের জয়ী এমএলএরা শপথ নেবেন আগামীকাল।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেয়ার কথা রয়েছে ৯ মে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দ্রুত শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা। এছাড়া সম্পূর্ণ অনাড়ম্বরভাবে শপথ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পূর্বেই।
প্রসঙ্গত, মমতা ব্যানার্জি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১ হাজার ৯৫৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এর পরও মমতাই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। প্রথানুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে কোনো আসন থেকে উপনির্বাচনে তিনি জয়ী হতে হবে।
ভারতে নির্বাচনে নিয়ম অনুযায়ী শপথগ্রহণের ছয় মাস পর্যন্ত বিধানসভা বা লোকসভার সদস্য না হয়েও মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে ঐ ছয় মাসের মধ্যে তাকে রাজ্যের ক্ষেত্রে বিধানসভা এবং ভারতের সরকার গঠনের জন্য লোকসভা বা বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে আসতে হয়।
২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যখন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় গ্রহণ করেছিলেন, তখনো মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের এমএলএ(এমপি) ছিলেন না। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আসেন।
ফাইল ছবি
একই দেশের দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় অন্তত পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের উত্তর-পূর্বের আসাম-মিজোরাম সীমান্তে হঠাৎ করেই এমন ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও অন্তত অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
মিজোরামের সঙ্গে প্রায় ১৬৪ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগাভাগি করেছে আসাম। এই সীমান্ত নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে দুই রাজ্যের মধ্যে উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে। তবে এই প্রথমবারের মতো দুই রাজ্যের পুলিশ সদস্যরা সরাসরি বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লো। গোলাগুলির ঘটনায় নিহত পুলিশ অফিসারদের সবাই আসাম রাজ্যের।
এদিকে দুই রাজ্যের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার পর রাজ্যদুটির প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। পরস্পরের দাবি, অপরপক্ষই এই উত্তেজনাকে উস্কে দিয়েছে।
১৯৯৪ সাল থেকে ফেডারেল সরকার রাজ্যগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। তবে এখন পর্যন্ত সেই পদক্ষেপের কোনো অগ্রগতি হয়নি।
এ ঘটনার পর সোমবার আসাম ও মিজোরামের প্রধানমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব সারমা এবং জোরামথঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ সময় তিনি দুজনকেই যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে সীমান্তে শান্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভপুর) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি এবং তার স্ত্রী মাকসুরা হোসাইন দীনা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
সারাদেশব্যাপী টিকা গ্রহণের প্রথম দিন গত ৭ ফেব্রুয়ারি জেলায় প্রথম পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি ও তার স্ত্রী মাকসুরা হোসাইন দীনা ২ মার্চ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা নেন।
এরপর শরীরে হালকা জ্বর অনুভব করলে করোনা টেস্ট করালে ১৯ মার্চ শুক্রবার সন্ধায় তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
শনিবার ভোররাতে গণমাধ্যমকে পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন, ১৭ মার্চ সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে করোনা টেস্টের জন্য আমি ও আমার স্ত্রী দু’জনের নমুনা দেই। ১৯ মার্চ শুক্রবার সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যারয় (শাবির) পিসিআর ল্যাব হতে দু’জনেরই রিপোর্ট পজেটিভ আসে।
তিনি আরও জানান, এখন হালকা জ্বর অনুভব করলেও অন্য আর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শুক্রবার রাত হতে ঢাকায় ন্যাম ভবনে আইসোলেশনে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন এই দম্পতি।
তাদের সুস্থতার জন্য দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। সূত্র: যুগান্তর