a আজ তৃতীয়বারে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন মমতা
ঢাকা শুক্রবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ তৃতীয়বারে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন মমতা


আমিনুল, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ০৫ মে, ২০২১, ১০:০৮
আজ তৃতীয়বারে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন মমতা

মমতা ব্যানার্জি । ফাইল ছবি

 

টানা তৃতীয়বারে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। আজ বুধবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। এর আগে গত সোমবার তাকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় নেত্রী নির্বাচিত করা হয়। সেদিন রাতেই রাজ্যভবনে গিয়ে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন মমতা ব্যানার্জি। সেখানেই নির্ধারিত হয় বুধবার শপথ নেবেন মমতা। গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্রও জমা দেন। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগের নিয়ম মেনেই পদত্যাগ করেন তিনি। গভর্নর সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেন।

মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সাক্ষাতের পর গভর্নর জগদীপ ধনখড় এক টুইটার বার্তায় জানান, বুধবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজভবনে শপথ নেবেন মমতা ব্যানার্জি। তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন গর্ভনর জগদীপ ধনখড়। মমতার দলের জয়ী এমএলএরা শপথ নেবেন আগামীকাল। 

মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেয়ার কথা রয়েছে ৯ মে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দ্রুত শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা। এছাড়া সম্পূর্ণ অনাড়ম্বরভাবে শপথ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পূর্বেই।

প্রসঙ্গত, মমতা ব্যানার্জি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১ হাজার ৯৫৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এর পরও মমতাই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। প্রথানুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে কোনো আসন থেকে উপনির্বাচনে তিনি জয়ী হতে হবে। 

ভারতে নির্বাচনে নিয়ম অনুযায়ী শপথগ্রহণের ছয় মাস পর্যন্ত বিধানসভা বা লোকসভার সদস্য না হয়েও মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে ঐ ছয় মাসের মধ্যে তাকে রাজ্যের ক্ষেত্রে বিধানসভা এবং ভারতের সরকার গঠনের জন্য লোকসভা বা বিধানসভায় নির্বাচিত হয়ে আসতে হয়।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যখন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় গ্রহণ করেছিলেন, তখনো মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের এমএলএ(এমপি) ছিলেন না। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আসেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইরানের যে কোন যুদ্ধে ‘ট্রাম্পকার্ড’ নিজ দেশে তৈরি ড্রোন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০০
ইরানের যে কোন যুদ্ধে ট্রাম্পকার্ড নিজ দেশে তৈরি ড্রোন

ফাইল ছবি

ইরানের শীর্ষস্থানীয় সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুর রহীম মুসাভি বলেছেন, পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোন যুদ্ধে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে।

ইরানের জাতীয় সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে রবিবার এক সামরিক কুচকাওয়াজের অবকাশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। কুচকাওয়াজে ইরানের সর্বশেষ সামরিক অর্জন বিশেষ করে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রদর্শন করা হয়।

জেনারেল মুসাভি বলেন, আজকের কুচকাওয়াজে আপনারা যা দেখলেন তা ইরানের সামরিক শক্তির সামান্য নমুনা মাত্র। করোনা মহামারি মাথায় রেখে স্বল্প পরিসরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজ আপনারা ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন শক্তি দেখেছেন। আমেরিকার কথিত সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই শক্তির উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে।

জেনারেল মুসাভি বলেন, আজ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ড্রোন একটি বড় ধরনের শক্তিমত্তা ও ‘ট্রাম্পকার্ড’ হিসেবে আবির্ভূত এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো যুদ্ধে তা ব্যবহার করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১২:২৪
আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি

ফাইল ছবি

গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ এখনো কোনো পক্ষ জয় পাইনি। প্রতিদিন শোনা যায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর খবর।

বৃস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতপ্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের শান্তির গন্তব্য বহুদূরে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে যুদ্ধের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে পুতিন সেই নির্দেশের সমর্থনে কথাও জানান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুতিন যখন জাতীয় ভাষণে জ্বালাময়ী কথা বলছেন, ঠিক তখনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি খেরসনে রাশিয়ার হামলার শোকে বিলাপ করছেন। 

তবে আলজাজিরার বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন মত দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন কারও পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়াকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য জয় আসা উচিত বলেও মনে করেন অনেকে। এ ছাড়া রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে।

যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কার যেন শেষ নেই দাবি করে তিনি বলেন, দুই দেশের কোনো পক্ষেরই জয়ের সরাসরি কোনো পথ পরিষ্কার নয়। ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাশিয়ার লক্ষ্যে পরিবর্তন আসেনি বলে মনে করেন ওয়াশিংটনভিত্তিক জেমসটাউন ফাউন্ডেশনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক পাভেল লুজিন।

জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসবিদ নিকোলায় মিত্রোখিন বলেন, মৌলিক দৃশ্যকল্প রাশিয়া কিংবা ইউক্রেন কোনো দেশই তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। 

রাশিয়ার গোটা দোনবাস দখলের সক্ষমতা নেই বললেই চলে। দেশটি জাতি হিসেবে ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেবে এটি অনেকের ধারণা। 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাবেক উপপ্রধান ইহর রোমানেঙ্কো বলেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে রাশিয়ান বাহিনী অগ্রসর হচ্ছে। খারকিভের কিপিয়ানস্ক থেকে দীর্ঘ একটি যুদ্ধক্ষেত্র রয়েছে। পাঁচ দিক— কুপিয়ানস্ক, লেম্যান, বাখমুত, আদভিভকা ও শাখতার থেকে ভুহলেদার পর্যন্ত সব পথ, হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। 

লন্ডনের কিংস কলেজের রুশ রাজনীতির অধ্যাপক গুলনাজ শরাফুতদিনোভা বলেন, যুদ্ধের শুরুতে থাকা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি সামরিক বিপর্যয় সত্ত্বেও এখনো পুতিনের অবস্থান সুদৃঢ়। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক