a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের প্রয়োজন নেই। কারণ রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের মুখে টিকতে পারবে না এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ গত শনিবার ফোর্বস শীর্ষ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নাম জানি কিন্তু এটি ১০০% সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি আমি ইসরায়েলে গিয়েছিলাম এবং তাদের অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। আয়রন ডোম তৈরি করা হয়েছে ধীর, কম উচ্চতার এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করার জন্য এবং এটি মূলত গ্যারেজে তৈরি হয়েছে। আয়রন ডোম ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।’
গত বছরের মে মাসে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে কিন্তু ইসরাইলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সে সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই ভূপাতিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ ইসরায়েল এসব ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক গর্ব করে থাকে। সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ফাইল ছবি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রাকনির্বাচনি পর্যবেক্ষক দলের দুই সদস্য ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় তারা ঢাকায় পৌঁছান। প্রতিনিধিদলের আরও ৪ সদস্য আজ (রোববার) আসার কথা রয়েছে।
তবে প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি ঢাকার ইইউ দূতাবাস। নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে ইইউর ছয় সদস্যের পর্যবেক্ষক দল ২৩ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবে।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ইইউ থেকে পর্যবেক্ষক দল পাঠানো হবে কিনা, তারা সেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখবেন।
ইইউ দূতাবাসের একটি সূত্রে জানা গেছে, এ প্রতিনিধিদলের মূল কাজ হবে ইইউর পর্যবেক্ষকদের কর্মপরিধি, পরিকল্পনা, তাদের জন্য বাজেট, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, নিরাপত্তা ইত্যাদি মূল্যায়ন করা।
এ ছাড়া তারা সরকারের প্রতিনিধি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীলসমাজ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর পর ব্রাসেলস ফিরে গিয়ে তারা এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, ইইউর প্রাকনির্বাচনি পর্যবেক্ষক দলের এ সফর আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যবেক্ষকরা ব্রাসেলসে যে প্রতিবেদন দেবেন, তার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে নির্বাচনি পর্যবেক্ষক পাঠানো বা না পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইইউ। সূত্র: যুগান্তর
সংগৃহীত ছবি
নারী উদ্যোক্তারা যাতে কম সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন, সে জন্য ঋণের সুদহার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিম’–এর আওতায় এ সুবিধা চালু করা হয়েছে।
আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এসএমই খাতের ঋণের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য দফায় দফায় এ স্কিমের সুদহার কমানো হয়েছে। আজ বুধবার ব্যাংক বন্ধের দিনে আবারও এই স্কিমের সুদহার কমিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের এসএমই খাতের ঋণের ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নারী উদ্যোক্তাদের স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনঃ অর্থায়নসুবিধা দেওয়া হয়।
পরবর্তীকালে করোনা মহামারির কারণে নারী উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণসুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে সুদের হার ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৩ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ পুনর্নির্ধারণ করা হয়। আজ সেটি আবারও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় এ স্কিমের আওতায় পুনঃ অর্থায়নের সুদহার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো।
ব্যাংকাররা বলছেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে নারী উদ্যোক্তারা কম সুদের ঋণ পাচ্ছেন না। আর উদ্যোক্তারা বলছেন, ব্যাংকাররা নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে আগ্রহী নন। এ কারণে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ব্যাংকঋণ পৌঁছাচ্ছে না। সূত্র: প্রথম আলো