a ইসলাম ধর্ম এবং মুসলমানদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন
ঢাকা রবিবার, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ইসলাম ধর্ম এবং মুসলমানদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ১০:০৯
ইসলাম ধর্ম এবং মুসলমানদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

ফাইল ছবি । রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

ইসলাম ধর্ম এবং রাশিয়ায় বসবাসকারী মুসমানদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তিনি বলেছেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম, এ ধর্মের অনুসারীরা ঐতিহ্যগতভাবে সুশৃঙ্খল এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ম-নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মুসলিমরা খুবই সামাজিক এবং তাদের শিষ্টাচার ও পারিবারিক বন্ধন অটুট।”

পবিত্র ইদুল আজহায় মুসলিম নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইসলামের শান্তি বাণী প্রচার করায় তাদের ধন্যবাদ জানান। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৩ কোটি মুসলমান বসবাস করছেন রাশিয়ায়। খ্রিস্টান প্রধান দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম বর্তমানে ইসলাম।

অপর এক পৃথক বিবৃতিতে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুসতিনও মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রাশিয়ার মুসলমানরা নিজ দেশের মূল্যবোধকে ধারণ করে এবং দেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখছে। এ কারণে রাশিয়ায় দিন দিন দ্যূতি ছড়াচ্ছে এবং প্রসার ঘটছে ইসলামের।

ইদুল আজহা উপলক্ষে মস্কোর মেয়র সার্গে সোবিয়ানিনও পৃথক এক বাণীতে মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হারিকেন হেনরি আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্রে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৩ আগষ্ট, ২০২১, ১০:২৮
হারিকেন হেনরি আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্রে

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডে আঘাত হেনেছে হারিকেন হেনরি। এই অঞ্চলে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ক্যাটাগরি ওয়ান হারিকেনের শক্তি নিয়ে আঘাত করা হেনরির গতি ছিল ৯৫ কিলোমিটার ঘণ্টায়।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি সোমবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, লং আইল্যান্ড এবং দক্ষিণ নিউ ইংল্যান্ড জুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে উপকূলীয় ঢেউ, বন্যা এবং উপড়ে পড়া গাছপালার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া টেনেসিতে হঠাৎ বন্যায় অন্তত ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

ন্যাশভিল থেকে ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে ওয়েভারলি শহরে এবং আশপাশে কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। ক্রমবর্ধমান জল বিশাল গাছ উপড়ে ফেলে, ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলে এবং গাড়ি ভাসিয়ে দেয়। 

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে দুর্যোগ কর্মকর্তারা যেখানে প্রয়োজন সেখানে সহায়তা দেয়া হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাসের সন্ধানে: কর্নেল আকরাম


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০২:৪৪
বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাসের সন্ধানে: কর্নেল আকরাম

ছবি সংগৃহীত

 

ইতিহাস প্রতিটি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু জাতির সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, আবার কিছু জাতি তা থেকে বঞ্চিত। তবে মানব সভ্যতার স্বার্থে ইতিহাস সবসময় সত্যের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে, অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুল ইতিহাস জানবে, যা কোনোভাবেই সভ্য বিশ্বের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিহাসের মূল উদ্দেশ্য জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণের দিকনির্দেশনা দেওয়া। কিন্তু বিকৃত ইতিহাস জাতিকে বিভ্রান্ত করে এবং বিপথে পরিচালিত করে, যার ফলে জাতি এক সময় বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

যে কোনো জাতির উচিত সত্য ইতিহাস অনুসন্ধান করা, যদিও এটি কঠিন। কিন্তু জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই চেষ্টাটি করা আবশ্যক। আমাদের দুর্ভাগ্যজনক যে, স্বাধীনতার পর গত পাঁচ দশকে শাসকগোষ্ঠী নিজেদের বিবৃতি জাতির সামনে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে এবং অধিকাংশ ইতিহাসবিদ শাসকদের ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, বাকিরা নীরব থেকেছেন। অথচ, সত্য ইতিহাসের খোঁজ খুবই জরুরি, কারণ এটি একটি জাতির সাফল্য ও ব্যর্থতা উভয় থেকেই শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য পথ-নির্দেশনা দেয়।

আমাদের জাতি শুরু থেকেই এক বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে—স্বাধীনতা ঘোষণা আসলে কে করেছিলেন? ইতিহাসের নিরিখে এটি মেজর জিয়াউর রহমান, যিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা হিসেবে নিজের জীবন ও পরিবারের ভবিষ্যৎ বিপদের মুখে ফেলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এ ঘটনার সাক্ষী আজও জীবিত, যেমন ড. কর্নেল অলি আহমদসহ অনেক মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আওয়ামী লীগ একটি ভিন্ন বিবৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে যে, শেখ মুজিব গ্রেফতার হওয়ার আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। অথচ তাজউদ্দীন আহমদসহ কয়েকজন নেতার অনুরোধ সত্ত্বেও শেখ মুজিব সে সময় কোনো ঘোষণা দেননি। পরে পাকিস্তান কর্তৃক বন্দি হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সময় কাটান। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি স্বাধীনতার যুদ্ধেও অংশ নেননি, তবে যুদ্ধের পর নিজেকে একমাত্র নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সব চেষ্টা করেছিলেন।

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ আমাদের বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়, কারণ ওই দিন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। এটি ভারতের জন্য একটি গৌরবময় ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন হলো, আমরা কীভাবে একটি বিদেশি দেশের সঙ্গে আমাদের বিজয় ভাগ করে নিই? এটি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, যার সমাধান জাতীয় স্বার্থে করতে হবে। ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ মুজিবনগর সরকার ঢাকায় ফিরে এসে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে। তাই, ২২ ডিসেম্বরকে আমাদের বিজয় দিবস হিসেবে ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।  

স্বাধীনতার সময় এবং পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা ইতিহাস থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে, শেখ মুজিবের ব্যর্থতাগুলি কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মৌলানা ভাসানীসহ অন্যান্য নেতার ভূমিকাকেও উপেক্ষা করা হয়েছে।

আমাদের ইতিহাসকে মাত্র ২৪ বছরে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে, অথচ আমাদের কয়েকশ বছরের পুরোনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। মুসলিম শাসকদের, যেমন নবাব সিরাজউদ্দৌলার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা আমরা ভুলে গেছি। মুসলিম ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় বর্ণনার অনুসরণে মুসলিম শাসকদের আক্রমণকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও তারা বাংলা ভালো বেসেছেন, বাংলায় বসবাস করেছেন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন।

মুসলিম নেতাদের, যেমন তিতুমীর, হাজী শরীয়তুল্লাহ, পীর দুদু মিঞা, নবাব আবদুল লতিফ, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, স্যার সৈয়দ আমীর আলী, শেরে বাংলা ফজলুল হক, এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অবদানও ইতিহাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এগুলো তথাকথিত ইতিহাসবিদদের কাজ, যারা তাদের ভারতীয় মনিবদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে গেছেন এবং আজও সক্রিয়।

ভারতের সহযোগিতার কথা আমাদের ইতিহাসে উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের নিজস্ব প্রচেষ্টাগুলিকে তুচ্ছ করা হয়েছে। ভারত আমাদের বিজয়কে তাদের নিজের বিজয় হিসেবে ছিনিয়ে নিয়েছে, যা ইতিহাসের এক বড় ট্র্যাজেডি।

আমাদের ইতিহাসে এমন বহু অসঙ্গতি রয়েছে, যা সমাধান করা অত্যন্ত প্রয়োজন। ইতিহাসবিদদের উচিত জাতির সামনে সত্য ইতিহাস তুলে ধরা। সত্য ইতিহাসের স্বার্থে এই সমস্ত বিষয় এখনই মীমাংসা করা জরুরি।

 

লেখক: ড. এস কে আকরাম আলী
সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক