a
ফাইল ছবি
১৫ মার্চকে ইসলামোফোবিয়ার (ইসলামভীতি) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ঐক্যমতের ভিত্তিতে গৃহীত হয়।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি পাকিস্তান থেকে উত্থাপন করা হয়েছিল। ওআইসির ৫৭টি সদস্য দেশ এবং চীন ও রাশিয়াসহ অন্য ৭টি দেশ প্রস্তাবটিতে সমর্থন করে। খবর ডনের।
জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সদস্য দেশ প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানালেও ভারত, ফ্রান্স এবং ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরা প্রস্তাবটিতে আপত্তি জানিয়েছে। তারা বলেছে, যেখানে সারা বিশ্বে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বিরাজ করছে সেখানে এই প্রস্তাবে অন্য ধর্ম বাদ দিয়ে শুধু ইসলামকে আনা হয়েছে।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত টিএস ত্রিমুর্তি অভিযোগ করেছেন, এই প্রস্তাবে অন্য ধর্মের সঙ্গে হিন্দুফোবিয়ার বিষয়টি আনা হয়নি। সূত্র: সমকাল
ফাইল ছবি
সাইবার হামলা করে এয়ার ইন্ডিয়ার প্রায় ৪৫ লাখ যাত্রীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে হ্যাকাররা। হিন্দুস্তান টাইমসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই সাইবার হামলা করা হয়েছে।
হামলায় হাতিয়ে নেওয়া তথ্যগুলোর মধ্যে আছে, যাত্রীদের ক্রেডিট কার্ড, পাসপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ফোন নম্বরসহ ব্যক্তিগত নানান তথ্য। তবে যাত্রীদের ভিতর যাদের তথ্য চুরি করা হয়েছে, তাদেরকে সতর্ক করতে মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত এই বিমান সংস্থা।
উক্ত ঘটনায় সারা বিশ্বের লাখ লাখ বিমানযাত্রীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ২০১১ সালের ২৬ অগাস্ট হতে আরম্ভ করে ৩ ফেব্রয়ারি ২০২১ পর্যন্ত মোট ১১ বছরের তথ্য চুরির অভিযোগ উঠেছে। তবে কোনো পাসওয়ার্ডের ডেটা প্রভাবিত হয়নি বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের ক্রেডিট কার্ডের তথ্যের ক্ষেত্রে, সিভিভি বা সিভিসি নম্বরগুলো সংস্থার ডেটা প্রসেসরে রাখা হয় না। তাছাড়া সার্ভারের সব পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা হয়েছে। এবং কি সার্ভারগুলো সুরক্ষিত করার পর আর কোনো অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ্য করা যায়নি।
উক্ত ঘটনার তদন্তে নেমেছে এয়ার ইন্ডিয়া। হ্যাকড হওয়া সার্ভারগুলো এখন থেকে আরো সুরক্ষিত করা হয়েছে। তথ্য সুরক্ষার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।
ফাইল ছবি
মহামারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তার গত ৮ মার্চের ঘোষণায় ধারাবাহিকতায় ১ মে থেকে পর্তুগালে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা সংবাদ সম্মেলনে জাতির উদ্দেশে বিস্তারিত জানান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্পেনের সঙ্গে বন্ধ থাকা বর্ডার খুলে দেওয়া হবে। রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, বেকারিসমূহ খোলা থাকবে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত।
রেস্টুরেন্টে একই টেবিলে ৬ জন ও বাইরে সর্বোচ্চ ১০ জন বসতে পারবে, শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সুপারমার্কেট সাধারণ দিনে রাত ৯টা এবং সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটির দিনে খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি ১৫ দিন পর পর পর্যালোচনা করা হবে। পরিস্থিতি ভালো থাকলে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে, না হলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে। সেই সাথে পর্তুগালের চলমান জরুরি অবস্থা আজ ৩০ এপ্রিল রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে।
গত জানুয়ারিতে করোনা ভাইরাস মহামারির কঠিন পরিস্থিতির পর দেশটি শুধু ইউরোপ নয় বিশ্বের সবচেয়ে কম করোনা সংক্রমণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। পর্তুগালে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭৪ জন।