a
ফাইল ছবি
১৫ মার্চকে ইসলামোফোবিয়ার (ইসলামভীতি) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ঐক্যমতের ভিত্তিতে গৃহীত হয়।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি পাকিস্তান থেকে উত্থাপন করা হয়েছিল। ওআইসির ৫৭টি সদস্য দেশ এবং চীন ও রাশিয়াসহ অন্য ৭টি দেশ প্রস্তাবটিতে সমর্থন করে। খবর ডনের।
জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সদস্য দেশ প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানালেও ভারত, ফ্রান্স এবং ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরা প্রস্তাবটিতে আপত্তি জানিয়েছে। তারা বলেছে, যেখানে সারা বিশ্বে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বিরাজ করছে সেখানে এই প্রস্তাবে অন্য ধর্ম বাদ দিয়ে শুধু ইসলামকে আনা হয়েছে।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত টিএস ত্রিমুর্তি অভিযোগ করেছেন, এই প্রস্তাবে অন্য ধর্মের সঙ্গে হিন্দুফোবিয়ার বিষয়টি আনা হয়নি। সূত্র: সমকাল
ছবি: ইমরান খান
পাকিস্তানের নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার আর ফলাফল ঘোষণা এখনো সম্পন্ন হয়নি। চলছে সরকার গঠনের জন্য বিভিন্ন দলের দেন দরবার। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের প্রধান ইমরান খানকে এরই মধ্যে ১২ মামলায় জামিন দিয়েছেন ইসলামাবাদের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আদালত (এটিসি)।
শনিবার ইসলামাবাদ এটিসির বিচারক মালিক ইজাজ আসিফ এক শুনানি শেষে এ রায় দিয়েছেন। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের। ইমরান খানের পাশাপাশি তার রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) জ্যেষ্ঠ নেতা শাহ মেহমুদ কুরেশিকেও ১৩ মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে।
যেসব মামলায় ইমরান ও কুরেশি জামিন পেয়েছেন— সবগুলোই গত ৯ মে দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত। ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজিরা দিতে গিয়ে গত ৯ মে আদালত চত্বরে গ্রেফতার হয়েছিলেন ইমরান খান। তার পর অভূতপূর্ব বিক্ষোভে ফেটে পড়েন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের নেতাকর্মী-সমর্থকরা। পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেবার সেনানিবাস ও সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।
ইমরান খান যেসব মামলায় জামিন পেয়েছেন, সেগুলোর মধ্যে ১২টি ৯ মে দাঙ্গায় উসকানি সংক্রান্ত; বাকি ২টির মধ্যে একটি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার (জিএইচকিউ) এবং অপরটি সামরিক বাহিনীর জাদুঘরে হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
আর যে ১৩ মামলায় শাহ মুহম্মদ কুরেশি জামিন পেয়েছেন, সেগুলোর সবই দাঙ্গায় উসকানি সংক্রান্ত।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচন হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। অ্যাসেম্বলির মোট আসনসংখ্যা ২৬৬টি। এসব আসনের মধ্যে একটি ব্যতীত বাকি সবগুলোতে নির্বাচনী ভোটগ্রহণ হয়েছে বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার রাত পর্যন্ত ২৫২টি আসনের ফল জানা গেছে। সেখানে দেখা গেছে, ৯৯ আসনে জয়ী হয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, ৭১ আসন পেয়েছে নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৩ আসন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
করোনার (কোভিড-১৯) প্রকোপের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম) শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এর আগে গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।
গতকালের আদেশে বলা হয়েছে, ‘দেশে করোনাভাইরাস মহামারির বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হলো।’