a তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন
ঢাকা রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২২, ১১:৫৮
তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন

ফাইল ছবি

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান থেকে যাওয়ার পরই শুরু হয়েছে চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শন। তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) একেবারে গোলাবারুদ-সহ চীনের সামরিক কুচকাওয়াজ চলবে। তাইওয়ানকে পুরোপুরি ঘিরে ধরে এই কুচকাওয়াজ হবে। তাইওয়ানের দাবি, চীন এই কুচকাওয়াজ শুরু করলে ১৮টি আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ করে দিতে হবে।

ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল চীন। তা সত্ত্বেও পেলোসি তাইওয়ান গেছেন। চীন এখন তাদের সামরিক শক্তির কিছুটা আভাস যুক্তরাষ্ট্রকে দেখিয়ে প্রতিবাদ জানাতে চাইছে।

চীনের সরকারি মিডিয়া জানিয়েছে, এই কুচকাওয়াজ হলো মূলত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তবে সেই সময় গোলাবারুদ ছোড়া হবে। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে তা শুরু হবে এবং রবিবার পর্যন্ত চলবে। কিছু জায়গায় তাইওয়ানের সমুদ্রতটের ২০ কিলোমিটার দূরে এই ড্রিল হবে।

সরকারি ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যা হয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ছিল উসকানিদাতা।

তাইওয়ান বলেছে, চীনের এই সামরিক ড্রিল আঞ্চলিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিপদের কারণ। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, চীন অযৌক্তিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাইপেও সতর্ক। সব জাহাজ ও নৌকাকে বলে দেওয়া হয়েছে, ড্রিল চলার সময় তারা যেন কোনভাবেই সমুদ্রে না যায়। বুধবার চীনের যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স জোনে ঢুকে পড়েছিল বলে তাইপের অভিযোগ।

ইইউ-র পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেপ বরেল চীনের এই সামরিক ড্রিলের নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ড্রিলের কোনো যৌক্তিকতা নেই। জি৭-ও একই কথা বলেছে। তাদের মতে, এর ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়বে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চীনকে দমাতে পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরি করবে অস্ট্রেলিয়া


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:১০
চীনকে দমাতে পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরি করবে অস্ট্রেলিয়া

ফাইল ছবি

ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আধিপত্য ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া একটি যৌথ ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা কর্মসূচি শুরু করছে। এর আওতায় অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন তৈরিতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিন দেশের প্রধান। খবর রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

এ প্রসঙ্গে মরিসন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে আগামী দেড় বছরের মধ্যে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন বহর তৈরি করার একটি যৌথ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে তিন দেশ। এর বাস্তবায়ন করা হলে বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন থাকা সপ্তম দেশে পরিণত হবো আমরা।

যৌথ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক জ্বালানি পরিচালনায় আন্তর্জাতিক চুক্তির বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় পারমাণবিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করার জন্য আমাদের কী করতে হবে তার একটি গভীর পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই। অস্ট্রেলিয়া পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ হতে চাইছে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমাদের এই অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিবেশ ও এটি কীভাবে বিকশিত হতে পারে সে বিষয়টি সবাইকে বুঝতে হবে। কারণ বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থায়ীত্ব এবং সমৃদ্ধির ওপর।’

এদিকে,  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী করিস জনসন বলেন, ভৌগোলিকভাবে আলাদা হওয়া সত্ত্বেও এই তিনটি দেশ অতীতেও ‘প্রাকৃতিক মিত্র’ ছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিশাল প্রতারণার ফাঁদে "মা এগ্রো ফার্ম”র উদ্যোক্তা গোলাম মাওলা কায়েস


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫
বিশাল প্রতারণার ফাঁদে মা এগ্রো ফার্ম এর উদ্যোক্তা গোলাম মাওলা কায়েস

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:   প্রতারক চক্রের ফাঁদে পরে ক্ষতিগ্রস্থ মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার “মা এগ্রো ফার্ম” এর উদ্যোক্তা এবং কোলাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারন সম্পাদক জনাব মোঃ গোলাম মাওলা কায়েস।

আজ ১১ নভেম্বর ২০২৫ সকালে রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে গোলাম মাওলা কায়েস বলেন, আমি “মা এগ্রো ফার্ম” এর উদ্যোক্তা মোঃ গোলাম মাওলা কায়েস। পিতাঃ মৃত আঃ খালেক বেপারী, মাতাঃ মজনু বেগম । স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- দক্ষিন কোলাপাড়া, ডাকঘর- কোলাপাড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সীগঞ্জ ৷ জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৪৬০ ৬৩১ ১১০৫৪।

আমি বিগত ১৬-০৮-২০২৫ইং তারিখে সম্পাদিত একটি ব্যবসায়ী চুক্তিপত্র সহি সম্পাদন করি । যাহার প্রথম পক্ষ মোঃ গোলাম মাওলা কায়েস আমি নিজেই । দ্বিতীয় পক্ষ ১) মোঃ সাবিত ইসলাম সামি পিতাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম, মাতাঃ ফেরদৌসী বেগম, স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রীন কর্নার, গ্রীন রোড, ডাকঘরঃ নিউমার্কেট-১২০৫, থানা ধানমন্ডি, জেলা ঢাকা । জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ ৮৬৭৩৫১১৭২৭। ২) মোঃ আক্তার হোসেন, পিতাঃ সুরুজ মিয়া, মাতাঃ ফজিলতুন নেসা, স্থায়ী ঠিকানাঃ ইব্রাহীমপুর, ডাকঘরঃ ক্যান্টনমেন্ট, থানাঃ কাফরুল, জেলাঃ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন । জাতীয় পরিচয়পত্র নংঃ ৬৪০৪৮৫৭৮৩৮।

উপরোক্ত দুইজন দ্বিতীয় পক্ষ হলেও উক্ত চুক্তিপত্রের সমস্ত কার্যক্রম সম্পাদনের সম্পূর্ন দ্বায়ভার গ্রহন করেন প্রতারক চক্রের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত আছেন পরিচয় দানকারী এস.এম সামসুল আলম (শওকত) ওরফে শেখ শওকত আলী, বৈজ্ঞানিক সহকারী-১, খাদ্য ও বিকিরন জীব বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এ.ই.আর.ই সাভার, বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশন (আইডি কার্ড অনুযায়ী) ভুয়া আইডি কাড নং ৬১০৩১০২৩১৩৪১১৩০০২৪৪। মোবাইল নংঃ ০১৭৫১-৩৭৭৩৫০, ০১৭১১-৭৫৩৬৩০, ০১৭১১-৫৭৩২১৬, ০১৭১১-২৭৬৯৩৫ প্রতারক শওকত উপরে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন বলে আমাকে মিথ্যা বয়ান দিলেও খোজ নিয়ে জানতে পারি, এই নামে অত্র প্রতিষ্ঠানে উক্ত এস.এম সামসুল আলম (শওকত) চাকুরী করেন না বা কখনো করেন নি। পরিচয় পত্রটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট (ভুয়া আইডি কার্ড এর ফটোকপি আমার নিকট রয়েছে) ।

উক্ত প্রতারক এস.এম সামসুল আলম (শওকত) উল্লেখিত চুক্তিপত্রের ৩নং দফায় আমাকে ২৫ (পঁচিশ) কোটি টাকা ব্যাংক লোন করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০০ (একশো) টাকার তিনটি স্ট্যাম্প এ চুক্তিবদ্ধ হন। বিনিময়ে উক্ত প্রতারক আমার নিকট হইতে ১০% হারে উক্ত ২৫ (পঁচিশ) কোটি টাকার লোন হইতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ২,৫০,০০,০০০/- (দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা গ্রহন করার প্রতিশ্রুতি গ্রহন করেন।

গ্যারান্টি হিসেবে উক্ত প্রতারক আমার নিকট থেকে উত্তরা ব্যাংক এর ২,৫০,০০,০০০/- (দুই কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকার একটি চেক গ্রহন করেন। যাহার চেক নম্বর- ৪৩৪৪০৪৯। পরবর্তীতে প্রতারক শওকত আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে উক্ত লোন পাশ করানোর জন্য নগদ টাকার প্রয়োজন দেখিয়ে আমার নিকট হইতে নগদ ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ লক্ষ) টাকা গ্রহন । কিন্তু ৪০,০০,০০০/- (চল্লিশ লক্ষ) টাকা গ্রহন করার পর প্রতারক শওকত আমাকে লোন করিয়ে দিবে বলে তালবাহানা করতে থাকেন এবং বার বার সময় দিয়ে ঘুরাতে থাকে। পরবর্তীতে আমার সাথে ২য় পক্ষগন ও শওকত এর মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।

পরবর্তীতে ২য় পক্ষগন ও শওকত আমাকে ঢাকা রিজেন্সী হোটেলে যেতে বলে সমস্যা সমাধানের করার জন্য রাত ৯:৩০ মিনিটে। আমি আমার ১জন কর্মচারী নাম (আবুল কালাম) ও পরিচিত ছোট ভাই (নাসিম) সহ রিজেন্সী হোটেলের সামনে গেলেই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী র‍্যাব-০১ এর সদস্যদের দ্বারা আমাদের ৩ (তিন) জনকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে যায় (ঘটনার তারিখ ০৭-০৯-২০২৫)। তৃতীয় দিন আনুমানিক দুপুর ১২:০০ (বারো) টার দিকে আমাদেরকে খিলক্ষেত থানায় হস্তান্তর করে এবং অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখায়। খিলক্ষেত থানার মামলা নং-০৯ (৯) ২০২৫। বিষয়টি সম্পূর্ন পূর্ব পরিকল্পিত ও র‍্যাব-০১ এর যোগসাজসে ২য় পক্ষ ও শওকত এর সাজানো নাটক। পরবর্তীতে আমি খোজ নিয়ে জানতে পারি, প্রতারক শওকত চুক্তিপত্রে যে বাসা'র ঠিকানা ব্যবহার করেছে তা সম্পূর্ন ভুয়া, মিথ্যা ও বানোয়াট ।

পরবর্তীতে আমি জামিনে কারামুক্তির পর নির্বাচন কমিশন থেকে প্রতারক শওকতের প্রকৃত নাম ও ঠিকানা সংগ্রহ করি । উক্ত প্রতারকের আসল নাম এস.এম সামসুল আলম, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৫৫১২৩৩০৭৮৭, পিতাঃ সোরাব আলী মোল্লা, মাতাঃ হামিদা বেগম, স্ত্রীর নামঃ মমতাজ, ঠিকানাঃ গ্রাম শিবান্দপুর, পোঃ কালুভানি, ইউনিয়নঃ হাবাসপুর, উপজেলাঃ পাংশা, জেলাঃ রাজবাড়ী।

আমাদের সাংবাদিক সম্মেলন করার একমাত্র কারন র‍্যাব-১ এবং প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উম্মোচন করা। যাহাতে বাংলাদেশের অন্যকোন নিরীহ নাগরিক হয়রানীর শিকার না হয়। দেশবাসী র‍্যাব-১ এর অসংখ্য অপকর্মের কথা ইতিপূর্বে পত্রিকায় পরেছেন ও টিভিতে দেখেছেন। দেশবাসীর ধারনা হয়তো র‍্যাব- ১ তার চরিত্র বদল করেছেন এবং জনগনের সেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছে। কিন্তু দেশ যখন গনতন্ত্রের সঠিক পথে অগ্রসর হচ্ছে সেই সময়ে টাকার বিনিময়ে আমাদের মতো সাধারন বাংলাদেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের নিজেরা অস্ত্র দিয়ে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রমান করে র‍্যাব-১ তার চরিত্র বদলায়নি। র‍্যাব তার পূর্বের ফ্যাসিস্ট চরিত্রেই আছে।

আমাদের সমাজে যে পরিমাণ মানসম্মান খুন্ন করা হয়েছে, আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে ও সমাজে আমাদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে প্রমান করার অপচেষ্টা করা হয়েছে, তার বিচার দেশবাসী, আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা ও বিচার বিভাগের নিকট চাই। আর কত নিরীহ সাধারন মানুষ র‍্যাব-১ এর দ্বারা সর্বোপরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা মিথ্যা মামলার শিকার হবে জানতে চাই এবং এর ন্যায়বিচার চাই।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হলেই যে কোন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিককে ঘুষ গ্রহনের মাধ্যমে জীবন অতিষ্ট করে তোলা যায় এবং তারা মনে করে তাদের সকল অপকর্ম বৈধ, এর প্রতিকার চাই। এ ব্যাপারে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার উদ্যোগ গ্রহন করেছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক