a পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না
ঢাকা রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২, ১২:০৬
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না

ফাইল ছবি

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কামার জাবেদ বাজওয়া শুক্রবার বলেছেন, সেনবাহিনী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা রাজনৈতিক কোনো ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে না। তাছাড়া নিজের মেয়াদও আর বাড়াবেন না বলে জানিয়েছেন।

ইসলামাবাদে ২৪তম জাতীয় নিরাপত্তা ওয়ার্কশপে এমন মন্তব্য করেন কামার জাবেদ বাজওয়া। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন সেনাপ্রধান বলেছেন সেনাবাহিনী ‘অরাজনৈতিক’ থাকবে।

আগামী ২৯ নভেম্বর বাজওয়ার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। ২০১৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চ্যালেঞ্জের’ কথা উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বাজওয়ার মেয়াদ আরও তিন বছর বৃদ্ধি করেছিলেন।

এদিকে পাকিস্তান সেনাপ্রধান এমন সময় ‘অরাজনৈতিক’ থাকার কথা জানালেন যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচন থেকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

ইমরান খানকে অযোগ্য ঘোষণা করার পর পরই পাকিস্তানের গোটা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে চীনের উত্থান! দায় এড়াতে পারবে পশ্চিমা শক্তি?


খোরশেদ আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৩, ০২:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে চীনের উত্থান! দায় এড়াতে পারবে পশ্চিমা শক্তি?

ছবি সংগৃহীত

সম্প্রতি চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখেনা ভূরাজনীতিতে এর প্রভাব ও গুরুত্ব কত অপরিসীম! সারা বিশ্বে হঠাৎ চীন যেভাবে আধিপত্য বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে  তার দায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মিত্র এড়াতে পারবে?

ইরান-সৌদি আরবে সন্ধি স্থাপনের পর পরই আরব রাজনীতিতে বরফ গলতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরাক,ইয়েমেনসহ অন্যান্য দেশগুলোর সাথে ইরানের যে বৈরিতা শুরু হয়েছিল, সৌদির সাথে ইরানের সম্পর্ক উন্নয়নে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে আমুল পরিবর্তন আসছে।

মূল কথায় আসি। যদিও চীন মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনয়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করছে কিন্তু ভূ-রাজনীতি বিবেচনায় চীনকে গনতন্ত্রের সহায়ক শক্তি হিসেবে কখনো বিবেচনা করা যাবে না। কারন চীন অর্থনৈতিক, সামরিক শক্তির পাশাপাশি বহুমাত্রায় নিজের শক্তি বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহিত যোগাযোগ বৃদ্ধি করেইা যাচ্ছে। আর এটা করতে গিয়ে বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন দেশের ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী সরকারকে। দেশটি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে আর্থিক সহযোগিতার নামে ফ্যাসিবাদ রপ্তানি করছে এবং আমেরিকার পুঁজিবাদী মুক্তবাজার মডেলের বিপরীতে হিউম্যান অথোরিটি বা মানুষের কর্তৃত্ব নিয়ে বিশ্বকে দখলে নিতে চাচ্ছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মান, জাপান ও ইতালি অক্ষশক্তিগুলোর পতন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুঁজিবাদী অর্থনীতির নাম করে মুক্তবাজার ও উদার রাজনীতির খোলস পরে মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার ধোঁয়া তুলে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার নামে বিভিন্ন দেশে অন্যায়ভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে নিরংকুশ জনপ্রিয় ও গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকেও অন্যায়ভাবে ক্ষমতা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে তাদের ইচ্ছা মতো শাসককে বসিয়ে দিতেও কার্পন্য করেনি। এসব করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দেশের কিছু সুশীল সমাজ, জনসাধারণ ও সামরিক বাহিনীকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেছে। যদিও ইদানীং চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র তার নীতির পরিবর্তন এনেছে, তারপরও রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হীন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বুঝতে পেরে এবং একক ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্র করোনা উত্তরোত্তর ও খালি হাতে আফগানিস্তান ও ইরাক হতে সৈন্য ফেরত এককচ্ছত্র ক্ষমতা শৈথিল্য বিশ্ব দরবারে প্রকাশের ফলে দেরিতে হলেও ঘুপটি মেরে থাকা দেশগুলো বর্তমানে চীন-রাশিয়ার বলয়ে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে চলে আসছে।

পূর্বেই বলেছি চীন তার শক্তির বলয় বাড়াতে বিভিন্ন দেশে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী সরকারকে সমর্থন দিয়ে আমেরিকার আধিপত্যবাদ ঠেকিয়ে নিজেদের দিকে ভেড়াচ্ছে। ফলে চীন রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, মায়ানমার, সিরিয়াসহ অগনতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্বরাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান পাকা পোক্ত করতে মরিয়া।

এদিকে, চীন তার শক্তি বৃদ্ধিতে অর্থনৈতিক শক্তি, দক্ষ কূটনীতি ও সামরিক শক্তি দিয়ে বিভিন্ন দেশ ও শাসককে নিরবে নিজেদের পক্ষে নেয়ার কাজ করে যাচ্ছে। আর এটা করতে গিয়ে চীন বিভিন্ন দেশের অগণতান্ত্রিক সরকারগুলোর সাথে কাজ করছে। এরই সর্বশেষ উদাহরণ ইরান-সৌদি আরবকে মিলিয়ে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে আমেরিকার বলয় থেকে বের করার সুযোগ সৃষ্টি করে চমক তৈরির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও চীন একই নীতিতে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের নিরাপত্তার কথা বলে ফিলিস্তিনীসহ আরব দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রষ্ট নীতির কারনে বিশ্বের শান্তিকামী মুসলমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা উল্লেখ না করলেই নয়। বাংলাদেশের জন্ম থেকে বর্তমানবধি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন ভূমিকা এদেশের স্বাধীন প্রিয় ও সচেতন জনগনকে আশাহত করে অনেক অনেক ক্ষেত্রে। আর যুক্তরাষ্ট্রের এসব রাজনীতিতে ইইউসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো নির্লজ্জ সমর্থনের কারনে অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বলয় থেকে বেরিয়ে চীন-রাশিয়ার বলয়ে ঝুঁকছে।

আরো উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ সময়ে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই করে নিজেদের ইমেজ নষ্ট করেছে। এরমধ্যে আরও দৃশ্যমান তাদের নীতিতে দ্বি-চারিতা ও দূর্বল কূটনৈতিক কৌশল। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলোতে অযথা সংঘাত বাধিয়ে সেসব দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার জ্বলন্ত উদাহরণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা সবার।

তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়িষ্ণু শক্তির বিপরীতে চীনের উত্থান কোনভাবেই বিশ্ববাসীর জন্য আশাপ্রদ নয়। কারণ চীন বিভিন্ন দেশের এক নায়কতন্ত্র লৌহমানব ও কর্তৃত্ববাদী শাসকদের সঙ্গে নিয়ে একক মঞ্চ তৈরি করার সুযোগ করে দিচ্ছে ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোর যুদ্ধাংদেহী মনোভাব ও ভুল পররাষ্ট্রনীতির কারনে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিত্র দেশগুলোকে একে একে হারানোর ফলে সেসব জায়গাগুলো পূরণ করছে চীন। বিশেজ্ঞদের ধারণা, বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে চীনের উত্থানের দায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো কোনভাবে এড়াতে পারবে না।

 

মোহা. খোরশেদ আলম
কলাম লেখক ও সম্পাদক মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নির্বাহী পরিচালক
হিউম্যানরাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভে. সোসাইটি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আগামীকালের লন্ডনে তারেক-ইউনূসের বৈঠকে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি!


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ০৯:১৬
আগামীকালের লন্ডনে তারেক-ইউনূসের বৈঠকে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

ছবি সংগৃহীত


বিশেষ প্রতিনিধি: আগামীকাল সকালে তারেক রহমান-ইউনূসের বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দলসহ সর্বস্তরের মানুষের দৃষ্টির এখন লন্ডনের দিকে। সবার প্রত্যাশা সকল সমস্যার সমাধান হবে আলোচনার টেবিলেই। তাই সকল মত-পার্থক্য দূর করে ড. ইউনূস সরকারের অধীনেই যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের আয়োজন করা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী কমিটির একাধিক সদস্যরা জানায়, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ফলপ্রসূ হলে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি, প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের উদ্যোগ এবং জুলাই সনদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপির মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, তা অনেকটাই কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈঠকটিকে কেন্দ্র করে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ইতোমধ্যে লন্ডন পৌঁছেছেন।

জনাব আমির খসরু বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে দলীয় প্রতিনিধিদলে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ঢাকা ত্যাগ করেছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের মূল বৈঠকটি হবে ‘ওয়ান টু ওয়ান এবং রুদ্ধদ্বারেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের ব্যাপারে বেশ উচ্ছ্বসিত এবং তিনি বলেন, বৈঠকটিতে রাজনীতিতে সুবাতাস আনবে বলে প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, গোটা জাতি এখন লন্ডনের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা বিশ্বাস করি, এটি হবে একটি ঐতিহাসিক বৈঠক এবং এ বৈঠকের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে। যৌক্তিক সময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনার মধ্য দিয়েই নির্বাচনসহ সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব।

আগামীকাল লন্ডনের হোটেলে ডোরচেস্টারে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকের আয়োজন মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকেই করা হয়েছে। নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, লন্ডন থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ‘ওয়ান টু ওয়ান’ একটি বৈঠকের প্রস্তাব করা হয়েছিল। তিনজন উপদেষ্টা যোগাযোগের চেষ্টাও করেছিলেন কিন্তু সেখান থেকে আশানুরূপ সাড়া না পেয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফরের কর্মসূচি নির্ধারণের পর গত সোমবার মূলত বিএনপির পক্ষ থেকে চূড়ান্তভাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয় অন্তবর্তীকালীন সরকারের আহ্বানে।

ঢাকা ও লন্ডনের সূত্রগুলো জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে বিএনপির দিক থেকেও সাক্ষাৎ ও বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার কারণে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এবিষয়ে গত সোমবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকের মতামতের ভিত্তিতেই আগামীকালের এ বৈঠকে বিএনপির অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বৈঠকটিকে বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য বড় একটা টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে বলে বিএনপিসহ অন্যান্য দেশী-বিদেশী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মতামত দিয়েছেন।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক