a
ফাইল ছবি
চীনের মধ্যস্থতায় মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রভাবশালী দেশ ও পরস্পরেরর চিরশত্রু গণ্যকারী সৌদি আরব-ইরান সমঝোতা চুক্তি করেছিল। সেই সমঝোতা চুক্তির রহস্য জানালেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই।
ওয়াং-ই বলেছেন, অসংখ্য বিষয়ে আপসের অঙ্গীকারে চালিত হয়ে ওই চুক্তি হয়েছিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমিরআব্দুল্লাহিয়ানের সঙ্গে এক টেলিফোন বার্তায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিজস্ব স্বার্থ বজায় রাখার স্বার্থে চীন বিবাদমান দেশগুলোকে নিয়ে বসতে এবং তাদের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে আগ্রহী।
ইরানের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশটির পাশে দাঁড়ানোরও অঙ্গীকার করেন ওয়াং-ই।
চলতি বছরের মার্চে চীনের মধ্যস্থতায় ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে আকস্মিক বৈরিতার অবসান হয়। এই দুই দেশের মধ্যে বৈরিতার কারণে ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশকে অস্থিতিশীল করে রেখেছিল। সূত্র: আল জাজিরা
ফাইল ছবি
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ দুই দিনের সফরে আগামী মাসে বাংলাদেশে আসছেন। সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখ দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি–২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা সফর করবেন।
ঢাকা ও রাশিয়ার কূটনৈতিক সূত্রগুলো সোমবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত বছরের এপ্রিলে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর পর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করছেন। ওই সময় থেকেই তাঁর বাংলাদেশ সফর নিয়ে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে রাশিয়া। ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাস নিয়মিতভাবে রাজনৈতিক পর্যায়ে এ সফর নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
গত বছরের নভেম্বরে ঢাকায় ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর সহযোগিতা জোটের (আইওআরএ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁর সফর বাতিল হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশের নির্বাচন সামনে রেখে পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বিরোধিতা করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে রাশিয়া। এমন এক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দিক থেকে ইতিবাচক বার্তার পর এবার জি–২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে মস্কোর পক্ষ থেকে ঢাকায় সের্গেই লাভরভের সফরের প্রস্তাব পাঠানো হয়।
জানা গেছে, সের্গেই লাভরভ ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। দুই দেশের সম্পর্কের নানা বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন এবং রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’ সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার দুপুরে বিএনপির বিজয় র্যালি শুরুর পূর্বে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একাত্তরের প্রথম মুক্তিযোদ্ধা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই সরকারের মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে হাসপাতালে। আমরা এমনই একটি সময় এই বিজয় র্যালি করছি। তাই এই র্যালি আমাদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র অর্জন করেছিলাম তার লক্ষ্য ছিল আমরা একটি নিরাপদ রাষ্ট্র পাবো। আমরা কথা বলার অধিকার পাবো, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার পাবো। কিন্তু এই সরকার একটি বাকশালী রাষ্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে এদেশের জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতার চেপে বসে আছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার আমাদের সকল অধিকার ধ্বংস করে দিয়েছে। রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে মানুষের অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে।’
এর আগে রোববার দুপুর ২ টায় র্যালি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর দেড়টার মধ্যেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে একদিকে নাইটেঙ্গেল মোড় অন্যদিকে ফকিলাপুল মোড় পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মী দিয়ে ভরে যায়।
বিএনপির বিজয় র্যালিতে আসা নেতাকর্মীরা 'স্বাধীনতার অপর নাম, জিয়াউর রহমান', 'স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, লও লও লও সালাম', ‘মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ স্লোগানে পুরো নয়া পল্টন ও এর আশেপাশের এলাকা প্রকম্পিত করে তুলেছেন।
বিজয় র্যালিতে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ টুকু, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আযম খান, মহানগর উত্তরের সভাপতি আমানউল্লাহ আমান, দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম প্রমুখ। সূত্র: ইত্তেফাক