a
প্রতিকী ছবি
ইসরায়েলের হাইফা নগরীর একটি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যম প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছে, সাইবার হামলা রফলে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
ইসরায়েলের গণমাধ্যম জানায়, গতকাল শুক্রবার শেষ বেলায় হাইফা নগরীর বাযান তেল শোধনাগারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তেল শোধনাগারের জরুরি বিভাগের কর্মীরা আগুন নেভাতে শুরু করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্ধারকর্মীদের ডাকা হয়।
ইসরায়েলের জেরুজালেম পোস্ট জানায়, বাযান শোধনাগারের একটি ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ইসরায়েলের চ্যানেল-১২ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক জানায়, অগ্নিকাণ্ডে তেল শোধনাগারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলি পত্রিকাটি জানায়, এরইমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে তবে শোধনাগার থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা রয়েছে। এই ঘটনায় শোধনাগারের ক্ষতি ও সম্ভাব্য হতাহতের ঘটনা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
ফাইল ছবি
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি বলেছেন, বর্তমানে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের ভয়ঙ্কর সামরিক শক্তির অধিকারী এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের
অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিস কমিটির শুনানিতে ইরানের সামরিক শক্তি সম্পর্কে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জেনারেল ম্যাকেঞ্জি।
তিনি আরও বলেছেন, ইরান ব্যাপকভাবে ড্রোন ব্যবহার করছে, যা কোরিয়া যুদ্ধের পর এই প্রথম আকাশ শক্তিতে আমেরিকা পূর্ণ কর্তৃত্ব হারিয়েছে।
গত বছর ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়নি মার্কিন বাহিনী। এছাড়া, ইরানের আকাশসীমায় আমেরিকার যে কোনো ড্রোন প্রবেশ করা মাত্র তা ভূপাতিত কিংবা অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ইরানি সামরিক বিশেষজ্ঞরা।
ইরান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামরিক শক্তিতে বিরাট অগ্রগতি লাভ করেছে। তবে ইরান সবসময় এসব সামরিক শক্তি বিস্তারে বলে আসছে-তাদের এসব সামরিক শক্তি নিতান্তই আত্মরক্ষামূলক এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্য তা কখনো হুমকি নয়। সূত্র: পার্সটুডে ও আল আরাবিয়া নিউজ
ফাইল ফটো
মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই আত্মগোপনে গেছেন দেশটির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এবার আত্মগোপনে থেকে তারা দেশটির বৈধ সরকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি রবিবার (১৪ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করে, অজ্ঞাতস্থানে লুকিয়ে থাকা এসব রাজনীতিবিদরা ঘোষণা করেন, সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তারা সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।
প্রবাসী সরকারের ন্যায় কমিটি ফর রিপ্রেজেন্টিং পাইডুংসু হলত্তু (সিআরপিএইচ) নামে গঠন করা হয়েছে এই গোপন সরকার। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাহন উইন খিয়াং থান। ফেসবুক বার্তায় সে জানায়, ‘এটা এমন একটা সময় যখন অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের নাগরিকদের লড়াই করার ক্ষমতার পরীক্ষা হচ্ছে। অতীতে আমাদের মধ্যে বিভেদ থাকলেও এখন অবশ্যই আমাদের হাতে হাত ধরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’
সিআরপিএইচকে একটি অবৈধ গ্রুপ বলে জানিয়েছে জান্তা সরকার। তারা সতর্ক করেছে, এই কমিটিকে যারা সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হবে। মিয়ানমারে গত নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে বলে সামরিক বাহিনী দাবি করলেও তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পর্যবেক্ষকগণ জানান, ওই নির্বাচনে কোন কারচুপি হয়নি।
গত সপ্তাহেই অং সান সু চির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ছয় লাখ ডলার আর ১১ কেজি স্বর্ণ গ্রহণের অভিযোগ আনলেও এর পক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে এনএলডি আইন প্রণেতারা। এদিকে মিয়ানমারে সেনাশাসনবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে অন্তত আরও ১২ জন নিহত হওয়ায় নিহতের সংখ্যা ৯০ ছাড়িয়েছে