a
ফাইল ছবি
আমেরিকার ওকল্যান্ড বন্দরের শ্রমিকরা ইহুদিবাদী ইসরাইলের একটি কার্গো জাহাজের মালামাল খালাস করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ইহুদিবাদীদেরকে বয়কটের যে ডাক দেয়া হয়েছে, তার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে ওকল্যান্ড বন্দর শ্রমিকরা ওই পদক্ষেপ নেন। খবর এবিসি নিউজের।
ফিলিস্তিনপন্থী আমেরিকার বিক্ষোভকারীরা অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদ হিসেবে ওকল্যান্ড বন্দরে ইসরাইলি জাহাজ নোঙ্গর ও খালাস করা নিষিদ্ধ করেন। পরবর্তীতে জাহাজটি ওকল্যান্ড বন্দর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়।
এ সময় বন্দর শ্রমিকরা এবং অন্য বিক্ষোভকারীরা মিলে সেখানে ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
বিক্ষোভ আয়োজনকারীদের মুখপাত্র ওয়াসিম হেজ সাংবাদিকদের বলেন, আজ আমরা ওকল্যান্ড শহরের পক্ষ থেকে একথা প্রমাণ করে দিলাম যে, আমরা বর্ণবাদী ইসরাইলের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চাই না।
ফাইল ছবি
রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ চালালে কী করবে আমেরিকা, তা স্পষ্ট করলো জো বাইডেন। বর্তমানে চরম উত্তেজনা চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ইউক্রেন সীমান্তে ইতিমধ্যে হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। যেকোনও সময় ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে ভ্লাদিমির পুতিন-এমন আশঙ্কা করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইউক্রেনে হামলা চালালে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কথা বলেছে।
তবে এর জবাবে রাশিয়াও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনও পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে দেশটি।
এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এসময় তাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করে বসলে আমেরিকা ও তার মিত্ররা নিশ্চিতভাবে কঠোর জবাব দেবে। হোয়াইট হাউস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা ছাড়াও দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি। সূত্র: সিএনএন/বিডি প্রতিদিন
মুক্তা দাশ
ইট পাথরের এই শহরে তুমিহীন আমি ...
বড় একা!
আকাশ দেখিনা অনেকদিন। নরম ঘাসে ভেঁজা মাটিতে
হাতে হাত রেখে পাশাপাশি দু'জনে
অনেকদিন একসাথে হাঁটি না।
করোনা র মৃত্যু ভয়ে সবাই যখন ব্যস্ত হাটে-বাজারে
কিংবা শপিংমলের লম্বা লাইনে। তখন
আমি অপেক্ষায়.....
চারদেয়ালে বন্দী হবার আগে তোমার
শেষ ছোঁয়াটুকু পাবার আশায়।
ঠিক এসেছিলে,,, যেমনটি কাছে আসো বরাবর।
মুখোমুখি চায়ের কাপ ,,, উষ্ণতা জড়ানো ছোঁয়া
চোখের আয়নায় নিষ্পলক চোখ
আকাশছোঁয়া চাওয়া - পাওয়া ;
খুঁজে ফিরে না বলা অনুভব .....
সন্ধ্যারাগে শেষ চৈত্রে,,,, উঠেছিলো ঝড়
ঠোঁটের স্পর্শে লন্ডভন্ড ! কালবৈশাখী প্রহর।
করোনা ঝড়ে ছিটকে পরা নীড়ে আজ
দু'জনেই বন্দী! চারদেয়ালের বন্দীশিবিরে।
এমনি করেই ভাবছো কি আমায়?
নির্ঘুম রাতের নির্জন প্রহরে স্বপ্নেরা ভেসে বেড়ায়,
আকাশ কাঁদে। আমার বন্দীদশায়!
নতুন সূর্যোদয়ের আশায় বুক বেঁধে
বেঁচে আছি, তোমার চোখের মায়ায় .....
বড্ড মনে পড়ে তোমায় ...!
বড্ড মনে পড়ে তোমায়....।।