a
ফাইল ছবি
আমেরিকার ওকল্যান্ড বন্দরের শ্রমিকরা ইহুদিবাদী ইসরাইলের একটি কার্গো জাহাজের মালামাল খালাস করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ইহুদিবাদীদেরকে বয়কটের যে ডাক দেয়া হয়েছে, তার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে ওকল্যান্ড বন্দর শ্রমিকরা ওই পদক্ষেপ নেন। খবর এবিসি নিউজের।
ফিলিস্তিনপন্থী আমেরিকার বিক্ষোভকারীরা অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের প্রতিবাদ হিসেবে ওকল্যান্ড বন্দরে ইসরাইলি জাহাজ নোঙ্গর ও খালাস করা নিষিদ্ধ করেন। পরবর্তীতে জাহাজটি ওকল্যান্ড বন্দর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়।
এ সময় বন্দর শ্রমিকরা এবং অন্য বিক্ষোভকারীরা মিলে সেখানে ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
বিক্ষোভ আয়োজনকারীদের মুখপাত্র ওয়াসিম হেজ সাংবাদিকদের বলেন, আজ আমরা ওকল্যান্ড শহরের পক্ষ থেকে একথা প্রমাণ করে দিলাম যে, আমরা বর্ণবাদী ইসরাইলের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চাই না।
ভারত সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে থান্টলাং শহরে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গেরিলাদের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রচণ্ড গোলাগুলিতে শহরের বহুসংখ্যক ঘরবাড়িতে আগুন ধরে যায়।এতে শহরে বসবাসকারী প্রায় অর্ধেক লোক পালিয়ে গেছে।
সালাই থাং নামে একজন কমিউনিটি লিডার জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সালাই থাং-সহ উদ্বাস্তু হওয়া লোকজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংস্থা। অনেক লোকজন ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া লোকজন মারাত্মকভাবে খাদ্য ও আশ্রয়ের সংকটে ভুগছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটি মারাত্মক সংকটের মাঝে চলছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত কয়েকশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ফাইল ফটো: ট্রাম্প ও বাইডেন
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি বলেছেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হলেও তাদের সর্বগ্রাসী নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সেনাদের একদিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে লেজ গুটিয়ে পালাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সংস্কৃতি ও প্রচারণা বিভাগের উপ প্রধান জেনারেল শেকারচি বুধবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন। জো বাইডেন আমেরিকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, আমাদের দৃষ্টিতে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে নীতিগত কোনও পার্থক্য নেই। মার্কিন সরকার একটি সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যকামী, জালিম ও লুটেরা সরকার।
তিনি বলেন, ট্রাম্প আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী নীতি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বাস্তবায়ন করেছিল আর বাইডেন একই নীতি বাস্তবায়ন করছে ধূর্ত কৌশল অবলম্বন করে। কাজেই আমাদেরকে আমেরিকার প্রতিটি আচরণ সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে।
জেনারেল শেকারচি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার হস্তক্ষেপকামী নীতির মোকাবিলায় আমাদের অবস্থান হচ্ছে, তাদেরকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছাড়তে হবে। আর আমরা এই নীতি-অবস্থান থেকে কখনওই পিছু পা হবো না।