a ৩১ আগস্ট আবারো হামলার আশঙ্কায় কাবুল বিমানবন্দর
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৩১ আগস্ট আবারো হামলার আশঙ্কায় কাবুল বিমানবন্দর


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৪৭
৩১ আগস্ট আবারো হামলার আশঙ্কায় কাবুল বিমানবন্দর

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের বাইরে গত বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। আইএসের ভয়াবহ ওই হামলায় এখনো মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এরমধ্যে আবারো সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কার কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবারো কাবুল বিমানবন্দর এলাকায় আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা। আফগানিস্তান থেকে উদ্ধারকারী যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ফ্লাইটগুলো সম্ভবত আগামী মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক অবস্থায় থাকবে।

পশ্চিমা সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের অবশিষ্টাংশ সে দেশ থেকে বহন করে আনবে এবং তাদের সুরক্ষার জন্য ভূমিতে আর কোন সৈন্য থাকছে না, এরইমধ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকের ভয়াবহ হামলায় রক্তের দাগ না শুকাতেই আবারো সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কার কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বলেছেন, ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবারো কাবুল বিমানবন্দর এলাকায় আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা।
 
মার্কিন ও ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন সর্ব শেষ প্রহরার ব্যবস্থা তুলে নেয়ার পর বিমান বন্দর থেকে বিমানগুলোর উড়ানের সময়ে তাদেরকে নির্ভর করতে হবে তালিবান যোদ্ধাদের উপর এটা নিশ্চিত করতে যে ইসলামি স্টেট খোরাসান বা আইসিস-কে বিমান বন্দরে কোন রকেট বা মর্টার হামলা চালাচ্ছে না।
 
ব্রিটেনের ডিফেন্স স্টাফ প্রধান জেনারেল নিক কার্টার শনিবার (২৮ আগস্ট) বলেন, সকলের জানা প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের শেষ বিমানগুলো নিরাপদে আফগানিস্তান ত্যাগ করার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ডার ও সৈন্যদের কি দুর্দান্ত পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ব্রিটেনের স্কাই নিউজকেও তিনি বলেন, শেষ বিমানটির আফগানিস্তান ত্যাগের কথা ভাববো এবং সেই সাহসী লোকদের জন্য এটা যে কত বড় চ্যালেঞ্জ আমরা রুদ্ধ শ্বাসে সেই কথা ভাববো।
 
ব্রিটেন শনিবার তার শেষ ফ্লাইট নিয়ে কাবুল থেকে যাত্রা করে। ব্রিটিশ বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনীর কড়া নজরদারিতে বিমান বন্দর ত্যাগ করে। বিমানবন্দরের অদূরে গত বৃহস্পতিবার ইসলামিক স্টেটের আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ জন আমেরিকান সৈন্য এবং কমপক্ষে ১৭০ জন আফগান অসামরিক নাগরিক প্রাণ হারায়। পেন্টাগন বলছে, ওই হামলায় অন্তত ১৮ জন সৈন্য আহত হয়েছে।
 তালেবান কর্মকর্তারা বলছেন, নিহত আফগান নাগরিকদের অনেকেরই মরদেহ নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয় এবং ওই ঘটনায় কমপক্ষে ২০০ জন আফগান নাগরিক আহত হয়। সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসকে না জানিয়ে আবারও ইসরায়েলকে অস্ত্র দিচ্ছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৩:২১
যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসকে না জানিয়ে আবারও ইসরায়েলকে অস্ত্র দিচ্ছে

ফাইল ছবি

আবারও মার্কিন কংগ্রেসকে এড়িয়ে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জো বাইডেনের প্রশাসন। অস্ত্র সরবরাহের আগে মার্কিন কংগ্রেসে পর্যালোচনার কথা থাকলেও তা মানছে না বাইডেন প্রশাসন।

চলতি ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে একবার মার্কিন সরকার কংগ্রেসকে উপেক্ষা করেই ইসরায়েলকে ট্যাংকের ১৪ হাজার গোলা দিয়েছে। তবে এ নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে তেমন কোনও হইচৈই হয়নি কারণ আমেরিকার ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট ও বিরোধী রিপাবলিকান- দুই দলই ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়ে আসছে। এমনকি মার্কিন নির্বাচনে ইহুদিবাদী লবি আইপ্যাকের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে এবং তাদেরকে উপেক্ষা করে কোন দলকে ক্ষমতা নিশ্চিত করা অনেকটা কঠিন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন শুক্রবার দ্রুততার সাথে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দেন।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নারী ও শিশু। অথচ মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা আমেরিকা নগ্নভাবে ইসরায়েলকে অস্ত্র এবং অন্য সামরিক সাহায্য দিয়ে চলেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, দ্রুত ইসরায়েলকে ট্যাংকের ১৫৫ মিলিমিটারের গোলা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন কংগ্রেসকে উপেক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গাজায় বেসামরিক লোকজন হত্যা করার বিষয়ে বারবার আমেরিকা ইসরায়েলকে সতর্ক করছে বলে দাবি করলেও সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যা কমেনি। উপরন্তু মার্কিন সরকার ইসরায়েলকে কামানের গোলা এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে যুদ্ধের ময়দানে এদেরকে উসকেই দিচ্ছে। সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান, আনাদোলু এজেন্সি, টাইমস অব ইসরায়েল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৫
নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ পুলিশ এস আই ও সার্জেন্টবৃন্দ। আজ সকালে রাজধানীর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে কান্না বিজারিত এবং আবেগ ঘন মুহূর্ত নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এই সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য দিয়ে সকল সদস্যদের পক্ষে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, জনপ্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে আজ আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। আমরা ২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ও ২০০৭ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীগণ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ৫৩৬ জন এস.আই ও ২২১ জন সার্জেন্টকে তৎকালীন আই.জি.পি নূর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহমেদ মহোদয় কোন প্রকার নোটিশ প্রজ্ঞাপন ব্যতিরেকে শুধুমাত্র একটি সাদা কাগজে নোটের মাধ্যমে শুধুমাত্র দলীয় ট্যাগে ঢালাওভাবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধভাবে বাতিল ঘোষণা করে।

তৎকালীন সময়ে আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েও সুবিচার থেকে বঞ্চিত হই। সুদীর্ঘ ১৮ বছর তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকার হাসিনার আমলেও আমরা কোন প্রকার সুবিচার পাইনি বরং নানাভাবে দমন-পীড়নের স্বীকার হয়েছি।

বিগত ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনীতির আকাশে ঘনকালো মেঘ ভেদ করে নতুন ভোরে নতুন সূর্য উদীত হলে আবারও আমরা নতুন করে, নতুন আশার আলো দেখতে পাই। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশক্রমে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বহালে উপস্থিত ৩৩০ জনের একটি তালিকাসহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সুপারিশক্রমে একটি আবেদন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব(পুলিশ) যুগ্মসচিব (জনপ্রশাসন), যুগ্মসচিব (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ডি.আই.জি (অ্যাডমিন) পদমর্যাদার উচ্চপর্যায়ের ৬ সদস্যের কমিটি তৎকালীন আই.জি.পি নুর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহম্মেদ মহোদয়ের সাদা কাগজের বাতিল আদেশটি বাতিল করে আমাদের নিয়োগ পুনর্বহালের সুপারিশ গত ০৭/০৫/২০২৫ইং তারিখে প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ডঃ আসিফ নজরুল স্যারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সবদিক যাচাই-বাছাই করে, এই বিষয়ে একটি Legitimate Expectation তৈরী হয়েছে। সেকারণে, ২০০৬ সালের বাতিলকৃত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা নিয়োগের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে বলে গত ২৩/০৪/২০২৫ইং তারিখে মতামত প্রদান করা হয়।

আমাদের নিয়োগ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপটি ৬ মাস ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। অথচ আমরা ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার দ্বারা বিগত ১৮ বছর বৈষম্যের স্বীকার হয়ে এখনও বৈষম্যমুক্ত মানবিক নতুন বাংলাদেশে আমাদের সারসংক্ষেপ অনুমোদনের অপেক্ষায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছি।

আমাদের দাবী, বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশে মানবিক সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট আন্তরিক শ্রদ্ধা রেখে বিনয়ের সহিত বলতে চাই-- ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ জন এস.আই সার্জেন্টদের জেষ্ঠতাসহ বয়স ট্রেনিংকালীন সময় প্রমার্জনা করে অনতিবিলম্বে চাকরিতে যোগদানের অনুমতি প্রদান করে দেশ তথা রাষ্ট্রীয় সেবায় অংশগ্রহণের আদেশ প্রদান করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক