a
ইমরান খান
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) এর চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা বাতিল করে দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।
গত মার্চ মাসে দেওয়া ইমরান খানের একটি বক্তৃতাকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাটি বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটার একটি আদালতে দায়ের করা হয়েছিল।
এ মামলা প্রসঙ্গে ইমরান খানের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেলুচিস্তানের হাইকোর্ট বলেছে, মামলার আইনজীবীরা প্রাদেশিক সরকারের কাছ থেকে রাষ্ট্রদ্রোহের এই মামলা দায়ের করার অনুমতি নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
ফলে আইনগত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের মামলা দায়ের করা যায় না এবং এর কোনও আইনগত ভিত্তি নেই। আদালত এই মামলা বাতিল করে দেন। ইমরান খানের আইনজীবী নাঈম পাঞ্জুথাও আদালতের এই আদেশের কথা টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার একটি হত্যা মামলা থেকেও অব্যাহতি পান ইমরান খান।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথম দিকে দুর্নীতির অভিযোগে পাকিস্তানের নিম্ন আদালত ৭০ বছর বয়সী ইমরান খানকে তিন বছরের সাজা দেন। সূত্র: রয়টার্স
ছবি: সংগৃহীত
ই-অরেঞ্জের লেনদেনের বিপরীতে রাজস্ব আদায়ের বিষয় জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) প্রতিবেদন না দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।
গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক আদেশে ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও বরখাস্ত হওয়া বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া ই-অরেঞ্জের লেনদেনের বিপরীতে রাজস্ব আদায় বিষয়ে জানাতে স্বরাষ্ট্র সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের নির্দেশ দেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় রোববার বিষয়টি ওঠে। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন। বিএফআইইউর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শামীম খালেদ আহমেদ।
শুনানিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কার্যক্রম চলছে। ওই ঘটনায় করা মামলার তদন্ত চলছে। গত বৃহস্পতিবার শেষ বেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাগজপত্র হাতে এসেছে, যে কারণে হলফনামা করা হয়নি। আগামী সপ্তাহে দাখিল করা যাবে। তবে পত্রিকায় এসেছে, জামিন নিয়ে ভারতের কারাগার থেকে সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন। ভারত থেকে হালনাগাদ তথ্য নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপির প্রতিবেদন একই ধরনের।
রিটকারী আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম বলেন, আদেশ প্রতিপালনের জন্য সময় চাইলে আদালত সময় দিতে পারেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তথা এনবিআরের চেয়ারম্যান প্রতিবেদন দাখিল করেননি। শেখ সোহেল রানার (বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক) বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোল কিছু তথ্য জানতে চেয়েছে, যা পরে দেওয়া হয়নি বলে রাষ্ট্রপক্ষের হলফনামায় দেখা যাচ্ছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘শেখ সোহেল রানার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি হয়েছে, যার নাম্বারও উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রিপোর্ট পাইনি।’
এ সময় আদালত বলেন, এনবিআরকে জানিয়েছিলেন কি? হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বারবার অনুরোধ করা হয়েছে, গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে না। আদালত বলেন, এনবিআরেরটিসহ দুটি প্রতিবেদন এক সঙ্গে দেবেন। একপর্যায়ে আদালত বলেন, এবিআরের চেয়ারম্যান কে? তখন আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম বলেন, আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘আমরা লাস্ট চান্স দিলাম। এটি দেখেন। বলে দেবেন, এবার প্রতিবেদন না দিলে ডাকা হবে। রেড নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে, জারির ব্যবস্থা বা কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা দেখবেন। যে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা দিতে এনবিআরের চেয়ারম্যানকে বলবেন। এ দুটি দেন। বিষয়টি ২৭ মার্চ কার্যতালিকায় আসবে।
প্রসঙ্গত, পণ্য কিনে প্রতারণার শিকার দাবি করে ৫৪৭ জন গ্রাহকের পক্ষে তাদের ছয়জন প্রতিনিধি গত বছরের মার্চে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৭ এপ্রিল হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করে চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এরপর গত বছরের ৩ নভেম্বর বিএফআইইউ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আইজিপির প্রতিবেদন সুস্পষ্ট নয় এবং দুদকের প্রতিবেদন সন্তোষজনক নয় উল্লখ করে সেদিন আদালত নতুন করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশসহ আদেশ দেন।
চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, ‘ভারতে অনুপ্রবেশের কারণে শেখ সোহেল রানা তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে প্রেসিডেন্সি কারেকশনাল হোম আলীপুর, ভারতে আটক ছিলেন। পত্রপত্রিকার খবরে দেখেছি, জামিন নিয়ে পরে সেখান থেকে সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন। আর বিএফআইইউর পক্ষ থেকে ই-অরেঞ্জ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা ও ব্যাংক হিসাবের নাম্বার উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর আদালত বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।' সূত্র:যুগান্তর
ফাইল ছবি
পবিত্র কোরআন শরিফ থেকে ২৬টি আয়াত অপসারণ চেয়ে সম্প্রতি আদালতে একটি রিট দায়ের করেছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ ওয়াসিম রিজভী। তার এই রিট আবেদন বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
উল্লেখ্য উক্ত রিট পিটিশনটি দাখিল করার ব্যয় হিসেবে আবেদনকারীকে ৫০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার বিচারপতি আরএফ নরিমনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন আদালতে রিট আবেদনটিকে ‘বাজে’ বলে আখ্যায়িত করেন মাননীয় বিচারক। সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম