a ইউক্রেনকে অস্ত্র দিতে গিয়ে জার্মানি নিজেই অস্ত্র সংকটে
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ইউক্রেনকে অস্ত্র দিতে গিয়ে জার্মানি নিজেই অস্ত্র সংকটে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩, ১২:০৬
ইউক্রেনকে অস্ত্র দিতে গিয়ে জার্মানি নিজেই অস্ত্র সংকটে

ফাইল ছবি

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকে থাকতে ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। এর মধ্যে জার্মানি অন্যতম।

এবার প্রকাশ্যে এল দেশটির ভেতরের খবর। ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করতে গিয়ে এখন নিজেই সংকটে পড়েছে জার্মানি।

জানা গেছে, এখন জার্মানির কাছে আর মাত্র প্রায় ২০ হাজার অতি শক্তিশালী বিস্ফোরক আর্টিলারি শেল অবশিষ্ট আছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোপন নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য সামনে এনেছে জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অতি শক্তিশালী বিস্ফোরক আর্টিলারি শেল জরুরি ভিত্তিতে ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বাজেট কমিটিকে বোঝানোর জন্য ওই নথি প্রস্তুত করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। আর এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জার্মানির মতো অন্যান্য মার্কিন মিত্ররা হাউইৎজারের ব্যবহারের জন্য ১৫৫ এম আর্টিলারি রাউন্ড ইউক্রেনকে ব্যাপকভাবে সরবরাহ করে চলেছে। আর এতেই এসব দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য গোলাবারুদের মজুদ নিচে নামছে।

ডের স্পিগেল লিখেছে, জার্মানির সামরিক বাহিনীকে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার আর্টিলারি শেলের মজুদ প্রস্তুত রাখতে হবে। মূলত সামরিক জোট ন্যাটোর লক্ষ্যমাত্রা মেনেই এটা করতে হবে যাতে ব্যাপক যুদ্ধ বাঁধলেও ৩০ দিন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো যথেষ্ট আর্টিলারি হাতে থাকে। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

আগামী মাসগুলোতে কামান এবং ট্যাংক গোলাবারুদের জরুরি ক্রয়ের জন্য নয়টি চুক্তি বাজেট কমিটির সামনে উপস্থাপন করবে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, লিখেছে ডের স্পিগেল। সূত্র: রয়টার্স

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জীবন রক্ষার্থে জান্তা বাহিনীর ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে আশ্রয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ১০:১৩
জীবন রক্ষার্থে জান্তা বাহিনীর ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে আশ্রয়

ফাইল ছবি

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গতরাতেও বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির সঙ্গে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আতঙ্কের মধ্যে আছে সীমান্তবাসীরা। বিদ্রোহীদের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমার জান্তা সরকারের ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।

তবে ভোরের দিকে গোলাগুলির শব্দ কিছুটা কমেছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির তেমন শব্দ শোনা যায়নি বলে জানিয়েছেন সীমান্তবাসীরা।

এদিকে মিয়ানমারের স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরাকান আমি (এএ) বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাতে টিকতে না পেরে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য। আশ্রয় নেয়া মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধও রয়েছে। গুলিবিদ্ধ আহত দুজনকে কক্সবাজারে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ও আনু মোহাম্মদ বলেন, মিয়ানমার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে রোববার দৃই বাংলাদেশী নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করেছে প্রশাসন। বিদ্রোহীদের তোপের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ওপারের মিয়ানমার ক্যাম্পের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে ক্যাম্পের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরকান আর্মী (এএ) মধ্যে তুমুল সংঘাত চলছে।

গত শনিবার থেকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুটি ক্যাম্প দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মি। ইতিমধ্যে ক্যাম্পগুলোর কিছুটা অংশ দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। তবে মিয়ানমার সরকারি বাহিনী হেলিকপ্টার থেকে বোমা ছোড়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। সীমান্তে টহল বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে সতর্কবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বিজিবি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি: ড. মঈন খান


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ০৪:০৭
নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি ড মঈন খান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  "বাংলাদেশে সামাজিক দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সুশাসন” শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ মে) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংগঠন 'স্কুল অফ লিডারশিপ' (SOLE USA) বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন দলের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবি, চিকিৎসক, উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। 

SOLE বাংলাদেশ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লন্ডনের নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলিয়ার হোসেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন SOLE USA-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ড. গোলাম রাব্বানি। 

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কার চাইতে হবে। অনেকে ভাবে রাজনৈতিক সংস্কার চাইলে বড় বড় রাজনৈতিক দল মন খারাপ করতে পারে। এমনটা হওয়া উচিত না। রাষ্ট্র সংস্থারের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কার জরুরি। SOLE বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের এই অসাধারণ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি। অনেককে বলতে শোনা যায় বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বৈরাচার হয়ে উঠবে। এমন কথায় আমি হতবাক হই। বিএনপি সরকার হিসেবে দীর্ঘদিন দেশ পরিচালনা করেছে। ভুলত্রুটি ছিলো, কিন্তু বিএনপি কখনো স্বৈরাচারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়নি। 

বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে না। জনগণের কল্যাণে কাজ করবে। বিএনপি ১৫ বছর দেশ পরিচালনাকালে বিরোধী দল মত দমনে কোন গায়েবি মামলা দেয়নি, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করেনি। বিএনপি স্বৈরাচার হয়ে উঠবে বলে এমন মিথ্যা নেরেটিভ দাঁড় করাবেন না। বিএনপি মহাসচিবের বিরুদ্ধে গত ১৫ বছরে ১০৫ টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতাকালে হাসিনা বা আওমিলীগের সাধারণ সম্পাদকের নামে একটি মামলা দিয়েছে এমন ঘটনা ঘটেনি। বিএনপি ও আওমিরীগ মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এটাও মানতে নারাজ ড. মঈন খান।  তিনি বলেন আওমিলীগ ফ্যাসাবাদী দল, বিএনপি ফ্যাসিবাদী দল নয়। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, ছাত্রজনতা বারবার প্রাণ দিয়ে দেশকে সঠিক পথে এনেছে। কিন্তু আমরা অভিভাবকরা বারবারর ব্যর্থ হয়েছি। ১৯৭১, ৯০, ২৪ সবকটা আন্দোলনে ছাত্রজনতা জীবন দিয়েছে। কিন্তু বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আমরা চেতনা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ব্যর্থ হচ্ছি বলেই ৭১ এর পর ৯০ হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি হতাশ। ছাত্ররা কতো রক্ত দিবে? কেনো দেশে এখন নেতৃত্ব সংকট? এর জন্য সকল পক্ষ দায় এড়াতে পারে না। 

গণসংহতি পার্টির সভাপতি জুনায়েদ সাকি বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসারিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক চর্চা না করে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না। অন্তর্বর্তিতালীন সরকারের মাঝেও গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্যে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। যার ফলে ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে।  বিরোধ তৈরি হচ্ছে। দেশের সার্থে জাতীয় ঐক্যের ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা দরকার। এর জন্য প্রধান দায়িত্ব সরকারের।  তাদের উচিত সকল দলের সাথে কথা বলে আস্থার মধ্যে আনতে হবে। নির্দিষ্ট দলের প্রতি ঝুকে গেলে বিরোধ সৃষ্টি হবেই। 

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আমিত্বের যে কালচার এটা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পূর্বের ফ্যাসিবাদ সরকারকে বলতে শুনতাম আমি মোবাইল দিয়েছি, আমি ইন্টারনেট দিয়েছি, আমি পদ্মাসেতু করেছি। প্রকৃত লিডাররা আমি বলবে না, বলবে আমার সরকার এসব করেছে। কেনো আমাদের প্রকৃত লিডারশিপ তৈরি হচ্ছে না? 
এর জন্য দলগুলোর পাশাপাশি পরিবারও দায়ী। আমাদের পরিবার আমাদেরকে রাজনীতির বাইরে রেখে ঘরোয়া টিকটিকি বানাই রাখছে। পরিবার, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিডারশিপ তৈরি করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নেয়া শিখতে হবে জীবনের প্রতিটা স্তরে। 

এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জজ বলেন, পতিত হাসিনাকে নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। আমি এটা করেছি ওটা করেছি সে দিন আর আসবে না।  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে পরম্পরায় বেগম খালেদা জিয়ার সেক্রিফাইসের কারনে জনগণ তাঁকে আপোষহীন নেত্রী উপাধি দিয়েছে। জুলাই আন্দোলনে তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। 

প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, আগামী নির্বাচনে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা আওতায় আনতে বিভিন্ন পেশাজীবিদের নিয়ে একটা মনিটরিং কমিটি গঠন করতে পারি। ভারতের সাথে বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু মাথা বিক্রি করেিতে চাই না। কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ চাই না। বন্ধুত্ব হবে সমতার ভিত্তিতে। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদ আমাদের ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কোন কোন উপদেষ্টা অপরিপক্কতার পরিচয় দিচ্ছে। এ ছোট্ট উপদেষ্টা পরিষদ দিয়ে দেশ সঠিক চলবে না। আশা করি সুস্ঠু নির্বাচন দিয়ে ড. ইউনুস যেনো সুন্দরভাবে বিদায় নিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোরও পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। 

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, কৃষি বিপ্লব, খাল খনন, গার্মেন্টস শিল্প শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে শুরু হয়েছিলো। তিনি ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। নেতৃত্বের কথা যদি এদেশে আসতে হয় তাহলে দেশের জন্য ইতিবাচক নেতৃত্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামই আসবে। গত ১৫ বছরে বিএনপি সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত নিপীড়িত ছিলো। ৫০০ এর অধিক বিএনপি নেতাকর্মী জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে। ৩১ দফার মাধ্যমে সংস্কারের কথা এদেশে প্রথম বলেন তারেক রহমান। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলেই দেশে পর্যাপ্ত সংস্থার হবে।

SOLE USA, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের  নির্বাহী পরিচালক – ড. জামিল আহমেদের সঞ্চালনায় সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন SOLE বাংলাদেশ চ্যাপাটারের প্রতিনিধি ফয়েজ কাওসার, মেজর জেনারেল আশাব উদ্দিন (অব.)। আরো উপস্থিত ছিলেন, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম , SOLE সমন্বয়ক মেজর (অব.) সিদ্দিক, অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান এবং ইয়ুথ পার্লামেন্ট সভাপতি অ্যাড. আমিনুল ইসলাম মুনীর প্রমুখ। 
উল্লেখ্য, সেমিনারে বিদেশী ডেলিগেটগন অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক