a
এইচ টি ইমামের সহিত ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী ।
বুধবার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দেন বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।
ফাইল ফটো
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এশিয়ার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামানের ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদের নেতৃত্বে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ র্যালি, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কেক কেটে দিবসটি পালন করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এসময় ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় ছাত্রদের কথা বলে। বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাত্রবান্ধব করে গড়ে তুলতে ছাত্রলীগ সদা সচেষ্ট।
এছাড়া বিকাল ৪টায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কর্তৃক আয়োজিত ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করে কুবি ছাত্ররলীগ র্যালিটি বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করে শাখা ছাত্রলীগ।
আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন মো. রশিদুল ইসলাম শেখ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া, প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি সভাপতি ড. মো. শামিমুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
ফাইল ছবি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দিচ্ছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমি গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্যাখ্যা পায়নি। অথচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জায়গায় অবিচল। তিনি একটা বক্তব্য দিয়েছেন সেই বক্তব্যে তিনি আবার ওইটাই নিশ্চিত করেছেন।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসেসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউটেব) এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বাধীন হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে, তখন আওয়ামী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারকে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে বলেছেন। এর অর্থ তারা ভারত সরকারের অনুকূলেই টিকে আছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এখন আর কোনো নির্বাচনের কথা নয়। এখন আর ঘুম পাড়ানির কোনো কথা নয়। এখন একটা মাত্র দাবি- এই সরকার কবে যাবে। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য অবশ্যই ইতিহাসে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যতবারই ক্ষমতায় এসেছে বাংলাদেশের আত্মা-স্বপ্নকে ধ্বংস করেছে। এর জন্য তাদের জবাবদিহি করতেই হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা বলেছি সবার আগে গণতন্ত্রের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তারেক রহমানসহ ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অবিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে এবং নতুন নির্বাচন কমিশনের মধ্য দিয়ে একটি জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল পার্লামেন্ট ও সরকার গঠন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘লুটেরা সরকারের এলিট শ্রেণি হচ্ছে আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, এমপি, ওয়ার্ড পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। কিছু আছেন যারা প্রতিদিন দেখবেন প্রজেক্ট তৈরি করছে কীভাবে তাদের সম্পদ আরও বাড়বে। কানাডার বেগমবাজারে তাদের আরও বাড়ি তৈরি হবে। আরও আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু উচ্ছিষ্টভোগী শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী। তারা যখন টকশোতে কথা বলেন, তারা প্রমাণ করতে চান আসলেই মানুষ বেহেশতে আছে। মোমেন সাহেব কোনো অমূলক কথা বলেননি।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন