a আবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলো, বাতিল দলীয় সরকাল
ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলো, বাতিল দলীয় সরকাল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০২:২৮
আবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলো বাতিল দলীয় সরকাল

ফাইল ছবি: বাংলাদেশ হাইকোর্ট

 

আওয়ামী সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ অধ্যাদেশ সংশোধনী করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে যে ব্যবস্থা এনেছিল তা বাতিল ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের রায়ে আওয়ামী লীগ যে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিধান করেছিল, তা আর বহাল থাকছে না। বাতিল হওয়া বিধানের পরিবর্তে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হলো।

এক রিট মামলার রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাই কোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ রায় প্রদান করেন।

২০১১ সালে সংবিধানে আনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের পাশাপাশি অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়।

আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও ওই সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিষয়টি সংযোজন করা হয়।

পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে গত ১৮ অগাস্ট রিট আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ ব্যক্তি। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট গত ১৯ অগাস্ট রুল দেয়। পঞ্চদশ সংশোধনী কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।

পরে বিএনপি, গণফোরাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি সংগঠন এবং কয়েকজন ব্যক্তি এ রিট মামলায় পক্ষভুক্ত হয়, তাদের পক্ষে আইনজীবীরা শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাঁধা তামাক


সবুজ হাওলাদার, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৩ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৪:১২
এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাঁধা তামাক

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সবুজ হাওলাদার, ঢাকা: ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে তামাক। পাশাপাশি এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্যকেই বাধাগ্রস্থ করছে তামাক। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের বিকল্প নেই।’ 

আজ রবিবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারী’২৫) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে-(ডিআরইউ) ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানান বক্তারা। 

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ও স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন এবং আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান মিলন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাবের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক মাইনুল হাসান সোহেল। 

মূল প্রবন্ধে তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ১৫ বছর ও তদুর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫.৩ শতাংশ। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে, পঙ্গুত্ববরণ করে বছরে প্রায় ৪ লাখ মানুষ, পরোক্ষ ধূমপানে শিকার ৪২.৭ শতাংশ। দেশের ৩০ শতাংশ বন উজাড় করে তামাক পাতা পোড়ায় তামাক কোম্পানীগুলো। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ২০১৯ সালে প্রকাশিত গবেষণা ফলাফল অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা, যা একইসময়ে এই খাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয়ের (২২ হাজার ৮১০ কোটি) চেয়ে অনেক বেশি। সবমিলিয়ে বাংলাদেশে তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে হুমকি সৃষ্টি করছে। 

বক্তারা বলেন, তামাক কোম্পানির মূল টার্গেট কিভাবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে তামাকে আসক্ত করে ব্যবসা বাড়ানো যায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে তামাকপণ্যের প্রচার ও বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাবে তামাক কোম্পানির কূটকৌশল ও চটকদার বিজ্ঞাপনের ফলে, অরক্ষিত হয়ে পড়েছে দেশের তরুণরা।এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের উচিত তামাক কোম্পানির ছোবল থেকে তরুণদের সুরক্ষা প্রদান করা। তাই বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) যুগোপযোগী করতে হবে। 

বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে যা অত্যন্ত প্রসংশনীয়। তবে আইন শক্তিশালী হলে রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তামাক কোম্পানী অপপ্রচার চালাচ্ছে যা একেবারেই ভিত্তিহীন। আইন শক্তিশালীকরণের সাথে রাজস্ব কমার কোন সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে খূচরা বিক্রেতার আয়ের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

সভাপতির বক্তব্যে ইকবাল মাসুদ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী পাসের মাধ্যমে এফসিটিসি’র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও শক্তিশালী করতে হবে যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি, তামাক কোম্পানির কূটকৌশল ও হস্তক্ষেপ মোকাবেলায় এফসিটিসি আর্টিক্যাল ৫.৩ অনুসারে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এনবিআর ২ ভাগে ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ জারি: এনবিআর চেয়ারম্যান


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ১০:৩৯
এনবিআর ২ ভাগে ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ জারি এনবিআর চেয়ারম্যান

ফাইল ছবি: এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান

 

নিউজ ডেস্ক: ঈদের আগেই রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুই ভাগ হয়ে যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা নতুন অর্থবছরের প্রথম থেকে কাজ শুরু করবে।

আজ বুধবার ‘আয়কর আইন, ২০২৩: সংস্কার ও প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

তিনি বলেন, ‌প্রধান উপদেষ্টা গতকালও (মঙ্গলবার) আমাকে ডেকেছেন, তিনি বলেছেন ঈদের আগেই অধ্যাদেশ হয়ে যাবে। আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে। যত দ্রুত সম্ভব এটা অপারেশনাল করব। আমরা সেদিকেই যাচ্ছি। শুরুটা করতে হবে এবং বিবাদ যা থাকবে সে জায়গাটা আমরা পরে অ্যাড্রেস করব।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এনবিআর ২ ভাগে বিভক্ত হলে সেখানে কারা থাকবেন ও কাজ করবেন সেটিও তুলে ধরেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কিছু বাইরের এক্সপার্টও থাকবে, বিশেষ করে ইকোনমিক, ফাইন্যান্স ও রিসার্চ থেকে কিছু লোক থাকবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় যারা অভিজ্ঞ তারাই মূলত এ কাজগুলো করবেন। তার সঙ্গে অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে অন্যরাও থাকবেন। আমরা নৈর্ব্যত্তিকভাবে কোনো কিছু না দেখে আইনে যা আছে, এটা আমরা প্রয়োগ করতে পারব। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন