a ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা
ঢাকা শনিবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৫ মার্চ, ২০২৫, ০৭:০৪
ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মত বিনিময় সভা সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনডিপির চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মহিবউল্যা শান্তিপুরী,জাতীয় মুক্তি দলের চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিম, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মির্জা আজম, বাংলাদেশ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ,বিএনডিপির চেয়াবম্যান শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা এসএম আমানুল্লাহ, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব এডঃ সরোয়ার মিয়া,জাতীয় মুক্তি দলের মহাসচিব আব্দুল আহাদ নুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। 

সভায় দেশ ও জাতীর এই ক্রান্তিলগ্নে সমমনা রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে শীঘ্রই "জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ" নামে একটি জোট আত্মপ্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় বক্তারা  বৈষম্য বিরোধী ছাএ আন্দোলনের নবগঠিত  রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতা একবারই হয়।২৪ ' র বিপ্লব  আর স্বাধীনতা নিয়ে দেশে ধুম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করার ষড়যন্ত্র চলছে। এটা দেশের জন্য অমঙল বয়ে আনবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ডিইউজে, ছায়া কমিটি ঘোষণা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৬:০৬
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ডিইউজে, ছায়া কমিটি ঘোষণা

ছবি সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)’র ঘোষিত ফলাফল ও পুনরায় ভোট গণনার অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিন দফা দাবী আদায়ের লক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন পরিচালনার জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ ছায়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ রবিবার বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মজিদ এই কমিটি ঘোষণা করেছেন। এই সময় ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একদল সদস্য উপস্থিত থেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে ঘোষিত কমিটিকে সমর্থন জানান।

কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ (ঢাকা ডিপ্লোমা), সিনিয়র সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম (দৈনিক ইত্তেফাক), সহ সভাপতি এস এম মোশাররফ হোসেন (সাম্প্রতিক দেশকাল), সাধারণ সম্পাদক উম্মুল ওয়ারা সুইটি (দৈনিক দেশ রুপান্তর), যুগ্ম সম্পাদক আছাদুজ্জামান (দৈনিক বাংলাবাজার), কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন ইমন (দৈনিক সমকাল (সাবেক), সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু হামিদ (নাগরিক টিভি), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাসুম আহমেদ (দৈনিক ইনকিলাব), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাজাহান সাজু (দৈনিক সকালের সময়), দপ্তর সম্পাদক এম জহিরুল ইসলাম (দৈনিক বাংলাদেশের খবর), কল্যাণ সম্পাদক জুবায়ের চৌধুরী (সরাসরি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (আজকালের খবর), নারী বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা পারভিন (বিটিভি)। এছাড়া নির্বাহী পরিষদের সদস্য ঘোষণা করা হয়েছে খায়রুল আলম, রেজাউল করিম রেজা, রফিকুল ইসলাম সুজন, সাইফ আলী, জাহাঙ্গীর খান বাবু, শাহেদুর রহমান শাহেদ ও রাগেবুল রেজা।  

এদিকে ডিইউজের নির্বাচিত ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে ভোট পুনরায় গণনার আবেদন করেছেন সিনিয়র সহ সভাপতি প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী জুবায়েদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক প্রার্থী আছাদুজ্জামান। আবেদন করলেও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় অদ্য রবিবার বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক ও সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের নেতৃত্বে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থীদের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় ফলাফলে সংক্ষুব্ধ সভাপতি প্রার্থী আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে ডিইউজে’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খায়রুল আলম, কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম ও জাস্টিস ফর জার্নালিষ্টের সভাপতি কামরুল ইসলামসহ একদল ডিইউজে সদস্য দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অভিযোগ নিষ্পত্তি করার পর ক্ষমতা হস্তান্তর অনুষ্ঠান আয়োজন করার অনুরোধ জানান।

এ সময় কামরুল ইসলাম বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক বরাবর আবেদন জানিয়ে বলেন ডিইউজের গঠনতন্ত্রে উল্লেখ্য আছে ভোট সমান সমান হলে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে। তাই এই দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অবৈধ। অর্থাৎ অবৈধ অনুষ্ঠান করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নকে বিভক্ত করবেন না। এ সময় উপস্থিত সংক্ষুব্ধ সাংবাদিক নেতারা তাকে সমর্থন জানান। এই আবেদন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক আমলে না নিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে থাকলে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা একযোগে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান বর্জন করে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এসে অবস্থান করেন।

এ সময় ডিইউজে কার্যালয়ে জাস্টিস ফল জার্নালিষ্টের সভাপতি কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের ছায়াকমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এই কমিটি ডিইউজের সৃষ্ট জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন।

জরুরী সভার পর ছায়া কমিটি ঘোষণা শেষে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জড়ো হলে বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ঘোষিত কমিটির বিরোধিতা করে সদস্যদের সাথে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে ক্লাবের ভেতরে চলে যান।


বার্তা প্রেরক,
 
(শাহিন বাবু)
মহাসচিব, জাস্টিস ফর জার্নালিস্ট

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয়তাবাদী শক্তি সঠিক পথেই আছে: প্রফেসর ড. আকরাম আলী


কর্ণেল আকরাম: লেখক ও কলামিস্ট: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৩:২৮
জাতীয়তাবাদী শক্তি সঠিক পথেই আছে: প্রফেসর ড. আকরাম আলী

ছবি সংগৃহীত: তারেক জিয়াসহ বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ

 

নিউজ: জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোর গুরুত্ব জাতির এই সংকটময় সময়ে অপরিসীম। ১৯৭৫ সালের পর থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বদানে বিএনপি বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।  

সার্বভৌম বাংলাদেশের গঠনে বিএনপির ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল অক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। বিএনপি কখনো জনগণের বা দেশের বিপক্ষে অবস্থান নেয়নি, যদিও কিছু ভুল-ত্রুটি ছিল। ইতিহাস সর্বদা জিয়াউর রহমান ও বিএনপির ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করবে।  

বিএনপি জনগণের প্রতি অনুগত ও জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে সাফল্যের নজির স্থাপন করেছে। জনগণের বিশ্বাস, বিএনপি বর্তমান জাতীয় সংকট মোকাবিলায় নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।  

সম্প্রতি বিএনপির রিজভী আহমেদের একটি বিবৃতি সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং এটি সময়োপযোগী ও যথাযথ প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য হয়েছে। এ বিবৃতি বিএনপির সত্যিকারের অবস্থানকে পরিষ্কার করেছে, বিশেষ করে ভারতের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর করতে সহায়ক হয়েছে।  

এ বিবৃতি ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারকে খণ্ডন করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে বিএনপি দেশের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়তাবাদী শক্তি। জনগণ আন্তরিকভাবে আশা করে, বিএনপি অতীতের মতোই বিচক্ষণতার সঙ্গে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।  

বর্তমান সময়ে বিএনপির ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। পুরো জাতি তাদের নেতৃত্বে সাদরে অপেক্ষা করছে। এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো দেশের প্রতিভাবান জাতীয়তাবাদী মানুষদের খুঁজে বের করা, যেমন জিয়াউর রহমান করেছিলেন।  

১৯৭৫ সালের নভেম্বর বিপ্লবের সময় জিয়ার নেতৃত্বে যে কাজগুলো সম্ভব হয়েছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা হয়তো সম্ভব নয়। কিন্তু তার কাজের চেতনা বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা দিতে পারে।  

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লব বিভিন্ন কারণে ১৯৭৫ সালের নভেম্বর বিপ্লব থেকে ভিন্ন। সেই সময় ভারত ও আওয়ামী লীগ জিয়ার সরকারকে চ্যালেঞ্জ করার অবস্থানে ছিল না। জিয়া দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং চীনকে কৌশলগত অংশীদার করে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছিলেন।  

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। ভারত ও আওয়ামী লীগ উভয়ই বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করতে সক্ষম। আওয়ামী লীগ তাদের বিপুল অর্থ ব্যবহার করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে ভারত, যাদের ট্রাম্প প্রশাসনের মিত্র হিসেবে শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে, বর্তমান সরকারের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পিছু হটবে না।  

আমাদের সামনে যে পথ খোলা তা হলো বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তির ওপর নির্ভর করা। পাশাপাশি চীনের মতো একটি ভেটো ক্ষমতাধারী দেশের সঙ্গে দ্রুত ও শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং শত্রুর শত্রু পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করার কথা বিবেচনা করা। বাকিটা আল্লাহ তায়ালার ওপর নির্ভরশীল। ইনশাআল্লাহ, তিনি আমাদের সঠিক পথ দেখাবেন।


লেখক: সম্পাদক, সামরিক ইতিহাস জার্নাল এবং আইনের অধ্যাপক।

 

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - গণমাধ্যম