a ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা
ঢাকা মঙ্গলবার, ৬ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৫ মার্চ, ২০২৫, ০৭:০৪
ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মতবিনিময় সভা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় মালিবাগে বিএলডিপি কার্যালয়ে সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এক মত বিনিময় সভা সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনডিপির চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মহিবউল্যা শান্তিপুরী,জাতীয় মুক্তি দলের চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিম, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মির্জা আজম, বাংলাদেশ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ,বিএনডিপির চেয়াবম্যান শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা এসএম আমানুল্লাহ, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব এডঃ সরোয়ার মিয়া,জাতীয় মুক্তি দলের মহাসচিব আব্দুল আহাদ নুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। 

সভায় দেশ ও জাতীর এই ক্রান্তিলগ্নে সমমনা রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে শীঘ্রই "জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ" নামে একটি জোট আত্মপ্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় বক্তারা  বৈষম্য বিরোধী ছাএ আন্দোলনের নবগঠিত  রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতা একবারই হয়।২৪ ' র বিপ্লব  আর স্বাধীনতা নিয়ে দেশে ধুম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করার ষড়যন্ত্র চলছে। এটা দেশের জন্য অমঙল বয়ে আনবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইনস্টাগ্রামে মুছে ফেলা ছবি ফেরত পাওয়ার নিয়ম


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:০৬
ইনস্টাগ্রামে মুছে ফেলা ছবি ফেরত পাওয়ার নিয়ম

ফাইল ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীতে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইনস্টাগ্রাম। বিশেষ করে সেলিব্রেটিদের এই মাধ্যমটি বেশি ব্যবহার করতে দেখা যায়, মাঝে মাঝেই শোনা যায় কারো না কারো আইডি হ্যাক হয়ে গিয়েছে বা ভুলবশত নিজের একাউন্ট এর সব ছবি ডিলেট করে দিয়েছে। সে কথা চিন্তা করেই বিশেষ এক সুবিধা নিয়ে আসলো ইনস্টগ্রাম। ইনস্টাগ্রাম তাদের অ্যাপে এইবার নিয়ে আসলো নতুন একটা ফিচার  যার মাধ্যমে সহজেই মুছে ফেলা ছবি আবার ফিরিয়ে আনা যাবে।

বিশেষ করে হ্যাক হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্ট এর সকল ছবি হ্যাকার ডিলিট করে দেয় কিন্তু যখন অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা হয় তখন সেই পুরনো ছবি ফিরে পাওয়া যায় না।

মাঝে মাঝে আমরা নিজেরাও ভুল করে আমাদের একাউন্টের ছবি ডিলিট করে থাকি। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই ইনস্টাগ্রাম এই নতুন ফিচার যুক্ত করেছেন। নতুন সংস্করণ থেকে অ্যাকাউন্ট করলে রিসেন্টলি ডিলিটেড’ নামের নতুন একটি ফোল্ডারে জমা হবে ডিলিট করা ছবি সেখান থেকেই চিরতরে মুছে ফেলা যাবে অথবা পুনরুদ্ধার (রিস্টোর) করা যাবে।

যা সাধারণত ডেস্কটপ,ল্যাপটপের রিসাইকেল বিনের মতো কাজ করবে। কিন্তু এই সুবিধা নিতে হলে অবশ্যই পাসওয়ার্ড লাগবে। 

ছবি, ভিডিও, রিল, আইজিটিভি ভিডিও থেকে স্টোরিজ পর্যন্ত সব ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে এই ফিচার। এই ফাইল গুলো ৩০ দিন পর্যন্ত রিসেন্টলি ডিলিটেড নামের ফোল্ডারে জমা থাকবে।

এই ফিচার ব্যাবহার করার জন্য যেতে হবে হবে সেটিংস > অ্যাকাউন্ট > রিসেন্টলি ডিলিটেড অপশনে।

অনেক চিন্তাভাবনার পর অবশেষে এই সুবিধাটি গ্রাহকদের দেয়া হচ্ছে। ইনস্টাগ্রাম এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছেন ‘আমরা জানি, হ্যাকার অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস পেয়ে গেলে কখনো কখনো অ্যাকাউন্টের ছবি সহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট ডিলিট করে ফেলেন। তাই যেন সবার প্রিয় মূহুর্তের ছবিগুলো যেন হারিয়ে না যায় সে পরিকল্পনা থেকেই এই ফিচার যুক্ত করা। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পদ্মা সেতু আমাদের অহঙ্কার, সক্ষমতার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী


খোরশেদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২, ১২:০০
পদ্মা সেতু আমাদের অহঙ্কার, সক্ষমতার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রমত্তা পদ্মার বুকে পদ্মা সেতু বাঙালির অহঙ্কার, গর্ব ও সক্ষমতা ও মর্যাদার প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। তার সঙ্গে মঞ্চে আসীন হন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আরও আসীন হন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

এর আগে উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোটি কোটি দেশবাসীর সঙ্গে আমিও আজ আনন্দিত, গর্বিত এবং উদ্বেলিত। অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে আজ বহু কাঙ্ক্ষিত সেতু দাঁড়িয়ে গেছে।

‘এই সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহার কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয়, এ সেতু আমাদের অহঙ্কার, আমাদের গর্ব, আমাদের সক্ষমতা, আর মর্যাদার প্রতীক। এ সেতু বাংলাদেশের জনগণের। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ, আমাদের সৃজনশীলতা, আমাদের সাহসিকতা, সহনশীলতা আর জেদ। সাবাস বাংলাদেশ, আমরা মাথা নোয়াবো না। আমরা মাথা নোয়াইনি।’ –বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের ফলে আমাদের সেতু নির্মাণ খানিকটা বিলম্বিত হয়েছে, কিন্তু আমরা হতোদ্দম হইনি। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার ভেদ করে আমরা আলোর মুখ দেখেছি। পদ্মার বুকে জ্বলে উঠেছে লাল, নীল, সবুজ, সোনালি আলোর ঝলকানি। ৪১টি স্প্যান যেন স্পর্ধিত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন, বাঙালিকে কেউ 'দাবায়ে রাখতে পারবে না, পারেনি। আমরা বিজয়ী হয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো আপস করা হয়নি। এই সেতু নির্মিত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে। সম্পূর্ণস্বচ্ছতা বজায় রেখে পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে। পদ্মা সেতুর পাইল বা মাটির গভীরে বসানো ভিত্তি এখন পর্যন্ত বিশ্বে গভীরতম।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত এই সেতুর পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এ রকম আরও বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে এই সেতুর নির্মাণ পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে প্রকৌশলবিদ্যার পাঠ্য বইয়ে অন্তর্ভুক্ত হবে- এটা নিশ্চিত।

বিশ্বের সেরা প্রযুক্তিতে নির্মিত এ দৃষ্টিনন্দন দ্বিতল পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে স্টিল ও কংক্রিট স্ট্রাকচারে। বহুমুখী এই সেতুর উপরের ডেক দিয়ে যানবাহন এবং নিচের ডেক দিয়ে চলাচল করবে ট্রেন। সেতু চালু হওয়ার পর সড়ক ও রেলপথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে, অন্যদিকে অর্থনীতি হবে বেগবান। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাষণে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে জড়িত জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে স্মরণ করেন।

এই সেতু নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ পরার্শক, ঠিকাদার, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ, শ্রমিক, নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শেখ হাসিনা। সূত্র: সমকাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - গণমাধ্যম