a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গতকাল ২৭ এপ্রিল বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ-এর ভিআইপি হলে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ(বাসকপ) কর্তৃক আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাসকপের চেয়ারম্যান, সিনিয়র সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে ৩২ বছরের ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(অব.) মো. কফিল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসকপ-এর উপদেষ্টা এডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু।
প্রধান অতিথি জনাব কফিল উদ্দিন সাংবাদিকদের সাহসিক কাজের ভূয়সি প্রশংসা করেন এবং সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও দেশের যে কোন দূর্যোগ সময়গুলোতে জনগনের পাশে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি এডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু অন্য এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার তাগিদে তাঁর স্বল্প ভাষণে বলেন, সাংবাদিক সমাজ একটি দেশের বিবেক! তাই তাদের যে কোন সংবাদ পরিবেশনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন না হয় বা বিশৃংখলা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রধান বক্তা বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুলের দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য। তিনি বলেন, আজ আমরা চায়ের টেবিলে অতি অল্প সময়ে দেশ-বিদেশের সকল খবর এক মূহুর্তেই জানতে পারছি। এটা সম্ভব হচ্ছে দেশ-বিদেশে প্রান্তিক পর্যায়ে সাংবাদিক ভায়েরা তাদের নিরলস কাজের মাধ্যমে। মোটকথা, তারা প্রতিটা সময়ে যুদ্ধের মাঝে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। কারণ দেশ-বিদেশে প্রতিটি জায়গায় বড় বড় রাঘব-বোয়ালদের চোখ রাঙ্গানি উপেক্ষা করে সাংবাদিকদের পেশা দারিত্বের কাজ করে যেতে হয়। তাদের এসব সাহসী কাজ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিক ভাই আক্রান্ত হয়ে আহত-নিহত হন। আমাদের বিশেষ করে বাসকপের সাংবাদিক ভাই-বোনদের পেশাদারিত্বের কাজ করতে গিয়ে কোথাও কোন বাঁধার সম্মুখীন হলে আমাদের সবাইকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরও বলেন, কিছু সাংবাদিকদের তাদের বিতর্কিত কাজের কারণে তাদের সাংবাদিক না বলে সাংঘাতিক বলা হয়। এটা যেন বাসকপ-এর কোন সদস্যদের মাঝে দেখা না যায়, সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে বিশেষ নজর রাখার অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বাসকপের চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ঈদ পুনর্মিলনী শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি বাসকপের সকল সাংবাদিকদের পেশাদারিত্বের সহিত ও আরও সতর্কতার সহিত কাজ করার আহ্বান জানান। সাংবাদিক সমাজের যে কিছু কিছু দূর্নাম রটেছে তা বাসকপের সদস্যদের কাজের মাধ্যমে অত্র সংগঠনের সুনাম সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাসকপ-এর সদস্যদের সতর্ক বার্তাও জানান, কোন সদস্য অত্র সংগঠনবিরোধী বা দেশদ্রোহী কোন সংবাদ বা কাজে লিপ্ত হলে সংগঠন থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান।
বাসকপের মহাসচিব জনাব সালেহ আহম্মদ তার সূচনা বক্তব্যের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাংবাদিক ভাই-বোনেরা তাদের মূল্যবান মতামত প্রকাশ করেন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।
ফাইল ছবি
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, চলতি মাসেই কিছু আইপি টিভির অনুমোদন দেয়া হবে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী আইপি টিভি সংবাদ পরিবেশন করতে পারবে না।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এসময় তিনি জানান, দেশে কোনো আইপি টিভির অনুমোদন নেই। আমরা ইত্যোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু করেছি এবং আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬০০ এর মতো আবেদন জমা পড়েছে। আমরা খুব সহসা, এ মাসের মধ্যেই অনুমোদন দেব। যেহেতু আমরা অনুমোদন দেয়া শুরু করিনি, তাই কোনোটার অনুমোদন নেই।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরেরও আইপি টিভিরও অনুমোদন নেই। কিছু আইপি টিভির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা সময় সময় ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কিছু কিছু আইপি টিভি দেখা গেছে ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়। তারপর নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ায়, নানা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করে, সংবাদ পরিবেশন করে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ যদি আমাদের নজরে আসে, তাহলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ইতোমধ্যে অনেকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ছবি সংগৃহীত: তারেক রহমান
নিউজ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, মনে রাখবে, যদি তোমরা আগামী দিন সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে যাও, তাহলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ তোমাদের সঙ্গে আছে, ইনশাল্লাহ তোমাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও তারা থাকবে। মনে রাখবে, বাংলাদেশের জনগণই বিএনপি, তথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।
আজ ঐতিহাসিক ৩ আগষ্ট, রবিবার রাজধানীর শাহবাগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রদল আয়োজিত সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে আমার সামনে উপস্থিত ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় লাখো লাখো মুখ, তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে তোমরাই প্রতিষ্ঠিত করবে নিজেদের অধিকার। আজকে প্রবীণ যারা, তাদের অভিজ্ঞতা, পরামর্শ আর তোমাদের বিচক্ষণ ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকায় নির্মিত হবে ইনশাল্লাহ আগামী দিনের বাংলাদেশ, লাখো শহীদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ।
তারেক রহমান বলেন, দেড় দশকের ফ্যাসবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের হাজার হাজার নেতাকর্মী হতাহত হয়েছে। মামলা, হামলা, জেল-জুলুম, নির্যাতন, খুন, গুম, অপহরণের শিকার হয়েছে ছাত্রদলের হাজার হাজার নেতাকর্মী। শুধু এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই চট্টগ্রামের ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে আমাদের, আহত হয়েছে হাজার হাজার। গণঅভ্যুত্থানের সময় শুধু ছাত্রদলেরই দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে।
তিনি বলেন, পলাতক পরাজিত স্বৈরাচার নিষ্ঠুর নির্মমতা চালিয়েও ছাত্রদলের অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখতে পারেনি। আজকের এই লাখো ছাত্র-ছাত্রী, জনতার সমাবেশ আবারও সেটি প্রমাণ করে দিয়েছে। একটি কথা তোমরা সবাই মনে রাখবে, যদি তোমরা আগামী দিন সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে যাও, তাহলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ তোমাদের সঙ্গে আছে, ইনশাল্লাহ তোমাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও তারা থাকবে। মনে রাখবে, বাংলাদেশের জনগণই বিএনপির তথা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। সূত্র: বিডি প্রতিদিন