a
ফাইল ছবি
মামুনুল হককে আলোচনা- সমালোচনা কিছুতেই তার পিছু ছাড়ছে না। একের পর এক তথ্য ও কান্ড নিয়ে সারা দেশে হৈ-চৈ ঘটেই চলছে। যা নিয়ে কৌতুহলেরও শেষ নেই দেশবাসীর।
নতুন খবর হচ্ছে যে, কুষ্টিয়ায় হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়িতে।
গতকাল সোমবার (১২ এপ্রিল) সদর উপজেলার জিয়ারখি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
সংগৃহীত ছবি
হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জরুরি বৈঠকে বসেছেন। এতে উপস্থিত আছেন সংগঠনটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার পর বৈঠকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তিনি আরও বলেন, বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’ তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ সাম্প্রতিক সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
ফাইল ফটো: বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাঁচ থেকে ছয় লাখ নারী অসম্মানিত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত, বিধবা বা নানাভাবে হয়রানি ও অপমানের শিকার হয়েছেন।
আর এসব লাঞ্ছণাকারী রাজাকার, আলবদর, আল শামসদের ১৯৭৫ সালের পর এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, তাদের গাড়িতে পতাকা ওড়ানো হয়েছে। তারা ক্ষমতায় বসে দেশকে জঙ্গিবাদে পরিণত করেছে। নারীর অবমাননাকারীরা পূনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে এলে দেশে আবারও জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে।
সোমবার ( ৮ মার্চ ) জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, প্রেস ক্লাবের প্রবীণ নারী সদস্য মাহমুদা চৌধুরী এবং নারী নেত্রী কাজী সুফিয়া আখতার।
ডা. দীপু মনি আরও বলেন, ধর্ষক বিচারের রায়ে শাস্তি পায়। আর যে নারী ধর্ষণের শিকার হন তার জন্য প্রতিদিনই মৃত্যুদণ্ড। সারাটা জীবন তাকে অস্পৃশ্য ভাবা হয়। এটা পুরোপুরি মানসিকতার ব্যাপার। আমরা ভাষা দিয়ে কীভাবে একজন নারীকে দাবিয়ে রাখি। যখন কেউ ধর্ষণের শিকার হয় আমরা বলি সম্ভ্রমহানি হয়েছে। আমাকে কুকুর কামড় দিলে তো সম্ভ্রমহানি হয় না। একটা পুরুষ ধর্ষণ করলে একটা নারীর কীভাবে সম্ভ্রমহানি হয়? সম্ভ্রমহানি তো সেই পুরুষের হওয়ার কথা। আমরা কেন ধর্ষককে সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলি না?’
সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বীরাঙ্গনাদের অনেকেই অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। তাই সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি পাঠ্যসূচিতে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র, ডকুমেন্টারি নির্মাণের সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।