a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকিতে টনক নড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। সংস্থাটির পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান জোপেস বোরেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বোরেল বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এটা ভয়ংকর সময়। রাশিয়ার আংশিক সেনা সমাবেশের নির্দেশ এবং ইউক্রেনের চার অঞ্চলে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের পর বোরেল এসব কথা বলেন।
ইউক্রেনে খানিকটা অসুবিধায় আছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। বোরেল বলেন, ‘হঠাৎ করেই এই ভয়ংকর মুহূর্ত এসে গেছে, কারণ রাশিয়ার সেনাবাহিনী কোণঠাসা এবং পুতিন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন।’
চলতি সপ্তাহে এক ভাষণে পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে রাশিয়ার হাতে থাকা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। আর বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে মোটেও তামাশা করছেন না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, বিশ্বে এক বিরাট পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল বিষয়টি হচ্ছে আমেরিকার মতো বিশ্বের দাম্ভিক শক্তিগুলো আস্তে আস্তে দুর্বল হচ্ছে এবং নতুন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির উত্থান ঘটছে।
সোমবার তেহরানে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এই সমাবেশে সিস্তান ও বেলুচিস্তান এবং দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশের হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, পাশ্চাত্যের দাম্ভিক শক্তিগুলো দুর্বল হচ্ছে। বিশ্বে আমেরিকার কর্তৃত্বের সূচকগুলো নেমে যাচ্ছে। মার্কিন কর্তৃত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর একটি শক্তিশালী মার্কিন অর্থনীতি। এখন তারা নিজেরাই বলছে তাদের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী আরও বলেন, মার্কিন কর্তৃত্বের আরেকটি সূচক হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকারের ওপর হস্তক্ষেপের সুযোগ। এটাও এখন হ্রাস পাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যারা আঘাত হানতে চায় তাদেরকে ঠেকাতে এখন আমেরিকার ব্যয়বহুল হাইব্রিড যুদ্ধ চালাতে হচ্ছে, অবশেষে তাতেও কাজ হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপের অবস্থাও আমেরিকার মতোই, তাদেরও পতন হচ্ছে। বর্তমানে আফ্রিকার জনগণ ফ্রান্সের পুতুল সরকারকে উৎখাত করছে। পাশ্চাত্যের আর সেই আগের শক্তি নেই এবং তারা ক্রমেই দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এটা বিরাট এক বৈশ্বিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূত্র : পার্সটুডে
ফাইল ছবি
দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তানের বাঘরাম বিমান ঘাঁটি ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সব সেনা সদস্য। শুক্রবার এএফপিকে বিষয়টি জানায় যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা।
বাঘরাম ঘাঁটি এতদিন ধরে তালেবান এবং আল কায়েদার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
ওই কর্মকর্তা বলেন, বাঘরাম ঘাঁটি থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সেনা কখন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তা তিনি বলেননি।
বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহারের পর এ ঘাঁটি কখন আফগানিস্তানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে এ বিষয়েও কিছু বলেনি এই কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি