a
ফাইল ছবি
চলতি অক্টোবরে আরও ৫ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। রবিবার বিকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভায় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
কর্মসূচির মধ্যে ১টি রাজনৈতিক ও ৪টি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি। এছাড়া ৭ অক্টোবর বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন, ১০ অক্টোবর পদ্মা সেতুর রেলসেতু উদ্বোধন, মেট্রোরেলের মতিঝিল অংশ উদ্বোধন এবং ২৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সুধী সমাবেশ করবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নাগরিক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কিছু সময় পর গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান।
শনিবার রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন অভিযোগ করেন।
খোমেনী ইহসান তার পোস্টে বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সমাবেশে হামলার নেপথ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির সারজিস আলম জড়িত। হামলাকারীরা এক সময় যুবদল করলেও বর্তমানে সারজিসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সারজিস আমাদের নাগরিক সমাবেশ বানচালে জড়িত থাকার অডিও ক্লিপস আমি এক ছাত্র উপদেষ্টার কাছে পাঠিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘সারজিস কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে বারবার ষড়যন্ত্র করেও আমাদের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয়েছিল। সারজিস ৫ আগস্টের পর বিপ্লবী সাজলেও আমরা তার বিরোধিতা অব্যাহত রাখি।সে সচিবালয়সহ বহু জায়গায় নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত ছিল। এনিয়ে আমরা সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সরকারের কাছে আপত্তি জানাই। পরবর্তীতে ছাত্রদের একজনের কারণে তার বিষয়ে ছাড় দেই।’
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘সারজিস হয়তো ভাবছে তার নরমালাইজেশন হয়ে যাওয়ায় সে জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে উঠে গেছে। না ভাই এমনটি মনে করো না। আমরা সমর্থন প্রত্যাহার করলে তোমরা কয়দিন টিকতে পারবে তা গুণে দেখ। আমরা ছাত্রদের ব্যর্থ দেখতে চাই না বলে তোমাদের সঙ্গে বিরোধিতায় যেতে চাই না। কিন্তু এর মানে এও নয় যে, দলগত ছাড় সবার কপালে জুটবে।’
আরেকটি স্ট্যাটাসে খোমেনী বলেন, আমি সরকারের কাছে যে অডিও ক্লিপিংস জমা দিয়েছি তাতে স্পষ্ট শোনা যায়, সারজিস আলম বলছে- ‘জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সমাবেশে কোনো শহিদ পরিবার যোগ দিলে ভালো হবে না’।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকালে জুলাই হত্যাকাণ্ডসহ বিগত ১৫ বছরের একাধিক হত্যাকাণ্ডের বিচার, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বিপ্লবী সরকার গঠনসহ একাধিক দাবিতে নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। অনুষ্ঠানে ফারুক হাসানকে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ফারুক হাসান তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারব্যবস্থার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সংবিধান ছুড়ে দিয়ে আমরা বিপ্লবী সরকার করেছি। আমরা অন্তর্বর্তী সরকার চাইনি। এই বিপ্লব না হওয়ার পেছনে ৫ আগস্ট যারা সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছে, তাদের হাত আছে।
পৃথক আরেক পোস্টে খোমেনী ইহসান বলেন, ‘ফারুক হাসানের ওপর হামলাকারীদের সঙ্গে সারজিসের ছবি, জাতীয় নাগরিক কমিটির মিটিংয়ে হামলাকারীদের উপস্থিতির ছবিও ফেসবুকে আছে। তাই তাদের ছবি ও পরিচয় সবার কাছেই স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর হামলার নেপথ্য নায়ক সারজিসকে বাদ দিয়ে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদকে দোষারোপ করার নোংরা প্রচারণা টিকবে না। আমাদের কর্মসূচিতে হামলা হওয়ার পর উল্টা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের নোংরামি করা সব তরুণ নেতাই জব্দ হবে ইনশাআল্লাহ।’
ফারুক হাসানকে নিয়ে আরেকটি পোস্ট জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের এই নেতা বলেন, সে আমাদের পছন্দের মানুষ ও সজ্জন। তার ওপর আমাদের কারো হামলা করার প্রশ্নই আসে না। বরং আমাদের ওপর হামলা করতে এসে ফারুককে হামলা করেছে। খেয়াল করলে দেখবেন, হামলাকারীরা ফারুককে মেরেছে বর্তমান সরকার ভেঙে বিপ্লবী সরকার গঠনের কথা বলায়। আমাদের আজকের রূপরেখার মূল প্রস্তাব কিন্তু বর্তমান সরকার ভেঙে বিপ্লবী সরকার গঠনের বিষয়েই ছিল। তাই হামলাকারীর ফারুকের মুখে বিপ্লবী সরকারের কথা শুনেই তার ওপর ঝাপিয়ে পড়েছে।
একই পোস্টে সারজিসের প্রসঙ্গ টেনে খোমেনী বলেন, আমরা শহিদ পরিবারদের কাছে সারজিসদের মুখোশটা খুলে দিতে পেরেছি। খেয়াল করলে দেখবেন যে সব শহিদ মিডিয়ার ফোকাসে নাই, যাদের পরিবার গরিব অসহায়, তারাই আমাদের সমাবেশে এসেছিলেন। এই মানুষগুলো দিনের পর দিন ঘুরে সারজিসদের দেখা পেত না। এখন তারা আরেকটি প্লাটফর্ম পাওয়ায় শহিদদের নিয়ে ওদের ব্যবসা ধরে টান পড়েছে। শহিদরা আজ জাতীয় বিপ্লবী পরিষদে আসছে, কাল বিএনপিতে যাবে। শহিদরা অন্য জায়গায় সমাদৃত হলে সারজিসদের মনোপলি শেষ। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে রাশিয়ার অংশ বলে দাবি করলেন দেশটির স্বশাসিত অঞ্চল ডোনেটস্কের প্রেসিডেন্ট দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন।
তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রাশিয়ার অংশ এবং এগুলোকে অবশ্যই মুক্ত করে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন বুধবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক পোস্টে লিখেছেন, কিয়েভ, খারকিভ ও ওডেসার মতো ‘রুশ শহরগুলো’ মুক্ত করার সময় এসেছে। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’ এর প্রতিবেদনে এমনটিই দাবি করা হয়েছে।
রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রশ্নগুলোতে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের নির্লিপ্ততার সমালোচনা করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ২১ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডোনেটস্ক ও লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার নির্দেশ দেন পুতিন। গত পাঁচ মাস ধরে চলা এ অভিযানে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের অনেক অঞ্চল দখল করে নিয়েছে রাশিয়া।
ডোনেৎস্কের প্রেসিডেন্ট আরও লিখেছেন, “রাশিয়ার জনগণের হাতে নির্মিত শহরগুলোকে মুক্ত করে রাশিয়ায় ফেরত আনার সময় এসেছে; কিয়েভ, চেরনিহাভ, পুলতাওয়া, ডেনপ্রোপেত্রোফেস্ক, খারকিভ, ওডেসা, জাপোরিঝঝিয়া এবং লুটেস্ককে অবশ্যই মুক্ত করতে হবে। সূত্র: ফক্সনিউজ