a তিন দফা দাবি আদায়ে গণ–অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
ঢাকা বুধবার, ১১ চৈত্র ১৪৩২, ২৫ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

তিন দফা দাবি আদায়ে গণ–অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫, ১০:০৫
তিন দফা দাবি আদায়ে গণ অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: তিন দফা দাবিতে ঢাকার কাকরাইল মোড়ে প্রায় ৫০ ঘণ্টা ধরে অবস্থান কর্মসূচির পর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে গণ-অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। আজ শুক্রবার বিকেল চারটায় অনশন শুরু করেন তাঁরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন মঞ্জুর মোর্শেদ আজ ১৬ ই মে, ২০২৫ ( শুক্রবার)  গণ–অনশন শুরুর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমাদের গণ–অনশন শুরু। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের গণ–অনশন কর্মসূচি চলবে।’

এর কিছুক্ষণ পর প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। গণ–অনশনের শুরুতে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তাঁরা।

গতকাল ১৫ ই মে, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) রাত পৌনে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি হিসেবে আজ সকাল ১০টায় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা দিয়ে সমাবেশের সময় পেছানো হয়। সে অনুযায়ী আজ পবিত্র জুমার নামাজের পর বেলা সোয়া ২টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।

উল্লেখ্য যে গত ১৪ ই মে (বুধবার) তিন দফা দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষার্থীরা "লং মার্চ টু যমুনা " কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন স্তরের পুলিশি বাঁধা পেরিয়ে  টিয়ার গ্যাস, গরম মানি, লাঠি পেটা, সাউন্ড গ্রেনেড কে উপেক্ষা করে কাকরাইলে যমুনা অভিমুখে অবস্থান নেয়।  আজ তৃতীয় দিনের মতো তাদের এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান রাখার ঘোষণা রয়েছে। 

জবিয়ানদের  তিন দফা দাবি হলো- 
১. আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে 
২. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন করতে হবে
৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জবির বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠিত


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২, ০৯:৪৩
জবির বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠিত

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার(১৬ মার্চ) বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব  হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানের  প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সদস্য বৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির সদস্য ও হলে সিট প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ে প্রধান অতিথি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়েছিলেন । তিনি বলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়  একটি অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিয়েও বিশ্ববিদ্যালয়টি দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে। আশাবাদী, শীঘ্রই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি আধুনিক ক্যাম্পাস ও রোল মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে‌।

এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ ইমদাদুল হক। তিনি বলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবারের মতো একটি ছাত্রী হলের উদ্বোধনের মাধ্যমে ছাত্রীদের আবাসিক সংকট দূর করতে পেরেছি। যদিও আমরা সব শিক্ষার্থীদের হলে থাকার সুযোগ দিতে পারেনি।

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম বলেন- দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর শেষে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শুভ দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হল উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করেছি। এই হলের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় ও কোষাধ্যক্ষ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ আমাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, হলের পরিবেশ রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব তোমাদের। আমি তোমাদে হলে উঠাতে  পেরে খুবই আনন্দিত। আগামীকাল (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে হলে উঠতে পারবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাএলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব এস. এম. আকতার হোসাইন বলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হল পাওয়ার পেছনে রয়েছে এক ইতিহাস। এই হল আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ পুলিশের লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে কাঙ্খিত হল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল। তৎকালীন হল আন্দোলনে সাবেক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্বরূপ আজকের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। একপর্যায়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ১৬ তলা বিশিষ্ট হলে নেই কোন প্রহরী, নেই কোনো রেজিস্ট্রার অফিস, নেই অফিস সহায়ক কর্মকর্তা এভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় হল চলতে পারে না।

ছাত্রলীগ‌ শাখার সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী বলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক যে কালিমালিপ্ত ছিল তা আজ থেকে আর থাকবে না। হল পাওয়ার পেছনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল অনবদ্য। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি রোল মডেল বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিতি লাভ করবে। বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস দীর্ঘ বছর অতিক্রম হওয়ার পরও কোনো অগ্রগতি নেই। খুব শীঘ্রই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন ও হল নির্মাণের জন্য আবেদন প্রশাসনের নিকট।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সুদানে লড়াই চলছে, রাজধানী থেকে পালাচ্ছে মানুষ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩, ১২:৫৭
সুদানে লড়াই চলছে, রাজধানী থেকে পালাচ্ছে মানুষ

ফাইল ছবি

সুদানে সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর লড়াই পঞ্চম দিনে পড়েছে। খার্তুমে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই। মানুষ পালাচ্ছে শহর থেকে। সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে আরেকটি অস্ত্রবিরতির চেষ্টা হয়েছিল। বিদেশি রাষ্ট্রগুলো জানিয়েছিল, তাদের নাগরিকদের সুদানের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা অস্ত্রবিরতি দরকার।

সেই অস্ত্রবিরতি বুধবার (১৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টা থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খার্তুমের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারপরেও তারা সমানে গোলা-গুলির শব্দ পেয়েছেন। প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ ও সেনার সদর দফতরের কাছ থেকে অনেক গোলার আওয়াজ এসেছে।

সুদানে সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর লড়াই পঞ্চম দিনে পড়লো। সুদানে সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর লড়াই পঞ্চম দিনে পড়লো।

জাতিসংঘের মতে, এখনো পর্যন্ত ২৭০ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন দুই হাজার ৬০০ জন। তবে প্রকৃত সংখ্যাটা এর থেকেও অনেক বেশি হতে পারে। সমানে বোমা পড়ছে বলে আহতদের রাস্তা থেকে নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না।

সুদানের বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ও বিমানের শব্দ সারাদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। আধাসামরিক বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ানদের গাড়িতে করে খার্তুমের রাস্তায় ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। বন্দুকধারীরা লুটতরাজও চালাচ্ছে বলে খবর এসেছে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস

সর্বোচ্চ পঠিত - আমার ক্যাম্পাস

আমার ক্যাম্পাস এর সব খবর