a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আজ ২৩ জুলাই শনিবার সকাল ১০.০০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে প্রফেশনাল মুভমেন্ট অব বাংলাদেশ ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, শিক্ষক হত্যা ও অপদস্ত করা, সারাদেশে গুম, খুন ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন সংগঠনের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা, বিএনপি'র গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সংগঠনের অন্যতম সদস্য অধ্যাপক আবদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা ও পিরোজপুর জেলা বিএনপি'র আহবায়ক অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, মাদ্রাসার শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওঃ দেলোয়ার হোসেন, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ওমর ফারুক পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন চৌধুরী টিট, জাসাস ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি ডা. আরিফ হোসেন, প্রফেশনাল মুভমেন্ট অব বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক এড. মনির হসেন মারুফ বেশ কয়েকজন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন শেষে উপস্থিত সকলে দাবি আদায়ের লক্ষে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান আর নেই। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। পীর হাবিবুর রহমানের ছেলে আহনাফ ফাহিম অন্তর গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পীর হাবিবুর রহমান স্ট্রোক করলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
গত বছরের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের মাধ্যমে ক্যানসার মুক্ত হন পীর হাবিবুর রহমান। কিন্তু গত ২২ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর পরামর্শে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন।
করোনামুক্ত হলেও কিডনি জটিলতার কারণে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
বরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমান ১৯৬৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে সুনামগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
ফাইল ছবি
কিউইদের বিপক্ষে প্রথমবার দুই ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টুয়ান্টি সিরিজ জেতার দারুণ সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। লক্ষ্যটাও আহামরি কিছু ছিল না। ১২০ বলে ১২৯ রান করতে পারলেই মিরপুর শের-ই-বাংলায় রচিত হতো ইতিহাস। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে সেই আশায় গুড়োবালি। আজ ব্যাটিং ভরাডুবিতে ৫২ রানে কিউইদের বিপক্ষে সিরিজে প্রথম হারের স্বাদ পেল টিম টাইগার্সরা।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডকে ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার জন্য আমাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। তবে আমরা প্রত্যাশিত মানের ব্যাটিংয়ে করতে পারিনি। রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারলেও পরপর উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছি।’
টাইগার কাপ্তান আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ছিল মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের। যদি আমরা দুই-একটা পার্টনারশিপ গড়তে পারলে ম্যাচের ফল অন্যরকমও হতে পারতো।’ পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় খেলায় হেরে গেলেও সিরিজ জয়ে আশাবাদী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বলেন, ‘সিরিজে এখনো দুটি ম্যাচ আছে। আশা করছি, আগামী ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করবো।’
এদিকে, কিউইদের দেওয়া ১২৯ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) অগোছালো বাংলাদেশকেই দেখা গেল। ফলাফল যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। তৃতীয় ম্যাচে এসে হারের মুখ দেখে টিম টাইগার্স। অন্যদিকে, আরাধ্য জয়ের দেখা পেল সফরকারী নিউজিল্যান্ড দল। তবে ১২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই চার মেরে শুভ সূচনা করেছিলেন নাঈম শেখ।
বাংলাদেশও আশা জাগানিয়া শুরু পেয়েছিল। কিন্তু দলীয় ২৩ রানের মাথায় বাংলাদেশের চিরচেনা ওপেনিং জুটির ব্যর্থতা দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। কোল ম্যাকোঞ্চির বলে বড় শট খেলতে গিয়েছিলেন, তবে গতি বুঝতে পারেননি। ধরা পড়লেন লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে করেছেন ১১ বলে ১৫ রান। লিটনের পর ফিরেন টপ অর্ডারে প্রমোশন পাওয়া মেহেদী হাসানও। এজাজ প্যাটেলের বল জোরের উপর খেলতে গিয়ে মিস করেছেন। শেষ পর্যন্ত আউট হলেন ঘুরিয়ে খেলতে গিয়ে। মিড-অনে দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন হ্যানরি নিকোলস।
শুরু থেকেই অস্বস্তিতে থাকা মেহেদী শেষ পর্যন্ত ফিরেছেন ৪ বলে মাত্র ১ রান করে। শুরু থেকেই শট খেলার চেষ্টা করার লক্ষ্য নিয়েই যেন নেমেছিলেন সাকিব, তবে ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত খেললেও আজ শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিলেন নাঈম। অপরপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিলে দলের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধেই। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত নিরাশ করলেন। আগের ম্যাচের নায়ক মাহমুদউল্লাহও এদিন দলের হাল ধরতে পারলেন না।
ব্যক্তিগত শততম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ফিরলেন মাত্র ৩ রান করে। এজাজ প্যাটেলের বলে কাটা পড়েছেন তিনি। এছাড়া গোটা সিরিজজুড়েই যেন নিজেকে খুঁজে ফিরছেন আফিফ হোসেন। আগের ম্যাচের মতো রোববারও (৫ সেপ্টেম্বর) হতাশ করলেন তিনি। প্রথম বলেই বিদায় নিলেন আফিফ। এজাজ প্যাটেলের বলটা উইকেটে পড়ে কীভাবে স্টাম্পে আঘাত হেনেছে টেরও পাননি এই বাঁহাতি। দলীয় মাত্র ৪৩ রানের মাথায় ৬ উইকেট হারিয়ে পুরোপুরি খাদের কিনারায় পড়ে টিম টাইগার্স। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।