ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
Mukto Sangbad Protidin

অরক্ষিত ড্রেন যেন শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ০৭:১৬
অরক্ষিত ড্রেন যেন শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রাচীর সংলগ্ন ফুটপাত দীর্ঘদিন অরক্ষিত অবস্থায় আছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনের কাজ মাস পেরিয়ে  গেলেও তাতে এখনো ঢাকনা বসানো হয়নি। তাই হাটার পথে বিপাকে পরছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীরা। কেউ চলতে গিয়ে আছড়ে পরছেন কেউ বা নিজের মূল্যবান সম্পদ খোয়াচ্ছেন।

আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লিজা নামে এক শিক্ষার্থী জানান, কিছুক্ষণ আগে আমি এপথে চলতে গিয়ে হোঁচট খাই। এতে আমি নিজেকে সামলে নিতে পারলেও আমার হাতে থাকা ফোন ড্রেনের ময়লা পানিতে পরে যায়। অন্যান্যদের সহযোগীতায় ফোনটি তোলা গেলেও এখন আর তা ব্যবহার উপযোগী নয়।

এ বিষয়ে জবি প্রক্টর মোস্তফা কামালের সাথে কথা বলা হলে তিনি জনান, ড্রেনের বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বরতদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেছেন, এসব কাজ দ্রুত শেষ হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আজও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক পাঠানো হবে এ বিষয়ে খোজ নেয়ার জন্য।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ১০:৫৪
প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ

ফাইল ছবি

 

'জিন্নাহ কলেজ' নামে ১৯৬৮ সালে সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খান জগন্নাথ কলেজের(বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্র-আন্দোলনকে নির্মূল করার জন্য মহাখালীতে অবস্থিত ডিআইটি খাদ্যগুদাম হিসেবে পরিচিত ভবনে জগন্নাথ কলেজের ডিগ্রি শাখা স্থানান্তর করেন এবং এর নামকরণ করা হয় জিন্নাহ কলেজ।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খান রেডিও-টেলিভিশনে এক ভাষণে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি স্থগিত ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে জিন্নাহ কলেজ শাখার ছাত্র সংসদের প্রথম সহ-সভাপতি (ভিপি) সিরাজউদ্দৌলার নেতৃত্বে টিপু মুনশি ও শাহাবুদ্দিনসহ তৎকালীন কতিপয় ছাত্রনেতা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জিন্নাহ্ কলেজের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। তখন আনিসুজ্জামান খোকন (জিন্নাহ কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক) জিন্নাহ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' প্রস্তাব করেন। 

২ মার্চ ছাত্রলীগের কর্মীরা মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় জড়ো হলে সেখানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রবের মধ্যস্থতায় জিন্নাহ্ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' হিসেবে চূড়ান্ত হয়। ঐ রাতেই 'তিতুমীর কলেজ' নামকরণের সাইনবোর্ড লেখা হয় এবং দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এলাকার কিছু যুবক তিতুমীর নামকরণের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেন। সেই তিতুমীর কলেক আজ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত।

সরকারি তিতুমীর কলেজে একেবারে সূচনালগ্নে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত চালু থাকলেও পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার কথা বিবেচনা করে এবং চাহিদা অনুসারে এখন শুধু স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিসমূহ চালু রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল বিভাগ এই কলেজে চালু ছিল। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পরও পূর্বের সকল কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখানে যেসকল বিভাগ চালু রয়েছেঃ

বিজ্ঞান অনুষদ:-
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত,প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)।

বাণিজ্য অনুষদ:- হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং।

কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ :
বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষা, সমাজকর্ম, ইসলামের ইতিহাস সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ৫ টি বাস। BRTC লাল বাস, সম্পর্ক, অগ্নিবীণা, সোনার তরী, সাদা বাস। 

কলেজটির ছাত্র-ছাত্রীর জন্য তিনটি আবাসিক হল রয়েছে; এগুলো হলোঃ আক্কাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাস, সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস, সিরাজ ছাত্রী নিবাস।

কলেজের উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ছাত্র সংগঠন হলো: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাব, ক্লিন এন্ড গ্রীন ক্যাম্পাস-তিতুমীর।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে আইপিএলের চতুর্দশ আসরের পর্দা উঠল


নিউজ ডেস্ক:
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৮
রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে আইপিএলের চতুর্দশ আসরের পর্দা উঠল

ফাইল ছবি

রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে পর্দা উঠেছে আইপিএলের চতুর্দশ আসরের। দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শেষ বলে রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ২ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তোলে মুম্বাই। ইন্ডিয়ান্সদের শুরুটা ভালো হলেও শেষ দিকে সেভাবে রান তুলতে পারেননি তারা। ওপেনার রোহিত শর্মা ও ক্রিস লিন শুরুতে তোলেন ২৪ রান। এরমধ্যে রোহিত ১৫ বলে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। বেঙ্গালুরু অধিনায়ক কোহলিকে সাজঘরে পাঠান বুমরাহ।

এরপর অজি ওপেনার লিন করেন ৩৫ বলে ৪৯ রান। তিনে নামা সূর্যকুমার যাদব ২৩ বলে ৩১ রান করেন। চারে নামা ইশান কিষাণ ২৮ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু শেষ দিকে হার্ডিক পান্ডিয়া ১০ বলে ১৩, কিয়েরন পোলার্ড ৯ বলে ৭ এবং ক্রুনাল পান্ডিয়া ৭ বলে ৭ রান করার সংগ্রহটা কম হয়ে যায় রোহিতদের।

ওই রান নিয়েই দারুণ লড়াই করে মুম্বাই। শুরুতে উইকেট নিয়ে ফেলে দেয় চাপে। তবে বিরাট কোহলি ৩৩ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৩৯ রান করে দলকে ভরসা দেন। এবি ডি ভিলিয়ার্স এরপর দলকে জয়ের পথে তুলে নেন। তিনি খেলেন ২৭ বলে ৪৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। শেষ দুই বলে থাকা দুই রান হার্শাল প্যাটেলরা তুলে নেন। বেঙ্গালুরু পেসার হার্শাল প্যাটেল বল হাতে ২৭ রানে তুলে নেন পাঁচ পাঁচটি উইকেট।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস