a অরক্ষিত ড্রেন যেন শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!
ঢাকা শনিবার, ২৬ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

অরক্ষিত ড্রেন যেন শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ০৭:১৬
অরক্ষিত ড্রেন যেন শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!

ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রাচীর সংলগ্ন ফুটপাত দীর্ঘদিন অরক্ষিত অবস্থায় আছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনের কাজ মাস পেরিয়ে  গেলেও তাতে এখনো ঢাকনা বসানো হয়নি। তাই হাটার পথে বিপাকে পরছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীরা। কেউ চলতে গিয়ে আছড়ে পরছেন কেউ বা নিজের মূল্যবান সম্পদ খোয়াচ্ছেন।

আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লিজা নামে এক শিক্ষার্থী জানান, কিছুক্ষণ আগে আমি এপথে চলতে গিয়ে হোঁচট খাই। এতে আমি নিজেকে সামলে নিতে পারলেও আমার হাতে থাকা ফোন ড্রেনের ময়লা পানিতে পরে যায়। অন্যান্যদের সহযোগীতায় ফোনটি তোলা গেলেও এখন আর তা ব্যবহার উপযোগী নয়।

এ বিষয়ে জবি প্রক্টর মোস্তফা কামালের সাথে কথা বলা হলে তিনি জনান, ড্রেনের বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বরতদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেছেন, এসব কাজ দ্রুত শেষ হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আজও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক পাঠানো হবে এ বিষয়ে খোজ নেয়ার জন্য।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে "জবি ঐক্য" প্লাটফর্মের চার দফা দাবি


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ০৮:৩২
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সক্রিয় সকল রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী সমন্বয়ে ‘জবি ঐক্য’ নামক একটি নতুন প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই সমাবেশ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বাজেট বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হল সংকট নিরসনের জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধক্ষ সবিনা শারমিন বলেন,  ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আবাসন ভাতা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। ইউজিসির সাথে বৈঠক করে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রইছ উদ্দিন  বলেন, ‘আমরা অতীতে বহু প্রশাসনকে দেখেছি যারা বাহির থেকে এসে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়িত করেছে শুধু। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা নিয়ে ভাবে নি। আমি লক্ষ করেছি পূর্বে যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন আন্দোলন হয়েছে তখন প্রশাসন আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে দমন করতে চেয়েছে। আবাসন আমাদের ন্যায্য অধিকার। অতীতে আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এখন আর কোন ধরনের বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না।’

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. বিলাল হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভবন বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা কেন আমাদের ক্যাম্পাসকে উন্নত করতে পারছি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আমাদের দাবি একটাই—প্রথম ক্যাম্পাসকে সুসজ্জিত করতে হবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অতি দ্রুত সেখানকার কাজ শেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে বিকেল ৩টার পর বাস ছেড়ে যায়, ফলে ক্যাম্পাস কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও মাঝপথে ছেড়ে বাস ধরতে হয়। এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে আমরা রাত ১০টা কিংবা ১২টা পর্যন্তও কাজ চালিয়ে যেতে পারি।”

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী নূর নবী বলেন, “প্রতিটি স্তরেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ে এমন কিছু স্বৈরাচারী দোসর বসে আছে, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে জবির বাজেট আটকে দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ১১টি হলের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেগুলো বিভিন্ন গোষ্ঠীর দখলে। প্রশাসন এখনও এসব হল বা জমি উদ্ধার করতে পারেনি। বলা হচ্ছে, জমিগুলো ভেস্টেড প্রপার্টি (ভিপি), যেখানে নির্মাণের অনুমতি নেই। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক হলই ভিপি জমিতে গড়ে উঠেছে। এই বৈষম্যের জবাবদিহিতা আমাদের কাছেই করতে হবে।”

ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী বলেন, “আমরা যখন অধিকার আদায়ের জন্য শিক্ষকদের পাশে চাই, তখন অনেক শিক্ষক আমাদের সহায়তা করেন না। তারা আমাদের অবজ্ঞা করেন। এতে আমাদের লজ্জা লাগে, কিন্তু শিক্ষকরা লজ্জা পান না—কারণ তারা আমাদের সন্তান মনে করেন না। অথচ শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বড় লিডার, এটি সবার মনে রাখা উচিত।”

শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি
১. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেট বৃদ্ধি করতে হবে এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে অন্তত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ভাতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
২. দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পুরান ঢাকার ড. হাবিবুর রহমান হল ও বাণী ভবনের নির্মাণকাজ আগামী ১০ মে ২০২৫-এর মধ্যে শুরু করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হল ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতি ১৫ দিন অন্তর মুক্তমঞ্চে এসে অবহিত করতে হবে।
৪. আগামী ১৫ মে ২০২৫-এর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

স্থল ইউনিটি স্পোর্টিং ক্লাব ২-০ গোলে রংধনু স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে


ফয়সাল, সি. রিপোর্টার, সরিষাবাড়ি
রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৯:৩৬
স্থল ইউনিটি স্পোর্টিং ক্লাব ২-০ গোলে রংধনু স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে

ছবিঃ মারুফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, সরিষাবাড়ি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্র/ছাত্রীদের পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি গভীর আগ্রহ বাড়াতে ফুটবলসহ নানা খেলাধুলায় অংশগ্রহণ সুযোগ সৃষ্টি এবং অনেকে নিজেরাও সম্পৃক্ত হয়ে যুব সমাজকে নানা অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত করার এক মহতি উদ্যোগ সারাদেশে চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় সরিষাবাড়ি উপজেলাধীন স্থল ইউনিটি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা রংধনু স্পোর্টিং ক্লাব ও স্থল ইউনিটি স্পোর্টিং ক্লাবের মাঝে অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাটি এলাকার যুবক, আবাল-বৃদ্ধসহ সকলের মন কাড়ে, কারণ খেলাটি গোলশুন্যভাবে শেষ হয়। সর্বশেষ, অত্র খেলাটি টাইব্রেকারে ২-০ গোলে স্থল ইউনিটি স্পোটিং ক্লাব, রংধনু স্পোটিং ক্লাবকে হারায়।
 
উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মনিরুজ্জামান (মাছুম) সহ সভাপতি, ৪ নং আওনা ইউনিয়ন বিএনপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে জনাব ডাক্তার ইমরান মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ৪ নং আওনা ইউনিয়ন।

অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নাঈম তালুকদার, ডাক্তার রানা, ডাক্তার মেহেদী হাসান মারুফ, হাফেজ মারুফ তালুকদার, সাবেক ছাত্র নেতা আরিফুর রহমান রঞ্জু, ছাত্র নেতা সাব্বির হোসেন, ফয়সাল তরফদার, সোয়াদসহ এলাকার সর্বশ্রেণীর লোকজন। খেলার ধারাভাষ্যকার ছিলেন ইমরান, রেফারির দায়িত্ব পালন করেন শিহাব।

স্থল ইউনিটি স্পোটিং ক্লাবকে চ্যামপিয়ান কাপ (বিজয় দল) প্রদান করেন প্রধান অতিথি জনাব মনিরুজ্জামান মাছুম ও নাঈম তালুকদার। রংধনু স্পোটিং ক্লাবকে রানার্স আপ কাপ প্রদান করেন ডাক্তার ইমরান মিয়া, ডাক্তার রানা ও ডাক্তার মারুফ। খেলার ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন হাসান।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস