a ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ


অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি:
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৪২
ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ

ফাইল ছবি

ক্যাম্পাস খোলার পরপরই কমিটি পাওয়ার আশায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ। দেশের সবচেয়ে সক্রিয় ও উদ্দ্যমী কর্মী নিয়ে যে সংগঠন ছাত্রলীগ তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলাীগ নেতৃত্ব শূন্য অবস্থায় গত দুই  বছরের বেশি সময় ধরে।
নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় এখন যেন এক বিরাট জটলা সৃষ্টি হয়ে শংকার জন্ম দিয়েছে কর্মীদের মনে।

এতো দীর্ঘ সময় ধরে কমিটি না থাকায় বহু কর্মী ও নেতৃবৃন্দ আশা হত হয়ে ভুগছে মানসিক অস্থিতিশীলতায়। ধরনা দিয়ে চলেছে রোজ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দ্বারে দ্বারে। কিন্তু এতেও কাজ হচ্ছে না কোনো। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই। সম্মেলনের পরপরই কমিটি দেওয়ার বরসব চললেও কমিটি পায়নি জবি ছাত্রলীগ। বরং নেতাকর্মীদের নানা দুটানায় ভুগতে হয়েছে বহুবার।

বর্তমান সময়ে করোনা মহামারীর এমন দুরবস্থা পার করে যখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার তোরজোড় চলছে,তখন আবারো সরগরম হয়ে চলছে জবির ছাত্রলীগ কমিটি দেওয়ার আলোচনাও।

এ সময়ে সবচেয়ে আশাবাদী হয়ে আছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব স্থানীয় প্রার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মেলনের দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে আশা ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বলেন, "কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের নানা সময়ে বৈঠকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর পরই কমিটি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।  ক্যাম্পাস খুললে কমিটি ঘোষণা করার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মতো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট এর কমিটি অবশ্যই দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে খুব শীঘ্রই আমরা পাবো আশা করা যায়।"

সম্মেলনের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন বলেন," দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি স্থগিত অবস্থায় চলমান।এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলা না হলে কমিটি আসতে দেরী হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার পর পরই কমিটি দেওয়ার একটি মৌখিক ঘোষণা পাওয়া গেছে। তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের বিবেচনা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই কমিটি পাওয়া যাবে আশা করা যায়।" তিনি আরো বলেন,"আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কমিটি না থাকা সত্বেও কেন্দ্রীয় সকল নির্দেশনা মেনে মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করে চলেছি। সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্য থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত না হয়ে কাজ করে যাচ্ছি নিরন্তর।"

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি কর্মীরাও তাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান যে কমিটি পেলে কাজের উৎসাহ আরো বারবে আর কাজের ছন্দপতন হবে না। হারাবে না দেশের শিক্ষিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা রাজনীতির অঙ্গন থেকে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রলীগ কর্মী ও নেতৃবৃন্দের এখন ক্যাম্পাস খোলার পর কমিটি পাওয়ার আশা যেন এক প্রভাতের পূর্বলগ্ন হয়ে আছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক জাহিদ


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৭ আগষ্ট, ২০২৫, ০৪:৩৭
জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর, সম্পাদক জাহিদ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন পত্রিকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো: জাহাঙ্গীর আলমকে সভাপতি এবং নাগরিক টেলিভিশনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো: জাহিদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৫-২৬ কার্যকরী পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়েছে।  

রবিবার (১৭ আগষ্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রধান উপদেষ্টা ইমতিয়াজ উদ্দিন, উপদেষ্টা আবু হানিফ,উপদেষ্টা রিসাত রহমান এবং সদ্য সাবেক সভাপতি অমৃত রায় এবং সদ্য সাধারণ সম্পাদক উম্মে রাহনুমা রাদিয়া এই কমিটির অনুমোদন দেন। 

এছাড়াও সংগঠনের সহ সভাপতি পদে মো: শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মো. রাশেদুজ্জামান রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. মুজাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক পদে হাসিব সরদার,এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মাহফুজুর রহমান দায়িত্ব পেয়েছেন। 

এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে রাফিদ আদ-দ্বীন রাঈম,শ্রীকান্ত সূত্রধর, পলি আক্তার এবং সৃজন সাহা দায়িত্ব পেয়েছেন। 

নবনির্বাচিত সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে আমার জন্য এক গর্বের ও দায়িত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই সম্মাননা শুধু আমার একার নয়—এটি আমাদের সকল সদস্যের সম্মিলিত পরিশ্রম, সততা এবং একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার ফসল। আমি বিশ্বাস করি, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমে আমরা ক্যাম্পাস সাংবাদিকতাকে আরও বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল পথে এগিয়ে নিতে পারব। "

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো:জাহিদুল হাসান বলেন, "আজকে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। এটা শুধু একটি পদ নয়, এটা আমাদের ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার স্বপ্নকে এগিয়ে নেওয়ার নতুন যাত্রা। আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতা শুধু খবর নয়, এটা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা। আমি চেষ্টা করবো সাংবাদিকতার মান উন্নত করা এবং সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন। নিরপেক্ষ, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনা নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক চিত্র প্রচার এবং সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকতার ভূমিকা বাড়ানো। সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং প্রতিটি সদস্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া।"

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বৈষম্য ও বঞ্চিত সামরিক অফিসারদের সুবিচারে গঠিত কমিটির মিথ্যা ও প্রহসন রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৬
বৈষম্য ও বঞ্চিত সামরিক অফিসারদের সুবিচারে গঠিত কমিটির মিথ্যা ও প্রহসন রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  ২০০৯ - ২০২৪ সময়ে রাজনৈতিক ভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া বঞ্চিত সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অসংখ্য অফিসারদের দাবির প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তি সরকার ন্যায়বিচার প্রদানের লক্ষ্য একটি কমিটি গঠন করে।  গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, কমিটি তাদের রিপোর্ট প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেন। কিন্তু অত্যন্ত দুখ জনক ভাবে উক্ত রিপোর্টটি  মিথ্যায় পরিপূর্ণ ও পুরাপুরি প্রহসন মুলক। বাস্তবে রিপোর্টটি সত্যের অপলাপ। কমিটি সংস্লিস্ট বঞ্চিত অফিসারদের না ডেকে, তাদের আবেদন বিবেচনা না করে উক্ত রিপোর্ট প্রদান করে বলে প্রায় ৬০০ অফিসার দাবি করেন।

কমিটির এই প্রহসন মূলক রিপোর্টের ফলস্রুতিতে কয়েকশত বঞ্চিত অফিসার দ্বিতীয়বার বঞ্চিত হবার আশংকা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় উক্ত অফিসারগন পক্ষ থেকে একটা টিম এর কারন জানার জন্য যোগাযোগ করে। এতে জানা যায় যে, কমিটি বাহিনী সদর দপ্তর থেকে সহযোগিতা না পাওয়ায় তাদের কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়নি। এমনকি কমিটির কার্যক্রমে চাকুরীরত সদস্যগন কোনভাবেই উপস্থিত হননি। কমিটি মূলত ইতোপূর্বে বাহিনী সদর দপ্তর কর্তৃক প্রেরিত সুপারিশ সমুহকেই পুনরায় সুপারিশ করেছে মর্মে জানা যায়। দু:খজনকভাবে বাহিনী সদর দপ্তরের সুপারিশে ফ্যাসিস্টদের সহযোগীরাই পুনরায় সুবিধা পেতে যাচ্ছে। আজ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাস্টিস ফর কমরেডস আয়োজিত প্রোগ্রামে বক্তারা এই দাবি জানান।

এ প্রহসনের কারন হিসেবে উল্লেখ্য করা যায় যে পটপরিবর্তনের পরে অদ্যবধি বাহিনী সমুহে গুনগত সংস্কার না করায় ফ্যাসিস্ট এর দোসররাই এখানে বাহিনীসমূহ নিয়ন্য্রন করছে। এমনকি কমিটি তে নিযুক্ত সদস্যগনও ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগি। ফলে তাদের এই রিপোর্টটি পুরাপুরি পক্ষপাততুস্ট।

বক্তারা অভিযোগ করেন – কমিটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে যে তারা সকল আবেদনকারীর সাথে কথা বলেছেন/সাক্ষাতকার নিয়েছেন, অথচ বাস্তবে  বেশিরভাগ বঞ্চিত অফিসারকে ডাকাই হয়নি। মূলত তাদের আবেদন বিবেচনাই করা হয়নি। সকল আবেদনকারীদের সাক্ষাতকার ছাড়া কমিটি পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেয়া এবং ‘সকল আবেদনকারীদের সাক্ষাতকারের মাধ্যমে সুপারিশ করা হয়েছে’ এইরূপ বক্তব্য সম্পূর্ন ভাবে মিথ্যা। বক্তাদের কাছে এটা প্রতিয়মান যে, বাহিনী সদর দপ্তর যেসব পছন্দনীয় ব্যক্তদেরকে সুপারিশ করেছিল, সরকার গঠিত কমিটিও তাদেরকেই সুপারিশ করেছে। এক্ষেত্রে ফ্যসিস্ট আমলে তৈরি করা অসত্য ডকুমেন্ট সমূহকেই তারা বিবেচনায় নিয়েছে। এই কাজে গোয়েন্দা সংস্থা সহ ইতোমধ্যে সুপারিশকৃত কিছু অফিসার কমিটিকে প্রভাবিত করে নিজেদের সুবিধা আরো বাড়িয়ে নিয়েছে।

সরকারের কাছে লেঃ জেনারেল হাফিজ এর কমিটি যে রিপোর্ট জমা করেছে তা বক্তারা প্রত্যাখ্যান করছে। বক্তারা জমাকৃত প্রতিবেদন স্থগিত বা বাতিল করার দাবি করেন। তারা সরকারের কাছে সকল আবেদনকারীদের জন্য কমিটির কার্যক্রম চালু রেখে অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মত আবেদনকরা বাকি ৬০০ অফিসার ও যারা এখনো আবেদন করতে পারেননি কিন্তু সত্যিকারভাবে বঞ্চিত তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস