a ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ
ঢাকা শুক্রবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ


অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি:
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৪২
ঊষালগ্নে আশাবাদী জবি ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ

ফাইল ছবি

ক্যাম্পাস খোলার পরপরই কমিটি পাওয়ার আশায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ। দেশের সবচেয়ে সক্রিয় ও উদ্দ্যমী কর্মী নিয়ে যে সংগঠন ছাত্রলীগ তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলাীগ নেতৃত্ব শূন্য অবস্থায় গত দুই  বছরের বেশি সময় ধরে।
নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় এখন যেন এক বিরাট জটলা সৃষ্টি হয়ে শংকার জন্ম দিয়েছে কর্মীদের মনে।

এতো দীর্ঘ সময় ধরে কমিটি না থাকায় বহু কর্মী ও নেতৃবৃন্দ আশা হত হয়ে ভুগছে মানসিক অস্থিতিশীলতায়। ধরনা দিয়ে চলেছে রোজ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দ্বারে দ্বারে। কিন্তু এতেও কাজ হচ্ছে না কোনো। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই। সম্মেলনের পরপরই কমিটি দেওয়ার বরসব চললেও কমিটি পায়নি জবি ছাত্রলীগ। বরং নেতাকর্মীদের নানা দুটানায় ভুগতে হয়েছে বহুবার।

বর্তমান সময়ে করোনা মহামারীর এমন দুরবস্থা পার করে যখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার তোরজোড় চলছে,তখন আবারো সরগরম হয়ে চলছে জবির ছাত্রলীগ কমিটি দেওয়ার আলোচনাও।

এ সময়ে সবচেয়ে আশাবাদী হয়ে আছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব স্থানীয় প্রার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মেলনের দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে আশা ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন বলেন, "কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের নানা সময়ে বৈঠকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর পরই কমিটি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।  ক্যাম্পাস খুললে কমিটি ঘোষণা করার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মতো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট এর কমিটি অবশ্যই দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে খুব শীঘ্রই আমরা পাবো আশা করা যায়।"

সম্মেলনের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন বলেন," দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি স্থগিত অবস্থায় চলমান।এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলা না হলে কমিটি আসতে দেরী হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার পর পরই কমিটি দেওয়ার একটি মৌখিক ঘোষণা পাওয়া গেছে। তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের বিবেচনা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই কমিটি পাওয়া যাবে আশা করা যায়।" তিনি আরো বলেন,"আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কমিটি না থাকা সত্বেও কেন্দ্রীয় সকল নির্দেশনা মেনে মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করে চলেছি। সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্য থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত না হয়ে কাজ করে যাচ্ছি নিরন্তর।"

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি কর্মীরাও তাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান যে কমিটি পেলে কাজের উৎসাহ আরো বারবে আর কাজের ছন্দপতন হবে না। হারাবে না দেশের শিক্ষিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা রাজনীতির অঙ্গন থেকে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রলীগ কর্মী ও নেতৃবৃন্দের এখন ক্যাম্পাস খোলার পর কমিটি পাওয়ার আশা যেন এক প্রভাতের পূর্বলগ্ন হয়ে আছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে "জবি ঐক্য" প্লাটফর্মের চার দফা দাবি


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ০৮:৩২
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে চার দফা দাবির প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সক্রিয় সকল রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী সমন্বয়ে ‘জবি ঐক্য’ নামক একটি নতুন প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই সমাবেশ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বাজেট বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হল সংকট নিরসনের জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধক্ষ সবিনা শারমিন বলেন,  ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আবাসন ভাতা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। ইউজিসির সাথে বৈঠক করে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রইছ উদ্দিন  বলেন, ‘আমরা অতীতে বহু প্রশাসনকে দেখেছি যারা বাহির থেকে এসে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়িত করেছে শুধু। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা নিয়ে ভাবে নি। আমি লক্ষ করেছি পূর্বে যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন আন্দোলন হয়েছে তখন প্রশাসন আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে দমন করতে চেয়েছে। আবাসন আমাদের ন্যায্য অধিকার। অতীতে আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এখন আর কোন ধরনের বৈষম্য মেনে নেওয়া হবে না।’

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. বিলাল হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভবন বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা কেন আমাদের ক্যাম্পাসকে উন্নত করতে পারছি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আমাদের দাবি একটাই—প্রথম ক্যাম্পাসকে সুসজ্জিত করতে হবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অতি দ্রুত সেখানকার কাজ শেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে বিকেল ৩টার পর বাস ছেড়ে যায়, ফলে ক্যাম্পাস কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও মাঝপথে ছেড়ে বাস ধরতে হয়। এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে আমরা রাত ১০টা কিংবা ১২টা পর্যন্তও কাজ চালিয়ে যেতে পারি।”

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী নূর নবী বলেন, “প্রতিটি স্তরেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ে এমন কিছু স্বৈরাচারী দোসর বসে আছে, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে জবির বাজেট আটকে দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ১১টি হলের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেগুলো বিভিন্ন গোষ্ঠীর দখলে। প্রশাসন এখনও এসব হল বা জমি উদ্ধার করতে পারেনি। বলা হচ্ছে, জমিগুলো ভেস্টেড প্রপার্টি (ভিপি), যেখানে নির্মাণের অনুমতি নেই। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক হলই ভিপি জমিতে গড়ে উঠেছে। এই বৈষম্যের জবাবদিহিতা আমাদের কাছেই করতে হবে।”

ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী বলেন, “আমরা যখন অধিকার আদায়ের জন্য শিক্ষকদের পাশে চাই, তখন অনেক শিক্ষক আমাদের সহায়তা করেন না। তারা আমাদের অবজ্ঞা করেন। এতে আমাদের লজ্জা লাগে, কিন্তু শিক্ষকরা লজ্জা পান না—কারণ তারা আমাদের সন্তান মনে করেন না। অথচ শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বড় লিডার, এটি সবার মনে রাখা উচিত।”

শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি
১. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেট বৃদ্ধি করতে হবে এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে অন্তত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ভাতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
২. দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পুরান ঢাকার ড. হাবিবুর রহমান হল ও বাণী ভবনের নির্মাণকাজ আগামী ১০ মে ২০২৫-এর মধ্যে শুরু করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হল ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতি ১৫ দিন অন্তর মুক্তমঞ্চে এসে অবহিত করতে হবে।
৪. আগামী ১৫ মে ২০২৫-এর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ১১:১২
আজ বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ

সংগৃহীত ছবি

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন)। এ গ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৭ মিনিটে। গ্রহণের পর এটি সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে। যা শেষ হবে সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে এ সূর্যগ্রহণ তিন মিনিট ৫১ সেকেন্ড ধরে দেখা যাবে। এ সময় সূর্যের প্রায় ৯৪.৩ শতাংশ অন্ধকারে ঢাকা পড়বে। কেবল একটি বলয় দৃশ্যমান থাকবে গ্রহণের সময়। যাকে বলে 'রিং অব ফায়ার'ও বলা হয়। 
 
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন সূর্যগ্রহণের ফলে আকাশের কোলে সৌন্দর্য বিচ্ছুরিত হবে।

রাশিয়া, কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও উত্তর মেরু থেকে এ আগুনের বলয় দেখা যাবে। তবে গ্রহণের চূড়ান্ত অবস্থা প্রত্যক্ষ করা যাবে গ্রিনল্যান্ড থেকে। এছাড়া ইউরোপ ও এশিয়ার উত্তরাংশ থেকেও সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।

এ সূর্যগ্রহণের বিষয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আজকের সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও রাশিয়া থেকে। গ্রহণের কক্ষপথ কানাডার উত্তর অন্টারিও এবং সুপিরিয়র হ্রদের উত্তর দিয়ে পার করবে। কানাডায় এই গ্রহণ তিন মিনিট স্থায়ী হবে। তবে ভারতে সূর্যাস্তের আগে অরুণাচল প্রদেশ ও লাদাখের কিছু অংশে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য এই গ্রহণ দেখা যাবে। 
 
নাসা আরো জানায়, বিকেল ৫টা ৫২ মিনিট নাগাদ অরুণাচলের দিবাং অভয়ারণ্য অঞ্চল এলাকা থেকে এই সূর্যগ্রহণের সামান্য একটা অংশ দেখতে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, লাদাখে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ। এছাড়া ভারতের আর কোনো জায়গা থেকেই দেখা যাবে না এই গ্রহণ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস