a চীন ৩টি উপায়ে রাশিয়ার অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চীন ৩টি উপায়ে রাশিয়ার অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০২ মার্চ, ২০২৩, ০৯:৪১
চীন ৩টি উপায়ে রাশিয়ার অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে

ফাইল ছবি

ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পরপরই পশ্চিমা দেশগুলোর নজীরবিহীন অবরোধের মুখে পড়ে রাশিয়া। ফলে বন্ধ হয়ে যায় দেশটির বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

তবে রাশিয়ার এই দুঃসময়ে এগিয়ে আসে চীন। রাশিয়ার দক্ষিণের এই প্রতিবশী আগেই ঘোষণা করেছিল যে দুই দেশের বন্ধুত্বের মধ্যে ‘কোনো সীমা নেই’। ফলে পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বের করে দেওয়ার যে মারাত্মক প্রভাব রাশিয়ার ওপর পড়ার আশঙ্কা ছিল, তা অনেকটাই ফিকে হয়ে আসে।

সিএনএন মতে, দুই দেশের মধ্যে যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, তা আরও একবার সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতেই গত সপ্তাহে চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মস্কোয় সাক্ষাৎ করেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে বলেছে যে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী এপ্রিল কিংবা মে মাসের শুরুর দিকে মস্কোতে একটি শীর্ষ বৈঠকে বসতে পারেন।

চীন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পণ্যক্রেতা। অর্থ এবং প্রযুক্তির একটি শক্তিকেন্দ্রও এই দেশ। ফলে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার দিকে চীনের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মানেই হলো দেশটির অর্থনীতি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া। তিনটি উপায়ে চীন এই কাজ করছে।

রাশিয়ার জ্বালানি কিনে নেওয়া:
মস্কোর বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্বের অবরোধের একটি বড় অস্ত্র ছিল রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং এরপর তেলের দাম বেঁধে দেওয়া। এর বাইরে ছিল বৈশ্বিক লেনদেনব্যবস্থা সুইফট থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কার এবং দেশের বাইরে থাকা রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ জব্দ করা।

এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল যুদ্ধের অর্থায়নে রাশিয়ার সক্ষমতা দুর্বল করে ফেলা।
এর প্রভাব কিন্তু ঠিকই পড়েছে। রাশিয়ার অর্থনীতি ২০২২ সালে মন্দার কবলে পড়ে। বিশ্বব্যাংকের সবশেষ হিসাব বলছে, দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ওই বছরে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে যায়।

কিন্তু এই সময়ে উল্টো মস্কোর রাজস্ব বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার সরকার। আর এর কারণ হলো, জ্বালানির উচ্চ মূল্য এবং চীন ও ভারতের মতো ক্রেতা, যারা রাশিয়ার তেল কিনতে আগ্রহী, তাদের কাছে তেল বিক্রির ফলে পাওয়া পয়সা।

ইউরাশিয়া গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক নিল টমাস বলেন, ‘আমরা বলতে পারি, রাশিয়ার যুদ্ধকে আর্থিকভাবে সমর্থন করেছে চীন। তারা রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য জোরদার করার ফলে মস্কোর সামরিক শক্তি কমানোর পশ্চিমা চেষ্টা শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।’
নিল টমাস আরও বলেন, ‘সি চিন পিং আরও বেশি একঘরে হয়ে পড়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চান।’ তাঁর মতে, মস্কোর এই অবস্থার কারণে চীনের পক্ষে সস্তায় রাশিয়ান তেল কেনা, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করা এবং নিজেদের আন্তর্জাতিক স্বার্থের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থন জোগাড় করা সহজ হয়েছে।

চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০২২ সালে বাণিজ্য নতুন উচ্চতায় পৌঁছে। এই বছরে দুই দেশের মধ্যে ১৯ হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি।

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে জ্বালানি তেলের ব্যবসা। গত বছরের মার্চ থেকে ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে চীন রাশিয়ার কাছ থেকে ৫ হাজার ৬০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল কেনে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি। এই সময়ে চীন এক হাজার কোটি ডলারের রুশ কয়লা আমদানি করে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫৪ শতাংশ।

তবে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি ঘটেছে পাইপলাইনের মাধ্যমে পাওয়া গ্যাস এবং তরলীকৃত গ্যাসের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। এই সময়ে চীন রাশিয়ার কাছ থেকে ৯৬০ কোটি ডলার দিয়ে এই দুটো পণ্য কেনে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫৫ শতাংশ বেশি।

দুই দেশই এসব কেনাকাটা থেকে লাভবান হয়েছে। রাশিয়ার প্রয়োজন ছিল জীবাশ্ম জ্বালানির জন্য নতুন গ্রাহক। আর চীনের দরকার ছিল সস্তায় জ্বালানি, বিশেষ করে যখন তার অর্থনীতি শ্লথ হয়ে পড়ছিল।

চীন ও রাশিয়া এখন তাদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করতে পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার গ্রাজপ্রম এবং চীনের ন্যাশনাল প্রেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মধ্যে একটি চুক্তি, যার আওতায় রাশিয়া আগামী ২৫ বছর চীনের কাছে আরও বেশি গ্যাস সরবরাহ করবে।

পশ্চিমা আমদানির বিকল্প:
চীনের কাছে তেল বিক্রি যেমন চলছে, তেমনই রাশিয়াও চীনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস, বিভিন্ন ধরনের ধাতু, যানবাহন, জাহাজ এবং উড়োজাহাজ কিনছে। গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের করা এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

ইউরাশিয়া গ্রুপের নিল টমাস বলেন, চীন যদিও যুদ্ধে রাশিয়াকে সরাসরি সমর্থন জানায়নি, তারপরও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েই চলবে। কারণ, বেইজিং আসলে সুযোগসন্ধানী।

অন্যদিকে, রাশিয়ারও গাড়ি কিংবা ইলেকট্রনিকসের মতো পণ্যের জন্য বিকল্প উৎস দরকার হয়ে পড়েছিল। তারা আর পশ্চিমা বিশ্ব থেকে এগুলো কিনতে পারছিল না।
আর এ ক্ষেত্রে চীনকে টেক্কা দেওয়ার সামর্থ্য খুব কম দেশেরই রয়েছে, কারণ চীনের রয়েছে বিশাল উৎপাদনব্যবস্থা’, বলেন মস্কো স্টেট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের সহযোগী অধ্যাপক আনা কিরিভা।

রাশিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান অটোস্ট্যাটের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, পশ্চিমা বিভিন্ন গাড়ির বিক্রি বন্ধ হওয়ার পর দেশটিতে চীনের ব্যান্ড হ্যাভেল, চেরি এবং গিলির বিক্রি এক বছরে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। এই হার আগামী সময়ে আরও বাড়বে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২১ সালে রাশিয়ার স্মার্টফোনের বাজারের ৪০ শতাংশ ছিল চীনা ব্র্যান্ডের হাতে। এক বছর পর রাশিয়ার স্মার্টফোনের বাজার এখন বলা যায় পুরোটাই চীনের দখলে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট বলছে, রাশিয়ার বাজারের ৯৫ শতাংশ স্মার্টফোনই চীনের তৈরি।

মার্কিন ডলারের বিকল্প:
সুইফট থেকে রাশিয়ার ব্যাংকগুলোকে বের করে দেওয়ার পর ডলার বাদ দিয়ে চীনা মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করা শুরু করে মস্কো।

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার কোম্পানিগুলো আরও বেশি করে ইউয়ান ব্যবহার করছে। আনা কিরিভা বলছেন, অবরোধ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে রাশিয়ার ব্যাংকগুলো আরও বেশি লেনদেন এখন ইউয়ানে করছে।

মস্কো এক্সচেঞ্জকে উদ্ধৃত করে রাশিয়ার গণমাধ্যম জানাচ্ছে যে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ইউয়ানের লেনদেন ছিল এক শতাংশের কম, সেখানে নভেম্বরে এটি বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ শতাংশে।

সুইফটের তথ্য বলছে, গত জুলাই মাসে যে তিনটি দেশে ইউয়ানের কেনাবেচা সবচেয়ে বেশি হয়েছিল, রাশিয়া ছিল তাদের একটি। বাকি দুটো ছিল হংকং এবং যুক্তরাজ্য। সেই থেকে এখনো রাশিয়া প্রথম ছয়টি দেশের মধ্যে রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের আগে রাশিয়া শীর্ষ ১৫ দেশের মধ্যেও ছিল না।

রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় ইউয়ানের রিজার্ভ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করেছে। বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, ২০২৩ সালে রাশিয়া শুধু ইউয়ান কিনবে। আনা কিরিভা বলছেন, আগামীতে রাশিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্য আরও বেশি ডলারবিহীন হবে।

তবে চীন–রাশিয়ার এই অর্থনৈতিক সম্পর্কে যে একেবারে কোনো ঠোকাঠুকি নেই, তা বলা যাবে না।

খবর পাওয়া গেছে যে চীনের লেনদেনব্যবস্থা ইউনিয়নপে রাশিয়ার ব্যাংকগুলো থেকে ইস্যু করা কার্ড গ্রহণ বন্ধ করে দিয়েছে। রাশিয়ার সংবাদপত্র কোমারসান্ত বলছে, এটা করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অবরোধে পড়ার ভয় থেকে। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২২, ১১:১৪
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই

ফাইল ছবি: মিখাইল গর্বাচেভ

সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আর নেই। মঙ্গলবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

রুশ সংবাদ সংস্থার বরাতে বিবিসি ও রয়টার্স গর্বাচেভের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ক্লিনিকাল হাসপাতাল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গুরুতর ও দীর্ঘকালীন অসুখে ভুগে মিখাইল গর্বাচেভ আজ মারা গেলেন।’

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, গর্বাচেভের মৃত্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শোক জানিয়েছেন।

মিখাইল গর্বাচেভ বিশ্বে নন্দিত ও নিন্দিত দুটোই। এক সময়ের কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন গর্বাচেভ। রাশিয়ায় দীর্ঘসময় ধরে চলা সমাজতন্ত্রের পতন হয়েছিল তার নেতৃত্বেই। ওই পতনের মধ্য দিয়ে বিশ্বে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে।

তাই সমাজতন্ত্রবাদীদের কাছে নিন্দিত গর্বাচেভ স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য অনেকের কাছে নন্দিত। অনেক রুশ গর্বাচেভকে ঘৃণা করেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরাশক্তি থেকে রাশিয়াকে দুর্দশাগ্রস্ত দেশের কাতারে নিয়ে আসার জন্য অনেক রুশ এখনও গর্বাচেভকে ক্ষমা করতে পারেন নাই।

সোভিয়েত পতনের পর নিজেও ক্ষমতা হারান গর্বাচেভ।  এর পর পশ্চিমা দেশগুলোতে বক্তৃতা দিয়েই সময় পার করেছেন। ১৯৯৯ সালে স্ত্রী রাইসা গর্বাচেভের মৃত্যুতে অনেকটাই ভেঙে পড়েন তিনি।

১৯৯৬ সালে পরিবর্তিত রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন গর্বাচেভ, তবে ভোট পেয়েছিলেন মাত্র ৫ শতাংশ।

রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক সময় কড়া সমালোচক ছিলেন গর্বাচেভ। তবে ২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে যখন ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া, তখন তার পক্ষেই ছিলেন তিনি। গত বছর গর্বাচভের ৯০তম জন্মদিনে তাকে আবার প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন স্বয়ং পুতিন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বেনজীর আহমেদের আরও ১১৩ দলিলের সম্পদ ও ৪ ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ০৬:০১
বেনজীর আহমেদের আরও ১১৩ দলিলের সম্পদ ও ৪ ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ

ফাইল ছবি: বেনজীর আহমেদ

 

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা আরও ১১৩টি দলিলের সম্পদ এবং গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট জব্দ (ক্রোক) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানিতে তাদের নামে থাকা শেয়ার অবরুদ্ধ করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার ঢাকা মহানগর আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর গণমাধ্যমকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার বেনজীর আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরে তার আরও সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়। সেই সব সম্পদ ক্রোকের আদেশ চেয়ে দুদক রোববার আদালতে আবেদন করলে, শুনানি নিয়ে আদালত বেনজীর আহমেদের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা ও সন্তানদের নামে থাকা ৩৪৫ বিঘা (১১৪ একর) জমি জব্দ (ক্রোক) এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে তাদের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব (অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দেওয়া হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাব এবং র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান যে সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। তখন তিনি আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক