a জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা
ঢাকা রবিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০১ জুলাই, ২০২২, ০৩:৩৫
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

ফাইল ছবি

প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট  আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটিতে ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সভাপতি হিসেবে মোঃ আসাদুজ্জামান আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক  সুজন মোল্লা নিযুক্ত হয়েছেন। এছাড়া সি: সহসভাপতি মোঃ ইব্রাহিম কবির মিঠু,  সি: যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সামছুল আরেফিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক বছরের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী সামছুল আরেফিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ দেওয়া হয়। তবে তিনি মুঠোফোনে জানিয়েছেন, দল যা ভালো মনে করেছে আমি সেটি মেনে নিয়েছি। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাবি ছাত্রলীগ নেতার আত্বহত্যার চেষ্টা এবং একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকের প্রশসংনীয় ভূমিকা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৩, ০৭:৫২
ঢাবি ছাত্রলীগ নেতার আত্বহত্যার চেষ্টা এবং একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকের প্রশসংনীয় ভূমিকা

ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক এসএম এহসান উল্লাহ ওরফে ধ্রুবর আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনায় বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দীন খানের ভূমিকাকে ‘দায়িত্বশীল’  ও প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন ঘটনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। ধ্রুবর আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনা নিয়ে ‘তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে’ শনিবার এক বিবৃতি দেয় তার সহপাঠীরা। এতে তারা নিম্নের মন্তব্যগুলো করেছেন।

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘ঘটনার সাথে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় জুড়ে দিয়ে ধ্রুব কেন একজন শিক্ষকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছে - বিষয়টি তাদের কাছে পরিষ্কার নয়’। বিবৃতিতে ৫০ জন প্রত্যক্ষদর্শী ও ২৫ জন সমর্থনকারী শিক্ষার্থীর নাম ও স্বাক্ষর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগ নেতা ধ্রুব ‘শ্রেণিকক্ষে অধ্যাপক তানজীমউদ্দীন খানের দ্বারা অপমানিত হওয়ার অভিযোগ’ এনে ফেসবুকে আত্মহত্যার ঘোষণা দেন। ফেসবুক পোস্টে  অধ্যাপক তানজীমউদ্দীনকে পাঠানো একটি মেইলের স্ক্রিনশট যুক্ত করে দেন তিনি। নিজেকে ‘নিদোর্ষ’ দাবি করে তিনি লেখেন, ‘আপনি যতই অস্বীকার করেন আমি ছাত্রলীগ করি বলে আপনি এমন করেছেন’। এরপর থেকে কয়েক ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাকে বঙ্গবন্ধু হলের পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জানা যায়, সম্প্রতি এক নারী সহপাঠীর নামে ‘কুৎসা রটনা’ থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ধ্রুব ওই সহপাঠীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখাত হন।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ঘটনার দিন ক্লাস শুরু হওয়ার আগে এহসান ধ্রুব স্বপ্রণোদিত হয়ে তানজীম স্যারের কাছে ব্যাচের একটা বিষয়ে অভিযোগ দেয়। যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে (কুৎসা রটনা) অভিযোগ সেই ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতাও নেই। ক্লাসের মাঝামাঝি সময়ে এহসান ধ্রুব ক্লাসরুমে প্রবেশ করে। ক্লাসের শেষের দিকে স্যার ধ্রুবকে দাঁড়াতে বলেন এবং তার রটানো গুজবের সূত্র সম্পর্কে জানতে চান। ধ্রুব কোনো ব্যক্তির নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং এর বদলে স্ক্রিনশট দেখানোর কথা বলে। তানজীম স্যার এরপরও নাম বলায় গুরুত্বারোপ করলে সে নাম বলতে ব্যর্থ হয়। তানজীম স্যার তখন সহপাঠীদের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে নিষেধ করেন। এরপর এহসান ধ্রুব আকস্মিক ‘তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, আমিও তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছি’ (ইংরেজিতে) এই স্বীকারোক্তিমূলক বাক্যটি ব্যবহার করে যা শুনে ক্লাসের সবাই অবাক হই। তখন স্যার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, একজনকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণে সেই ব্যক্তির সম্পর্কে কুৎসা রটানোর অধিকার তার নেই। এরপর স্যার ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলে ধ্রুব তার কাছে ক্ষমা চাইতে যায়। পরে স্যার তার সাথে নিচে নেমে তাকে ফুচকা খাওয়ান।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই পুরো ঘটনার সাথে এহসান ধ্রুবর রাজনৈতিক পরিচয়ের কোনোই যোগসূত্র ছিল না। তানজীম স্যার এই ঘটনা চলমান অবস্থায় ছাত্রলীগ কিংবা কোনোপ্রকার রাজনৈতিক পরিচয়ের দিকে বিন্দুমাত্র ইঙ্গিত না করলেও স্যারের নামে এই ধরণের কুৎসা রটানো কিংবা বিদ্বেষমূলক আচরণ সত্যিই দুঃখজনক। এই ঘটনায় অধ্যাপক তানজীমের ‘যে ভূমিকা পালন করার কথা, তিনি তাই-ই করেছেন’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে তারা বলেন, এহসান ধ্রুবর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার কার্যকারণ একান্তই ব্যক্তিগত। এই ঘটনায় অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খানের ভূমিকা অত্যন্ত দায়িত্বশীল ছিল এবং তা নির্দ্বিধায় প্রশংসার দাবিদার। একজন নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করতে একজন সচেতন শিক্ষকের যে ভূমিকা পালন করার কথা, তিনি তাই করেছেন।’

এহসান ধ্রুবর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক উসকানি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও অমূলক উল্লেখ করে সকল রাজনৈতিক দল এবং শিক্ষার্থী মহলকে বিবৃতিতে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। সূত্র: বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিরাজু জেলার দায়িত্বে ফরিদুল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:৪০
আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা। অন্যদিকে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্তমান সহ-সভাপতি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীকে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই দুই নেতা অতীতে মহেশখালী-কুতুবদিয়া (কক্সবাজার-২) সংসদীয় আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯৬ সালে সিরাজুল মোস্তফা এবং ২০০১ সালে ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী আওয়ামী লীগের টিকিটে প্রার্থী হন। সিরাজুল মোস্তফার বাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে এবং ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি আরেক দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ওই দুই নেতা নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছেন। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিক হিসেবে। বিগত ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে একই বছরের ১৩ অক্টোবর ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সেই কমিটিতে ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীকে সহ-সভাপতি করা হয়। এদিকে কক্সবাজার জেলা থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় জেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণ চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজিবুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে আমরা জেলাবাসী গর্বিত। আশা করছি, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কক্সবাজারের উন্নয়ন আরও বেশি ত্বরান্বিত হবে।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস