a
ফাইল ছবি
আকাশে মেঘ কমে আসতে থাকায় আজ শনিবার হতে তাপমাত্রা কমতে কমতে পারে। আগামী ৩ থেকে ৪ জানুয়ারি তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফত।
আজ তেঁতুলিয়া ও শ্রীমঙ্গলে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি এবং রাজারহাটে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৬, ময়মনসিংহে ১২ দশমিক ৫, চট্টগ্রামে ১৬ দশমিক ৬, সিলেটে ১৪ দশমিক ৪, রাজশাহী ১৩ দশমিক ৮, রংপুরে ১১ দশমিক ৬, খুলনায় ১৫ দশমিক ০ এবং বরিশালে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সূত্র:বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রোজ মৃত্যু বাড়ছে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ দৈনিক মৃত্যু গতকাল একদিনে ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দেশে কঠোর লকডাউন দিয়েও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। গতকাল ৮৬৬১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার বেড়ে ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
এমতাবস্থায় চলমান সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে জানা গেছে। আজ অথবা আগামীকাল মঙ্গলবার লকডাউন বাড়ানোর বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
এ বিষয়ে রোববার রাতে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা আগেই কমপক্ষে দুই সপ্তাহ লকডাউনের পরামর্শ দিয়েছিলাম। সুপারিশে আমরা বলেছিলাম করোনার সুফল পেতে হলে তিন সপ্তাহ লকডাউন আইডিয়াল, না হলে কমপক্ষে দুই সপ্তাহ লকডাউন দিতে হবে।’
রোববার চলমান কঠোর লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সরকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক নয়। মৃত্যুর সংখ্যা এখনো একশ’র বেশি। তাই বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।’
কতদিন বাড়তে পারে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ৭ দিন বাড়তে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনায় যে হারে মৃত্যু ও আক্রান্ত হচ্ছে, বিধিনিষেধ বাড়ানো ছাড়া সরকারের কাছে অন্য কোনো পথ খোলা নেই।’
কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশের আলোকে ২৮ জুন থেকে ৩০ জুন তিন দিন সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।
এরপর ১ জুলাই থেকে দেশব্যাপী শুরু হয় কঠোর বিধিনিষেধ। যা শেষ হবে ৭ জুলাই। নতুন করে ৭ দিন সময় বাড়ানো হলে ১৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই কঠোর বিধিনিষেধ।
গত ৩০ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে লকডাউনের বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে।
বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। বিনা প্রয়োজনে বের হলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। গত চারদিনে শুধু ঢাকায়ই সহস্রাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম
উপহার পাওয়া গাড়িটিকে অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তরিত করে বিনামূল্যে রোগী ও মরদেহ বহনের কাজে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত-সমালোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চুনারুঘাটে আলোচিত সেই শিক্ষকের বাড়িতে এসে গাড়ির চাবি নেওয়ার সময় এ ঘোষণা দেন তিনি।
হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিতে চুনারুঘাটের নরপতি গ্রামে আগে থেকেই মঞ্চ সাজিয়ে রেখেছিলেন শিক্ষক এম মুখলিছুর রহমান। দুপুর পৌনে ৩টায় সেই মঞ্চে এসে উঠেন হিরো আলম।
পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে হিরো আলমকে নোহা মাইক্রোবাসটির চাবি ও কাজগপত্র হস্তান্তর করা হয়। এ সময় হিরো আলম বলেন, ‘মুখলিছুর রহমান নিজের ঘোষণা অনুযায়ী গাড়িটি উপহার দিয়ে বড় মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
আমি এই গাড়িটিকে অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তরিত করব। সেটি দিয়ে দরিদ্র রোগী এবং দরিদ্র পরিবারের কেউ মৃত্যুবরণ করলে মরদেহ ব্যবহারের কাজে ব্যবহার করা হবে। ’
এম মুখলিছুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি সিলেট বিভাগবাসীর পক্ষ থেকে হিরো আলমকে গাড়িটি উপহার দিয়েছেন। এ সময় তার হাতে একটি সম্মাননা স্মারকও তুলে দেওয়া হয়। এ সময় হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
হিরো আলম সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন, তা মোকাবিলার জন্য তাকে নিজের গাড়িটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ওই শিক্ষক। অবশেষে মঙ্গলবার গাড়িটি হস্তান্তর করলেন তিনি।