a
ফাইল ছবি
আকাশে মেঘ কমে আসতে থাকায় আজ শনিবার হতে তাপমাত্রা কমতে কমতে পারে। আগামী ৩ থেকে ৪ জানুয়ারি তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফত।
আজ তেঁতুলিয়া ও শ্রীমঙ্গলে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি এবং রাজারহাটে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় সেখানে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৬, ময়মনসিংহে ১২ দশমিক ৫, চট্টগ্রামে ১৬ দশমিক ৬, সিলেটে ১৪ দশমিক ৪, রাজশাহী ১৩ দশমিক ৮, রংপুরে ১১ দশমিক ৬, খুলনায় ১৫ দশমিক ০ এবং বরিশালে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সূত্র:বিডি প্রতিদিন
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনে বর্ণচোরারা ধরা পড়েছে
তারা যে এতদিন গণতন্ত্রের কথা বলতেন, নির্বাচনের কথা বলতেন; পুরোটাই ছিল অভিনয়। যেহেতু তারা সবসময় ছলনার রাজনীতি করেছেন, মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছেন, এখন তারা নিজেরাই বোকা হয়ে গেছেন…
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে উঠে আসেন জাতীয় রাজনীতিতে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনবার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন।
সম্প্রতি ঢাকা পোস্টের সঙ্গে আলাপকালে দেশের নৌপথের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, নদী দখলমুক্তকরণসহ নৌপথ ঘিরে আগামীর পরিকল্পনা এবং সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ঢাকা পোস্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আমানউল্লাহ আমান।
শেষ পর্বে থাকছে ‘বর্তমান সরকারের অধীন আর কোনো নির্বাচনে বিএনপির অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত’ এবং ‘স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মধ্যে অনৈক্যের সুর’ নিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নিজস্ব মতামত।
আমরা একটা আদর্শ ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক দল। আমরা যার নেতৃত্বে রাজনীতি করছি তিনি হলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এই জায়গায় আমরা ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
ফাইল ছবি
বারবার চেষ্টার পরেও আবার ব্যর্থ হলো ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, ইসরোর মহাকাশ অভিযান। গত বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৪৩ মিনিটে ভারতের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ন স্পেস সেন্টার থেকে ইওএস-০৩ নামের স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ব্যর্থ হলো ভারতের স্যাটেলাইট যাত্রা। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছে। ইসরোর চেয়ারম্যান কে সিভান জানিয়েছেন, ক্রায়োজেনিক স্তরে ত্রুটি ছিল। যার ফলে উপগ্রহটিকে কক্ষপথে বসানো যায়নি। খুব শীঘ্রই আবারো এ উপগ্রহ পাঠানোর চেষ্টা করা হবে।
জিএসএলভি-এফ-১০ রকেটে করে জিও ইমেজিং স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হয়। পৃথিবীর বুকে বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস পেতে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ধরনের স্যাটেলাইট রিয়েল টাইম মনিটরিং করতে সক্ষম।
ইসরো জানায়, উৎক্ষেপণের পর প্রথম দুটি পর্যায় ঠিকঠাকই ছিল। চারটি স্ট্র্যাপ অন বুস্টারও কাজ করছিল। কিন্তু, সমস্যা দেখা দেয় তারপর। উৎক্ষেপণের ৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড পর দ্বিতীয় স্টেজটি আলাদা হয়ে যায়। তার এক সেকেন্ড পরেই তৃতীয় স্টেজ অর্থাৎ, ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন চালু হয়। এটিই মহাকাশে উৎক্ষেপণকারী যানের শেষ ধাপ।
অত্যন্ত জটিল এই ইঞ্জিনটি ঠিকমতো কাজ করেনি। ফলে, রকেটটি গতি ও উচ্চতা হারিয়ে ক্রমে পূর্ব নির্ধারিত পথ থেকে সরতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের নীরবতার পর ব্যর্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয় ইসরো। এরপরই কন্ট্রোল রুম থেকে ‘কিল সুইচ’ ব্যবহার করে মাঝ আকাশেই রকেটটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় হতাশ ইসরোর সাবেক চেয়ারম্যান জি মাধবন নায়ার বলেছেন, এই নিয়ে দুটি ক্ষেত্রে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে মিশন ব্যর্থ হল।কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষে না পৌছানো পর্যন্ত চেস্টা চালিয়ে যাবো।